দ্বিশতরানের পথে আগ্রাসী ক্রিকেটের পরিকল্পনাই ছিল ঈশান কিষাণের

Ishan Kishan
Ishan Kishan. (Photo Source: BCCI)

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। আর সেই এক সুযোগেই সকলকে বিষ্মিত করে দিয়েছেন এই তারকা ক্রিকেটার। চট্টোগ্রানে দেশের জার্সিতে প্রথম দ্বিশতরানের ইনিংস খেললেন ঈশান কিষাণ।  আর তাতেই একাধিক রেকর্ডের মালিক ২৪ বর্ষীয় এই তরুণ ক্রিকেটার। এখন ভারতীয় ক্রিকেট মহল তো েবটেই, বিশ্ব ক্রিকেট মহলে শুধু তাঁকে নেিয়েই চলছে আলোচনা।  সামনেই রপয়েছে একদিনের ক্রিকেটের বিশ্বকাপে, সেখানেই নিজের জায়গা পাকা করা যে এই তরুণ ক্রিকেটারের লক্ষ্য তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিরিজ হেরে গেলেও শেষ ম্যাচে ভারতের অসাধারণ জয়  সেই ক্ষতে অনেকটাই প্রলেপ হয়ত দিয়েছে। আর সেই মঢ্চে ঈশান কিষাণের সেই বিধ্বংসী ব্যাটিং মুগ্ধ করেছে সকলকে। বিশ্ব ক্রিকেটের চতুর্থ ব্যাটার হিসাবে তিনি একদিনের ক্রিকেটে দ্বিশতরান পেয়েছেন। ভারতীয় ক্রিকেটে তিন নম্বর ব্যাার হিসাবেই  একদিনেরক ক্রিকেটের দ্বিশতরান করেছেন তিনি। এমন তারকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে এক আসনে বসতে পেরেই আপ্লুত ঈশান কিষাণ।

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কেরিয়ারের প্রথম দ্বিশতরান করেছেন ঈশান কিষাণ

ম্যাচ শেষে এমন একটা পারফরম্যান্সের জন্য কীভাবে নিজেকে প্রস্তুত করেছিলেন সেই কথাই সকলকে জানিয়েছেন ২৪ বর্ষীয় এই তরুণ ক্রিকেটার। শুধু তাই নয় নিজের মানসিক প্রস্তুতি নিয়েও মুখ খুলেছেন তিনি। এদিন সময় ত এগিয়েছে তততই আক্রমণাত্মক এবং আগ্রাসী ক্রিকেট খেলার মানসিক প্রস্তুতি নিয়েছিলেন এই তরুণ ক্রিকেটার। আর তাতেই সাফল্য এসেছে ঈশা কিষাণের। এই পারফর্ম্যান্সের ধারাই এখন এগিয়ে নিয়ে যেতে চান তিনি।

ঈশান কিষাণ জানিয়েছেন, “যদিও প্রথমে যখন ব্যাটিং করতে গিয়েছিলেম এই সব নিয়ে  খুব একটা বেশী ভাবিনি। প্রথমে নিজেরে য়খ ৯০ রানে দেখেছিলাম সেই সময় ঠান্ডা মাথাতেই খেলার পরিকল্পনা নিেয়েছিলাম। এরপরই নিজের রান দেখতে পেয়েছিলাম যে ১৪৬-এ পৌঁছে গিয়েছে। এরপর ধীরেধীরে ১৯০ রানের গন্ডীতে পৌঁছেছিলাম আমি। সেই সময়ই আমার মাথায় আরেকটা ভাবনা এসেছিল। পিচ খুব ভাল ছিল। ব্যাটিংয়ের জন্য এমন ভাল পিচে কেন ধীর গতিতে ব্যাটিং করব সেই কথাই তখন ভেবেছিলাম আমি। সেই পরিস্থিতিও আমার অনুকূলে ছিল, সেইজন্যই তখন আগ্রাসী ক্রিকেট খেলার পরিকল্পনা করি”।

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ১৩১ বলে ২১০ রানের িনিংস খেলেছিলেন ঈশান কিষাণ। তাঁর গোটা ইনিংস জুড়ে চিল শুধুই চার ও ছয়ের বন্যা। একাই কার্যত শেষ করে দিয়েছিলেন তিনি বাংলাদেশ বোলিং লাইনআপকে। এবার সামনে রয়েছে টেস্ট সিরিজ। সেখানেও ঈশান কিষাণের সুযোগ হয় কিনা সেটাই এখন দেখার।

close whatsapp