ত্রাতার নাম আন্দ্রে ফ্লেচার, জয়ের সরণিতে ফিরল খুলনা টাইগার্স
থিসারা পেরেরার স্লোয়ার বলের কারসাজিতে চট্টগ্রাম আটকে গিয়েছিল মাত্র ১৪৩ রানে
আপডেট করা - Jan 28, 2022 6:11 pm

ঘরে ফিরেই ছন্দপতন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চট্টগ্রাম পর্বের প্রথম ম্যাচেই ৬ উইকেটের ব্যবধানে হারল খুলনা টাইগার্সের কাছে। খুলনার দুই বিদেশী জয়ের ব্যাপারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্দ্রে ফ্লেচার অর্ধশতক হাঁকানোর আগে শ্রীলঙ্কার থিসারা পেরেরা তিন উইকেট নিয়েছিলেন।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই কেনার লুইসকে হারায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। সেখান থেকে ইনিংসকে মজবুত লক্ষ্যের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল আফিফ হোসেন ধ্রুব ও উইল জ্যাকসের ৫৭ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি। জ্যাকস ২৩ বলে ২৮ রান করে আউট হওয়ার পর শক্তিশালী ভিত্তির উপর বড় স্কোর খাড়া করতে ব্যর্থ হয় চট্টগ্রামের মিডল অর্ডার।
ধারাবাহিকভাবে উইকেট পড়তে থাকে। কেবল নাইম ইসলাম ১৯ বলে ২৫ রানের উল্লেখযোগ্য অপরাজিত ইনিংস খেলেন। বেশ কিছু ম্যাচ পর রানে ফেরা আফিফ ৩৭ বলে ৪৪ রান করে ফারহাদ রেজার বলে আউট হন। তিনি তিনটি চার ও দুইটি ছক্কা হাঁকান। ভালো শুরুর পরেও ৯৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে চট্টগ্রাম। দশে নেমে শরিফুল ৬ বলে ১২ রানে নট আউট থাকেন। খুলনার সেরা বোলার থিসারা পেরেরা। তিনি চার ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে জ্যাকস, বেনি হাওয়েল ও শামিম হোসেনের উইকেট তোলেন।
আন্দ্রে ফ্লেচার যোগ্য সহায়তা পেয়েছেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের থেকে
খুলনা ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায়। করোনামুক্ত হয়ে বিপিএলে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা সৌম্য সরকার ৩ বলে ১ রান করে শরিফুল ইসলামের বলে ক্যাচ আউট হন। দ্বিতীয় উইকেটে ৫০ রানের জুটি গড়েন আন্দ্রে ফ্লেচার ও রনি তালুকদার। রনি ধীর গতিতে ১৮ বলে ১৭ রান করলেও ফ্লেচার আক্রমণাত্মক ছন্দে ব্যাট করতে থাকেন।
ক্যারিবিয়ান পাওয়ার-হিটারের ব্যাট থেকে ৪৭ বলে ৫৮ রানের ইনিংস আসে। তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল ৬টি চার ও ২টি ছক্কা দিয়ে। ম্যাচের সেরাও হয়েছেন তিনি। দলে ফেরা শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার সিক্কুগে প্রসন্ন ও মুশফিকুর রহিম দলকে লক্ষ্যের নিকট পৌঁছে দেন। ১ রান বাকি থাকা অবস্থায় ক্যাচ আউট হন প্রসন্ন। একটি চার ও দুটি ছক্কার সাহায্যে তিনি করেন ১৫ বলে ২৩ রান। খুলনার পক্ষে জয়সূচক রানটি আসে মুশফিকুরের ব্যাট থেকে। ৩০ বলে ৪৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক। তাঁর ইনিংসে ছিল চারটি চার ও একটি ছক্কা।