অ্যান্ড্রু বালবার্নির দুর্ধর্ষ ব্যাটিং এবং বোলারদের দাপটে ব্রিটিশদের হারিয়ে রেকর্ড আয়ারল্যান্ডের

Ireland Win
Ireland Win. ( Image source: Twitter/ICC )

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জয় দিয়ে যাচ্কাা সুরু করলেও শেষরক্ষা করতে পারল না ইংল্যান্ড। মেলবোর্নে ডাক ওয়ার্থ লুইস নিয়মে অন্যতম চির প্রতিদ্বন্ধী ইংল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারাল আয়ারল্যান্ড। সেইসঙ্গেই এবারের সুপার টুয়েলভে প্রথম ম্যাচে জয় তুলে নিল আইরিশ বাহিনী। অ্যাড্রু বালবির্নির দুর্ধর্, ইনিংসটেই এদিন ব্রিটিশদের সমস্ত স্বপ্ন শেষ হয়ে গিয়েছে। সেইসঙ্গে পরের রাউন্ডে পৌঁছনোর রাস্তাটাই এনেতটা তঠিন করে ফেলল ইংল্যান্ড। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ড যেন এওখন জায়ান্ট কিলার।

বিশ্বকাপের মঞ্চে বারবারই ইংল্ান্ডকে তঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে আার্লযান্ড। ২০১১ াসলে এই আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেই বড় রান করেও জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। আর সেই ম্যাচের ফলাফলই সেবারের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ভগ্য লিখে দিয়েছিল। এবারও সেই ঘটনারই যেন  পূণরাবৃ্ত্তি। সেবার ম্যাচ ড্র হয়েছিল। এবার ডাক ওয়ার্ত লুইস নিয়মে আয়ারল্যন্ডের কাছে ইংল্যান্ড হেরে গেল। পরের ম্যাচে অএস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডকেই জিততেই হবে।

৬২ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরা হয়েছেন অ্যান্ড্রু বালবার্নি

মেবোর্নের মাঠে এর আগে কখনোই জিততে পাপেনি আয়ারল্যান্ড। ধারেভারে এগিয়েই টিল ব্রিটিশরা। কিন্তু সেই মাঠেই তৈরি হল আইরিশ ক্রিকেটের ইতিহাস। ইংল্যান্ডকে ৫ রানে হারিয়ে প্রথমবার মেলবোর্নে জয় তুলে নেিেয়েছে আইরিশ বাহিনী। সেইসঙ্গে প্রথমে ব্যাটিং করে অ্যান্ড্রু বালবির্নির অর্ধশতরানের একটা দুর্ধর্ষ ইনিংস। আর তাতেই যে আইপিশদের জয়ের রাস্তাটা পাকা হয়ে গিয়েছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেইসঙ্গে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আইরিশ বোলারদের পারফরম্যান্সও এদিন ছিল অএসাধারণ।

টস জিতে এদিন প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ব্রিটিশ অধিনায়ক জস বাটলার। টি টোয়েন্টির চেনা রীতিটা ভাঙতে চাননি তিনি। শুরুতেই এদিন আয়ারল্যান্জের ওপেনার পল স্টার্লিংকে ফিরিয়েও দিয়েছিল তারা। ২১ রানের মাথায় ১ উইকেটে হারিয়েছিল আয়ারল্যান্ড। সেখান থেকেই ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ৮০ রানের একটা অসাধারণ পার্টনারশিপ গড়ে তুলেছিলেন অ্যান্জুর বালবির্নি এবং লর্কান টাকার। আর সেটাই যেন জয়ের ভিতটা রপাকা করে দিয়েছিল আয়ারল্যান্ডের। এদিন ৬৪ রানের দুরন্ত ইনিংস কেলেন অ্যান্ড্রু বালবার্নি। তাঁর গোটা ইনিংসে রয়েছে ৫টি চার ও ২টো ওভার বাউন্ডারি।

১৫৭ রানেই শেষ হয় এদিন আয়ারল্যান্ড। টি টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্যটা খুব একটা বড় ছিল না। কিন্তু আয়ার্লযান্ডের বোলিংয়ের সামনে এঁটে উঠতে পারেনি ব্রিটিশ টপ অর্ডার। জস বাটলার, অ্যালেক্স হেলস থেকে বেন স্টোকস এদিন কেউই ১০ রানের গন্টী টপকাতে পারেনি।  পাওয়ার প্লের মধ্যেই এদিন ৪ উইকেট হারিয়ে রীতিমত চাপে পড়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোকর চেষ্টা করলেও, হঠাত্ বৃষ্টি সবকিছু ভেস্তে দেয়। ৮৬ রানে যখন ইংল্যান্ডের ৫ উইকেট, সেই ময়ই খেলা বন্ধ হয়।

এরপর আর ম্যাচ সুরু করা যায়নি। ডাক ওয়ার্থ লুইস নিয়মে ইংল্যান্ডকে ৫ রানে হারিয়ে সুপার টুয়েলভে প্রথম ম্যাচ জিতে নেয় আয়ারল্যান্ড।

close whatsapp