নাজমুল ইসলামের চার উইকেট ও আনামুল হক বিজয়ের ধৈর্যশীল ইনিংস সিলেট সানরাইজার্সকে প্রথম জয় এনে দিল

মাত্র ১০০ রানে গুটিয়ে যায় মিনিস্টার ঢাকা

Sylhet Sunrisers
Sylhet Sunrisers. (Photo by MUNIR UZ ZAMAN/AFP via Getty Images)

তারকাসমৃদ্ধ ব্যাটিং লাইন-আপ নিয়েও আরও একবার সেই ব্যাটিংই ডোবাল মিনিস্টার ঢাকাকে। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় স্কোরবোর্ডে পর্যাপ্ত রান তুলতে পারেনি ঢাকা। তবে অভিজ্ঞ বোলিং লাইন আপ নিয়ে লড়াইয়ের সুযোগ ছিল মিনিস্টার ঢাকার সামনে, তবে ১০১ রানের লক্ষ্য নিয়ে খুব বেশী লড়াই করা যেত না। সিলেট সানরাইজার্সের ব্যাটাররা ঢাকাকে ম্যাচে ফিরতেও দিলেন না। ৭ উইকেটে জিতে চলতি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) নিজেদের প্রথম জয় নথিভুক্ত করে মাঠ ছাড়ল সিলেট সানরাইজার্স।

১৭ ওভারে নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় মোসাদ্দেক হোসেনের নেতৃত্বাধীন দল। ছোট ও সহজ লক্ষ্য থাকায় বিশেষ চাপ ছাড়াই সিলেটের ব্যাটাররা ব্যাটিং করল। যদিও বড় শটের লোভ ছাড়তে পারলেন না ওয়েস্ট ইন্ডিজের অভিজ্ঞ ব্যাটার লেন্ডল সিমন্স। পাওয়ারপ্লেতেই রুবেল হোসেনের তালুবন্দি হয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরেন তিনি। ২১ বলে ১৬ রান করা এই ব্যাটারকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান ৪০২ দিন পর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে মাঠে নামা বর্ষীয়ান পেসার মাশরাফি বিন মোর্তাজা।

মোর্তাজার প্রত্যাবর্তনে দুই উইকেট

এনামুল হক বিজয় তাঁর ওপেনিং সঙ্গীকে হারালেও মহম্মদ মিঠুনকে সঙ্গে নিয়ে স্কোরবোর্ড সচল রাখেন । দুজনে মিলে দলীয় ৫০ রান পার করায় সিলেটকে। দলের ৫৯ রানের মাথায় মিঠুনকে আউট করেন হাসান মুরাদ। এরপর ক্রিজে নেমে বিজয়ের সঙ্গে জুটি গড়েন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার কলিন ইনগ্রাম।

এই জুটি মিলে জয়ের খুব কাছে নিয়ে যায় সিলেটকে। তবে জয় থেকে ২ রান দূরে থাকাকালীন ব্যক্তিগত ৪৫ রানে তামিম ইকবালের হাতে ক্যাচ দিয়ে বসেন আনামুল। এবারও উইকেটশিকারী সেই মোর্তাজা। জয়সূচক রানটি আসে ইনগ্রামের ব্যাট থেকে। ১৯ বলে ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন এই প্রোটিয়া। এক বছরেরও বেশী সময় পর মাঠে ফেরা মাশরাফির বোলিং পরিসংখ্যান ৪-০-২১-২।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ঢাকার ব্যাটারদের মধ্যে আসা-যাওয়ার মিছিল লেগে যায়। লড়াই করতে পেরেছেন শুধু মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও শুভাগত হোম। ৩৩ রানে ঢাকার অধিনায়ক আউট হন নাজমুল ইসলাম অপুর বলে। ২১ রান করা শুভাগতকেও লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন এই স্পিনার।

এই দুজন ছাড়া রুবেল হোসেন করেছেন ১২ রান। এছাড়া ৩০ বলে ১৫ রান আসে নাঈম শেখের ব্যাট থেকে। নাজমুল অপু ১৮ রানে নেন ৪ উইকেট, ২২ রানে ৩ উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ।

নাঈম শেখ ১৫ রান করেছেন ৩০ বলের মোকাবেলায়। সিলেটের পক্ষে নাজমুল ইসলাম অপু এদিন ক্যারিয়ার সেরা ফিগারের দেখা পান, ৪ উইকেট শিকার করেন মাত্র ১৮ রানের খরচায়। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ২২ রানের খরচায় তিনটি ও সোহাগ গাজী ১৭ রানের খরচায় দুটি উইকেট শিকার করেন।

close whatsapp