“আমরা ওইখানেই বিশ্বের ১ নম্বর দল হয়েছিলাম”, বাবর আজম আশাবাদী সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর পরিস্থিতিকে কাজে লাগানোর ব্যাপারে
কিন্তু দলের মিডল অর্ডার ও ডেথ বোলিং নিয়ে চিন্তায় পাক অধিনায়ক
আপডেট করা - Oct 11, 2021 1:56 pm

আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর পরিস্থিতিকে নিজেদের কাজে লাগাতে পারার ব্যাপারে আশাবাদী পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। ২০০৯ সাল থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মাঠগুলিকে নিজেদের হোম গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করে পাকিস্তান। সম্প্রতি বেশ কিছু দেশ আবার পাকিস্তানে সফর শুরু করলেও পাকিস্তান তাদের হোম ম্যাচগুলি মূলত দুবাই, আবু ধাবির মাঠেই খেলে। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় জুড়ে সেখানকার মাঠে খেলছে বলে সেখানের পরিস্থিতি সম্বন্ধে ভালো মতোই ওয়াকিবহাল বাবর আজমরা।
ওখানে আমাদের রেকর্ড দুর্দান্ত
যখন কোচ মিকি আর্থারের প্রশিক্ষণাধীন ছিল পাকিস্তান, সেই সময় সীমিত ওভারের ক্রিকেটে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মাঠে তাদের পারফর্ম্যান্স ছিল ঈর্ষনীয়। শীর্ষ র্যাঙ্কিংয়েও পৌঁছেছিল তাঁরা। ২০২১ টি-২০ বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে ইএসপিএনক্রিকইনফোকে দেওয়া সাক্ষাতকারে বাবর বলেছেন, “ওখানে আমাদের রেকর্ড দুর্দান্ত। আমরা ওইখানেই বিশ্বের ১ নম্বর দল হয়েছিলাম। আমরা ওখানকার মাঠে যেভাবে দল হিসেবে বা ব্যক্তি হিসেবে খেলি তাতে বোঝা যায় ওখানকার পরিস্থিতি আমাদের জন্য অনুকূল। আমাদের রেকর্ড ও ধারাবাহিকতায় তার প্রমাণ। বাকি দলগুলো পজিটিভ ক্রিকেট খেলছে এবং আমাদের খেয়াল রাখতে হবে আমরাও যাতে পজিটিভ ক্রিকেটটাই খেলি।”
বিশ্বকাপের আগে পাকিস্তান দুটি টি-২০ সফরে গিয়েছিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারায় ১-০ এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে হারে ১-২। তারপরনিজেদের দেশে নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ থাকলেও নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সফরকারী দলগুলি দুটি সিরিজই না খেলেই বাতিল করে দেয়।
মিডল অর্ডার ও ডেথ বোলিংয়ে সমস্যা
বিশ্বকাপের আগে পাকিস্তানের কোথায় ঘাটতি তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন বাবর আজম। প্লেয়ারদের ধারাবাহিকতার অভাব চিন্তার একটা বড় কারণ তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। ফলে দলে প্লেয়ার এসেছে ও বাদ গেছে এবং সেই কারণে একটি সেট দল নিয়ে খেলা সম্ভব হয়নি এবং নতুন নতুন কম্বিনেশন খেলিয়ে যেতে হয়েছে। আজম বলেন, “আমরা মূলত দুটি জায়গায় স্ট্রাগল করছি, মিডল অর্ডার ও ডেথ বোলিং এবং এটা অনেক দিন ধরে চলছে। কে কোথায় ভালো করবে সেটা বোঝার জন্য আমরা নতুন কম্বিনেশন খেলিয়েছি, কিন্তু প্রস্ত্যাশিত ফল পাইনি।”
এই একই প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেছেন, “যাকে নির্বাচন করা হচ্ছে সে যে ভালো খেলবেই এমন কোন নিশ্চয়তা নেই। খেলায় ওঠাপড়া লেগেই থাকে। তবে নতুনদের সুযোগ দিয়ে তো দেখতেই হবে। ধারাবাহিকভাবে নতুনদের পারফর্ম করতে হবে, নয়তো অচিরেই তাদের জায়গা হবে রিজার্ভ বেঞ্চে।”
প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত স্কোয়াডে পাকিস্তান সম্প্রতি বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে। দলে ফেরানো হয়েছে হায়দার আলি, ফাখার জামান, সরফারাজ আহমেদ ও শোয়েব মালিককে।