বিজয় হাজারে ট্রফিতে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স যুজবেন্দ্র চাহালের, উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে নিলেন ৬টি উইকেট

Yuzvendra Chahal
Yuzvendra Chahal. (Photo Source: CricTracker)

বিজয় হাজারে ট্রফিতে হরিয়ানা বনাম উত্তরাখণ্ডের ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং পারফরম্যান্সের প্রদর্শন করলেন যুজবেন্দ্র চাহাল। তিনি এই ম্যাচে ২০০টি লিস্ট-এ উইকেট নেওয়ার মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। এশিয়া কাপ ২০২৩ এবং ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এর জন্য ভারতীয় দলে জায়গা না পাওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজেও সুযোগ পাননি এই অভিজ্ঞ স্পিনার। তিনি তার প্ৰথম চার ওভারের মধ্যেই ৩টি উইকেট তুলে নেন। এরপর, অষ্টম ওভারে অখিল রাওয়াতকে আউট করার মাধ্যমে তিনি এই মাইলফলকটি স্পর্শ করেন।

এই ম্যাচে উত্তরাখণ্ড প্ৰথমে ব্যাটিং করতে নেমে স্কোরবোর্ডে ৪৭.৪ ওভারে ১০ উইকেটে মাত্র ২০৭ রান তুলতে সক্ষম হয়। যুজবেন্দ্র চাহাল ১০ ওভারে মাত্র ২৬ রান দেন এবং এর বিনিময়ে ৬টি উইকেট তুলে নেন। তিনি অখিল রাওয়াত সহ জীবনজোত সিং, দীক্ষাংশু নেগি, স্বপ্নিল সিং, আদিত্য তারে এবং মায়াঙ্ক মিশ্রকে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান।

এই ম্যাচে উত্তরাখণ্ডের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন আদিত্য তারে। তিনি ৬৮ বলে ৬৫ রানের একটি দারুণ ইনিংস খেলেন। তিনি এই ইনিংসে ৯টি চার এবং ১টি ছয় মারেন। কুনাল চান্ডেলা ৫টি চার সহ ৬১ বলে ৪৭ রানের একটি সুন্দর ইনিংস খেলেন। সুমিত কুমার এবং রাহুল তেওয়াতিয়া যথাক্রমে ৭ ওভারে ৩১ রান এবং ৭.৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ২টি করে উইকেট শিকার করেন। সুমিত কুমার কুনাল চান্ডেলা এবং প্রিয়াংশু খান্ডুরির উইকেট নিতে সক্ষম হন। অন্যদিকে, রাহুল তেওয়াতিয়া আকাশ মাধওয়াল এবং দীপক ধাপোলাকে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান।

“আমার একটু খারাপ লাগছে, কিন্তু আমার জীবনের উদ্দেশ্য হল এগিয়ে যাওয়া” – যুজবেন্দ্র চাহাল

আগস্ট মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের পর যুজবেন্দ্র চাহালকে আর ভারতীয় উপমহাদেশের জার্সি গায়ে দেখা যায়নি। সম্প্রতি, একটি সাক্ষাৎকারে ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩ থেকে তার বাদ যাওয়ার ব্যাপারে মুখ খুলেছিলেন ৩৩ বছর বয়সী এই স্পিনার।

উইজডেন ইন্ডিয়াকে যুজবেন্দ্র চাহাল বলেন, “আমি বুঝতে পারছি যে শুধুমাত্র ১৫ জন খেলোয়াড় অংশ হতে পারেন কারণ এটি একটি বিশ্বকাপ, যেখানে আপনি ১৭ বা ১৮ জনকে নিতে পারবেন না। আমার একটু খারাপ লাগছে, কিন্তু আমার জীবনের উদ্দেশ্য হল এগিয়ে যাওয়া। আমি এখন এতে অভ্যস্ত, এটি তিনটি বিশ্বকাপে হয়ে গেছে (হেসে)। তাই আমি এখানে (কেন্টে) খেলতে এসেছি কারণ আমি কোথাও না কোথাও ক্রিকেট খেলতে চাই।”