শুভমনের অর্ধশতরান এবং শেষ মুহূর্তে রশিদ-তেওয়াটিয়া জুটির সৌজন্যে জয় দিয়ে শুরু গুজরাতের

Gujrat Titans Win
Gujrat Titans Win. ( Photo Source: IPL / Twitter )

শুভমন গিলের অর্ধশতরানটা রাস্তাটা তৈরিই করে দিয়েছিল। যদিও চেন্নাই সুপার কিংস শেষপর্যন্ত একটা চাপ রাখার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেনি। আবারও সেই রশিদ খান এবং রাহুল তেওয়াটিয়া  বাধাতেই আটকে গেল চেন্নাই সুপার কিংস। রুতুরাজের লড়াই ব্যর্থ করে শেষ মুহূর্তে রশিদ খান এবং রাহুল তেওয়াটিয়ার বিধ্বংসী ব্যাটিং আইপিএলের মঞ্চে প্রথম জয় এনে দিল গুজরাত টাইটান্সকে। ৫ উইকেটে ম্যাচ জিতে নিল গুজরাত টাইটান্স। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে তিনে তিন করল গুজরাত টাইটান্স।

টস জিতে এদিমন প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন গুজরাত টাইটান্সের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। প্রথম থেকেই লক্ষ্য চিল চেন্নাই সুপার কিংসকে কম রানের মধ্যে শেষ করে দেওয়া। শুরুটা মহম্মদ সামির হাত ধরে বেশ ভালভা্বে করেওছিল গুজরাত টাইটান্স।  কিন্তু প্রথম ম্যাচেই ব্যাট হাতে দুর্ধর্ষ ফর্মে ছিলেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়।কার্যত তাঁর রানের জড়েই এদিন গুজরাত জায়ান্টসের পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছিলেন এই তরুণ তারকা ক্রিকেটার। তাঁর ৯২ রানের ইনিংসে ভর করেই চাপের মুহূর্ত থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারে চেন্নাই সুপার কিংস।

চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে আইপিএলে তিনে তিন গুজরাত টাইটান্সের

রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের সঙ্গে এদিন কেউ যদি  সঙ্গত দিতে পারতেন তবে চেন্নাই সুপার কিংসের রান যদি ২০০-ও পেড়িয়ে যেত তবে হয়ত খুব একটা অবাক হওয়ার মতো কিছুই থাকত ন। কিন্তু তা হয়নি। মোঈন আলি ছাড়া কোনও ব্যাটারই এদিন বেশীক্ষণ রুতুরাজ গায়কোয়াড়কে সঙ্গ দিতে পারেননি। যদিও শেষপর্যন্ত রানের গতি বজায় রেখেছিলেন এই তরুণ তারকা ক্রিকেটার। ৫০ বলে ৯২ রানের ইনিংস খেলেই এদিন সাজঘরে ফেরেন তিনি। সেই সময় চেন্নাই সুপার কিংসের রান ৫ উইকেটে ১৫১। অপেক্ষা ছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির মাঠে নামার।


https://twitter.com/Khush_Thakkar12/status/1641865299745202176

যদিও বিশেষ কিছু করতে পারেননি মহেন্দ্র সিং ধোনি। ৭ বলে ১৪ রান করে শেষপর্যন্ত অপরকাজিত থেকেই মাঠ ছেড়েছিলেন তিনি। চেন্নাই সুপার কিংস থেমেছিল ১৭৮ রানে। লক্ষ্যটা লড়াই করার মতো হলেও, গুজরাত টাইটান্সও এদিন ছিল হার না মানা মনোভাব নিয়ে। ব্যাট হাতে শুরু থেকেই সেজন্য আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন ঋদ্ধিমান সাহা। পাওয়ার প্লে-তেই বড় রানের লক্ষ্য ছিল তাদের। ঋদ্ধিমান সাহা যখন ২৫ রানে আউট হন, সেই সময় ৩.৫ ওভারে গুজরাত টাইটান্সের রান ৩১।

২ উইকেট নিয়ে এবং ৩ বলে ১০ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরা রশিদ খান

সেই জায়গা থেকেই লড়াইটা জারি রেখেছিলেন শুভমন গিল। কার্যত তাঁর দক্ষহাতে ভর করেই এদিন জয়ের রাস্তাটা পাকা করে ফেলেছিল গুজরাত টাইটান্স। এবারের আইপিএলে গুজরাতের হয়ে প্রথম অর্ধশতরানটা করেন তিনিই। শুভমন গিলের ৩৬ েবলে ৬৩ রানের ইনিংস জুড়ে রয়েছে ৬টি বাউন্ডারি এবং ৩টি ওভার বাউন্ডারি। তিনি সাজঘরে ফিরলেও, সেই সময় গুজরাতের জয়টা কার্যত পাকা ছিল।

প্রতিপক্ষ অধিনায়কের নাম যখন মহেন্দর সিং ধোনি, সেই সময় অসম্ভবও সম্ভব হতে পারে।  এদিনও কিন্তু শেষের দিকে তেমনই চাপ বাড়াতে সুরু করেছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তাঁর ক্ষুরধার বুদ্ধিতেই বিজয় শঙ্করের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েওছিল গুজরাত টাইটান্স।  কিন্তু আবারও সেই রাহুল তেওয়টিয়াও ও রশিদ খান জুটিই শেষে বাজিমাত করে দিলেন। তাদের আক্রমণাত্মক পারফর্ম্যান্সেই ৫ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে নিল গুজরাত টাইটান্স। রশিদ খানের রান ৩ বলে ১০ এবং তেওয়াটিয়া অপরাজিত ১৪ বলে ১৫ রানে।

close whatsapp