ঈশান কিষাণের ২১০ এবং বিরাটের ১১৩, বাংলাদেশকে উড়িয়ে শেষম্যাচে বড় জয় ভারতের

India Beat Bangladesh
India Beat Bangladesh. ( Image Source: Twitter )

বিরাট কোহলি ও ঈশান কিষাণের ২৯৫ রানের পার্টনারশিপে রানমের পাহাড়ের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ল বাংলাদেশ। সিরিজ হারলেও শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিরাট রানের ব্যবধানে জিতে হোয়াইট ওয়াশ এড়াতে পারল টিম ইন্ডিয়া। সেইসহ্গেই বাংলাদশের বিরুদ্ধে একাধিক রেকর্ডের মালিকও এদি হলেন বিরাট কোহলি ঈশান কিষাণ। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ২২৭ রানে জিতল টিম ইন্ডিয়া। প্রথম দুই ম্যাচে না বিরাটের ব্যাটে এদিন এল সেঞ্চুরী। কেরিয়ারের প্রথম দ্বিশতরানের ইনিংস ঈশান কিষাণেরও।

প্রথম দুই ম্যাচ হেরে গিয়ে সিরিজ আগেই হাতছাড়া হয়েছে ভারতীয় দলের। দুই ম্যাচেই ভারতীয় দলের ব্যাটাররা যে খুব একটা ভাল পারকফরম্যান্স করতে তেমনটাও নয়। তাদের পারফরকম্যান্স নিয়ে নানান সমালোচনা শুরু হয়েছিল। শুধু তাই নয় এই সিরিজে ঈশান কিষাণকে না খেলানো নিয়েও চলছিল নানান আসোচনা। রোহিত শর্মার অনুপস্থিতিতে এদিনই সিরিজে প্রথমবার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল ঈশান কিষাণকে। আর সেই সুযোগ কাজে লাগাতে এতটুকুও ভুল করেননি এই তরুণ ক্রিকেটার।

২১০ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরা হয়েছেন ঈশান কিষাণ

টস জিতে এদিন বাংলাদেশের অধিনা.কর লিটন দাস প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বাংলাদেশ শিবিরে এদিন তাসকিন আহমেদও ছিলেন। যদিও  ওপেনিংয়ে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছিলেন এদিন শিখর ধওয়ান।  মাত্র ৩ রানেই সাজঘরে ফিরেছিলেন তিনি। যদিও ভারতীয় দলের বড় রান পেতে খুব একটা বেশী অসুবিধা হয়নি। সেই থেকেই মাঠে শুরু হয় বিরাট কোহলি ও ঈশান কিষাণের দাপুটে পারফর্ম্যান্স। বাংলাদেশের বোলারদের বিরুদ্ধে এদিন বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন ঈশান কিষাণ। তাঁর ব্যাটে ছিল শুধুই চার ও ছয়ের বন্যা।

১৩১ বলে ২১০ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। আর সেই ইনিংসের সৌজন্যেই যে ভারকতীয় দলের জয়ের রাস্তাটা কার্যত পাকা হয়ে গিয়েছিল তা স্পষ্ট। সেইসঙ্গে একেবারে যোগ্য সঙ্গত বিরাট কোহলিরও। ঈশান কিষাণকে বড় রানের দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেন তিনিই। ঈশান কিষাণ ২১০ রানে থামলে, এরপর বারতের রান এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ সুরু করেন বিরাট কোহলি। কেরিয়ারের ৭২ তম সেঞ্চুরীটা এদিন আসে বিরাট কোহলির ব্যাটে।

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে  ৪০৯ রানে পৌঁছয় ভারত। ম্যাচের ভবিষ্যত যে সেই সময়ই নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল তাও বলার অপেক্ষা রাখে না। এরপর বাকিটা ছিল ভারতীয় বোলারদের ওপর। শার্দূল ঠাকুর, মহম্মদ সিরাজরা ছিলেন এদিন দুর্ধর্ষ ফর্মে।  এদিন বল হাতে একাই তিন উইকেট তুলে নিয়েছেন শার্দূল ঠাকুর। পাঁচ ওবারে রান দিয়েছেন মাত্র ৩০। একইসঙ্গে দুটো করে উইকেট তুলে নিেয়েছিলেন অক্ষর পটেল এবং উমরান মালিকরা।

close whatsapp