বড় টূর্নামেন্টের নকআউটে পূর্ব সাফল্যের কারণে অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে রাখলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন

মহম্মদ হাফিজের দুটি ড্রপ পড়া বিতর্কিত ডেলিভারি প্রসঙ্গেও মত দিলেন

Australia Team. (Photo by Michael Steele via Getty Images)

আজ দুবাইতে ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে রাখলেন ভারতের অফ-স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। অশ্বিন বলেছেন যে দুই দলের মধ্যে সাম্প্রতিক লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়া অনেক বেশিবার জেতায় তারাই মানসিকভাবে এগিয়ে থেকে শুরু করবে।

তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে অশ্বিন বলেছেন, “আমি মনে করি অস্ট্রেলিয়া এই ম্যাচে ফেভারিট। বছরের পর বছর ধরে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়ায় আধিপত্য বিস্তার করে আসছে।”

অশ্বিন বিশ্বাস করেন যে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অস্ট্রেলিয়ার এতোদিনের আধিপত্য আজকে তাদের সাহায্য করবে।

“বিশেষ করে সাদা বলের খেলায়, ওয়েস্ট ইন্ডিজের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে হেরে যাওয়া সেই ফাইনালটা বাদে, অস্ট্রেলিয়া সত্যিই আইসিসি বিশ্বকাপের নকআউটে অপ্রতিইরোধ্য দল। আমি মনে করি বড় মঞ্চে খেলার ব্যাপারে অস্ট্রেলিয়া অভ্যস্ত হওয়ায় এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে যেভাবে তারা আধিপত্য দেখিয়ে খেলে, সেসব বিবেচনা করলে তারাই এগিয়ে আছে,” তিনি বলেছিলেন।

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে হাত ভেঙে যাওয়ার ফলে ফাইনালের আগে ছিটকে যাওয়া ডেভন কনওয়ের অভাব নিউজিল্যান্ড অনুভব করবেন বলে মনে করেন অশ্বিন।

কনওয়ের সম্বন্ধে অশ্বিন বলেছেন, “ডেভন কনওয়ে নিউজিল্যান্ডের সেই নীরব নায়কদের মধ্যে একজন, যিনি দলের দাবি অনুযায়ী ৩ বা ৪ নম্বরে নেমে এসেছেন। অনেকটা রাহুল দ্রাবিড়ের ২০০৩ বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে কিপিং করার মতো। কেন উইলিয়ামসনের বড় ভরসা কনওয়ে আজ রাতের ফাইনাল মিস করবেন এবং এটি নিউজিল্যান্ডের জন্য একটি বড়, বড় ধাক্কা।”

দুটি ড্রপ পড়া ডেলভারি প্রসঙ্গে রবিচন্দ্রন অশ্বিন

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যাটিং করার সময় ডেভিড ওয়ার্নার দুটি ড্রপ পড়া ডেলিভারিতে মহম্মদ হাফিজকে ছক্কা মেরেছিলেন, যা পড়ে বিতর্কের বিষয় হয়ে ওঠে।

ঘটনাটি বিবেচনা করে অশ্বিন মতামত দিয়েছেন যে দুবার ড্রপ পড়া ডেলিভারিগুলি নো-বল হওয়া উচিত নয় কারণ এটি করতে পারাও একধরনের দক্ষতা।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে তিনি বলেন, “আগে, একটি নিয়ম ছিল যে দুবার ড্রপ পড়া ডেলিভারি করা যেত, কিন্তু এখন তা পরিবর্তিত হয়েছে। এখন যদি কেউ ওইরকম বল করেন এবং দ্বিতীয় বাউন্সটি ব্যাটিং ক্রিজের আগে হয়, তাহলে তাকে নো-বল বলা হয়। আমার মনে হয় না এটা উচিত নিয়ম, কারণ একজন বোলার যদি দুইবার বল পিচ করতে পারে, তবে এটি একটি দক্ষতা, তাই আমি মনে করি নিয়মটি নিয়ে পুনর্বিবেচনা করা দরকার। তবে ডেভিড ওয়ার্নারের সেই উপস্থিত বুদ্ধি আছে যার জন্য ওই বলটিকে ক্লিন হিট করে ছয় মারতে পেরেছিল।”

close whatsapp