মেহিদী হাসানের জোড়া ক্যাচ মিস করে ম্যাচ হাতছাড়া ভারতের, ১ উইকেটে জয়ী বাংলাদেশ

Bangladesh Beat India
Bangladesh Beat India. ( Image Source: Twitter )

লোকেশ রাহুল ও ওয়াশিংটন সুন্দরের পরপর দুটো ক্যাচ মিস। আর তাতেই বোলারদের সমস্ত লড়াইটা শেষ। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেওএ শেষরক্ষা হল না টিম ইন্ডিয়ার। ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচে ১ উইকেটে ভারতকে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। বল হাতে পাঁচ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের কাজটা অনেকটাই সহজ করে দিয়ে এসেছিলেন সাকিব আল হাসান। ভারতীয় বোলাররা অবশ্য এদিন লড়াই করেছিল ঠিকই, কিন্তু দুটো ক্যাচ মিসই ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিয়েছিল। শেষ মুহূর্তে মেহেদী হাসানের ইনিংসে ভর করেই ভারতকে হারিয়ে ম্যাচ জয় বাংলাদেশের। সিরিজে বাংলাদেশ এগিয়ে ১-০-এ।

মিরপুরের পিচ এদিন প্রথম থেকেই বোলারদের পক্ষে ছিল। লোকেশ রাহুলেকে বাদ দিেলে এদিন ভারতীয় দলের কোনও ব্যাটারই বাংলাদেশের বিরুদেধে বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারেনি। সাকিব আল হাসান ও ইবাদত হোসেনের হাত ধরে ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপে এদিন ধস নামিয়েছিল বাংলাদেশ।  ২০০ রানের গন্ীও টপকাতে পারেনি এদিন ভারতীয় দল। যদিও ভারতীয় বোলাররাও পাল্টা লড়াইটা ভালই দিয়েছিলেন। মিরপুরে শেষপর্যন্ত লড়াই করে একাহাতেই ভারতকে ম্যাচ হারিয়ে দিলেন মেহেদী হাসান।

পাঁচ উইকেট নিয়ে ম্যাচের নায়ক সাকিব আল হাসান

টস জিতে এদিন প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। শুরু থেকেই ভারতী দলকে কম রানের মদ্যে বেঁধে ফেলার একটা ছক ছিল তাদের। আরপ সাকিব আল হাসান ও ইবাদত হোসেনের হাত ধরে সেই পথেই এগিয়ে গিয়েছিল ভারতীয় দল। শুরতকেই বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার মতো তারকা ব্যাটারকে সাজঘরের রাস্তা দেখিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। মাঝে ইবাদত হোসেনও ভারতীয় লাইনআপে ধাক্কা দেন। লোকেশ রাহুল এদিন ক্রিজ্ে টিকতে না পারলে ভারতীয় দল হয়ত ১৫০ রানের গন়্ীও টপকাতে পারত না।


https://twitter.com/CricGalRoshmi/status/1599401759582998531


https://twitter.com/i_Abhishek4BJP/status/1599402143584518151

৩৬ রান দিয়ে এদিন একাই পাঁচ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। ভারতের হয়ে এদিন একমাত্র অর্ধশতরানের ইনিংস খেলেছিলেন লোকেশ রাহুল। আর তাতেই ভর করে শেষপর্যন্ত ১৮৬ রানে পৌঁছতে পেরেছিল। ঘরের মাঠে বাংলাদেশের সামনে যে এই লক্ষ্যটা খুব একটা কঠিন ছিল না তা সেই সময় স্পষ্ট। জিততে হলে সেই সময় ভারতীয় দলের একটা দুর্ধর্ষ বোলিং পারফর্ম্যান্সের প্রয়োজন ছিল। ওয়াশিংটন সুন্দর, শার্দূল ঠাকুরদের হাত ধরে সেই কাজটা করেও ফেলেছিল ভারতীয় দল। কিন্তু শেষরক্ষাটা করতে পারেনি তারা।

শুরুটা হয়েছিল দীপক চাহারের হাত দিয়ে। এরপরই শুধুই মাঠে ছিল ওয়াশিংটন সুন্দর, শার্দূল ঠাকুর ও মহম্মদ সিরাজের দাপট। এদিন একাই তিন উইকেট তুলে নিেয়েছিলেন মহম্মদ সিরাজ।  সাকিব আল হাসানকে ফিরিয়ে এদিন ভারতকে প্রথমে এগিয়ে দেন ওয়াশিংটন সুন্দর। এরপরই শার্দূলের শিকার মাহমুদুল্লাহ এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই মুশফিকুর রহিমকে সাজঘরে ফিরিয়ে দেন মহম্মদ সিরাজ। লিটন দাস চেষ্টা করলেও এদিন তাঁকে ৪১ রানে থামিয়ে দেন সেই ওয়াশিংটন সুন্দরই। একটা সময় ম্যাচের রাশ ছিল ভারতীয় দলের হাতেই। মেহেদী ক্রিজে থাকলেও ভারতের পক্ষেই ছিল গোটা ম্যাচ।

কিন্তু সেখানেই পরপর দু বলে মেহেদী হাসানের জোড়া ক্যাচ মিস। এরকপর আর মেহেদী হাসান কোনও ভুল করেননি। মুস্তাফিজুরের সঙ্গে ৫০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ভারতকে প্রথম ম্যাচে হারিয়ে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

close whatsapp