বাংলা

টুইটার রিঅ্যাকশনঃ মইন আলি, টিমাল মিলস, জেসন রয়ের দাপটে কুপোকাত বাংলাদেশ

চেষ্টাহীন সমর্পণের ফলে টাইগাররা টূর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের দোরগোড়ায়

Mahmudullah and Eoin Morgan
Mahmudullah and Eoin Morgan. (Photo by Gareth Copley-ICC/ICC via Getty Images)

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বিধ্বস্ত করার পর আরো একটি দৃঢ় পারফর্ম্যান্সের প্রদর্শন করল ইংল্যান্ড। বুধবার, ২৭ অক্টোবর, আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে ইয়ন মরগ্যানের নেতৃত্বাধীন দল বাংলাদেশকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে। এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট এবং ৩.৬১৪-এর বিশাল নেট রান রেট নিয়ে সেমি ফাইনালে যাওয়ার দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড। পর পর দুই ম্যাচ হেরে দুশ্চিন্তা বাড়ল টাইগারদের। 

ইংল্যান্ডের বোলাররা শুরু থেকেই উইকেট তুলে রান তোলার গতি রুদ্ধ করে দেয় বাংলাদেশের 

প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর পাওয়ারপ্লের ভিতরেই বাংলাদেশ তাদের টপ অর্ডারের তিন ব্যাটার লিটন দাস, মহম্মদ নাইম এবং সাকিব আল হাসানকে হারায়। তাঁদের মধ্যে কেউই  দুই অঙ্কের রানে পৌঁছতে পারেননি। মইন আলি বল হাতে আবারও ছাপ রেখেছেন। তিন ওভার বল করে ১৮ রান দিয়ে তাঁর সংগ্রহে দুটি উইকেট। মুশফিকুর রহিম এবং মাহমুদউল্লাহ জুটি ৩৭ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তুলে বাংলাদেশ ইনিংসকে পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করলেও নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকায় কুড়ি ওভারে ১২৪/৯-এর বেশি এগোতে পারেনি। 

টাইগারদের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেছেন মুশফিকুর তিনটি চারের সাহায্যে। আফিফ হোসেন ভুল বোঝাবুঝির ফলে রান আউট হন। মাহমুদউল্লাহ ১৯ রান করার পর লিভিংস্টোনের দ্বিতীয় শিকার হন। শেষ পর্যন্ত নাসুম আহমেদের ১৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস বাংলাদেশকে ৯ উইকেটে ১২৪ রানে নিয়ে যায়। তিন উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের সেরা বোলার টিমাল মিলস।

শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে রয় 

ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার জেসন রয় এবং জস বাটলার প্রথম ওভার থেকেই তাদের অভিপ্রায় দেখিয়ে দিয়েছিলেন। বাটলার একটি চার এবং একটি ছক্কা মেরে ১৮ রান করার পর বাঁ-হাতি নাসুম তাঁকে আউট করেন। বাটলার এবং রয়ের জুটি ২৯ বলে ৩৯ রান করে রান তাড়া করার একটি শক্তিশালী মঞ্চ তৈরী করেন।  

বাটলার আউট হওয়ার পর রয় ৩৩ বলে তাঁর হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন। শরিফুল ইসলাম তাঁকে আউট করার আগে ৩৮ বলে পাঁচটি চার ও তিনটি ছক্কায় ৬১ রান করেন। ডাউইড মালান আগের খেলায় ব্যাট করার সুযোগ পাননি, তবে টাইগারদের বিপক্ষে ৩ নম্বরে ব্যাট করতে নেমেছিলেন। তিনি ২৩ বলে ২৮ রানে তিনটি চারের সাহায্যে অপরাজিত থাকেন। ইংল্যান্ড ৩৫ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।

বাংলাদেশের এই করুণ আত্মসমর্পণ দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ তামিমের অভাবে সম্বন্ধে বিলাপ করেছেন, তো কেউ শাকিবকে ট্রল করেছেন। আবার ইংল্যান্ড সমর্থকরা তাদের দলের পারফর্ম্যান্স দেখে উচ্ছ্বাসে মাতোয়ারা। রইল তারই কিছু নজির।