টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে কোন দলকেই এগিয়ে রাখছেন না ভিভিএস লক্ষ্মণ
আঙুলে চোট পেয়ে ফাইনালে নেই ডেভন কনওয়ে
আপডেট করা - Nov 13, 2021 2:50 pm

প্রাক্তন ভারতীয় ব্যাটার ভিভিএস লক্ষ্মণ মনে করেন যে ডেভন কনওয়ের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও, ফাইনাল জেতার ব্যাপারে নিউজিল্যান্ড কোন অংশেই অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে পিছিয়ে নেই। প্রত্যাশা ছিল ইংল্যান্ড-পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে যাবে, কিন্তু সেই প্রত্যাশার বিপরীতে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড মেগা ইভেন্টের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। ফাইনাল আগামীকাল ১৪ই নভেম্বর।
নিউজিল্যান্ডকে হালকাভাবে নিলেই বিপদ – ভিভিএস লক্ষ্মণ
লক্ষ্মণ বলেছেন যে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড দুটি দলেরই এখনো অবধি অভিযান কতকটা একই রকম হয়েছে, ফলে তাদের মধ্যে থেকে একুটি দলকে বেছে নেওয়া সমস্যার। নকআউটে পৌঁছনোর আগে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড উভয় দলই একটি করে ম্যাচ হেরেছে এবং চারটি জিতেছে।
“দুই ফাইনালিস্টের মধ্যে আলাদা করার মতো পার্থক্য খুব কমই আছে। ডেভন কনওয়ের চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়া কিছুটা এগিয়ে আছে। তবে ইতিহাস সাক্ষ্য দেবে, নিউজিল্যান্ডকে এমন একটি দল যাকে হালকাভাবে নিলে নিজেদেরই বিপদ,” লক্ষ্মণ শনিবার টাইমস অফ ইন্ডিয়ার জন্য তাঁর কলামে লিখেছেন।
এমনকি নিজেদের সেমিফাইনাল দুটিও তারা প্রায় একইভাবে জিতেছে। টস জিতে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়ে দুটি দলই এক ওভার বাকি থাকতে পাঁচ উইকেটে লক্ষ্যে পৌঁছেছে। যেখানে কিউয়িদের জয়ের পিছনে অবদান ড্যারিল মিচেলের ধৈর্যশীল ইনিংস ও জেমস নিশ্যামের সংক্ষিপ্ত ঝোড়ো ইনিংস, সেখানে অজিদের হয়ে ভূমিকা রেখেছেন মার্কাস স্টোইনিস ও ম্যাথিউ ওয়েড।
“দুটি শেষ চারের সংঘর্ষ যেভাবে খেলা হয়েছিল তার মধ্যে যথেষ্ট মিল ছিল। প্রথমে কেন উইলিয়ামসন এবং তারপর অ্যারন ফিঞ্চ টস জেতেন। এই টুর্নামেন্টে দেখা গেছে রান তাড়া করা দলগুলি অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছে,” লক্ষ্মণ বলেছিলেন।
“তবে, টস গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি সাফল্যের নিশ্চয়তা দেয় না। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভালো খেললেই যে জয় নিশ্চিত, এমনও নয়। দশটির মধ্যে নয়বার, ইংল্যান্ড জিততে পারত। টার্নিং পয়েন্ট আসে ক্রিস জর্ডানের করা ১৭তম ওভারে, যখন নিশ্যাম দুটি ছক্কা মেরেছিলেন। ওখান থেকেই কিউয়িদের দিকে পাল্লা ভারী হয় যায়,” ভিভিএস লক্ষ্মণ বলেছেন।
“ডেভিড ওয়ার্নারের ইনিংস সত্ত্বেও, তারা (পাকিস্তান) শাদাব খানের চার উইকেটের সৌজন্যে এগিয়েছিল। মার্কাস স্টোইনিস ও ম্যাথিউ ওয়েড প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জিতিয়ে আনলেও এটা ছিল সেমিফাইনাল। তাই কাজটি আরও শক্ত ছিল। হাসান আলি ওয়েডের ক্যাচ না ছাড়লে কী ঘটত তা নিয়ে এখন বলে কোনো লাভ নেই,” লক্ষ্মণ যোগ করেছেন।
“ওই জীবন দানটি অস্ট্রেলিয়ার দিকে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয়, যেখান থেকে পরের তিনটি ডেলিভারির প্রতিটিতে ছক্কা মেরে ম্যাচটি শেষ করেন ওয়েড,” তিনি শেষে বলেছেন।