অনভিজ্ঞ সতীর্থদের আস্থা অর্জন করাই মূল লক্ষ্য অধিনায়ক হার্দিকের

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ শুরু হচ্ছে ৩রা জানুয়ারি মুম্বাইতে

Hardik Pandya
Hardik Pandya. (Photo Source: Instagram)

৩রা জানুয়ারি মঙ্গলবার মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টির আগে স্কোয়াডের তরুণ খেলোয়াড়দের পুরোপুরি সমর্থন করার আশ্বাস দিয়েছেন ভারতের অস্থায়ী ক্যাপ্টেন হার্দিক পান্ডিয়া। তিনি চান নবাগতরা যেন তাঁদের প্রতিভা প্রমাণ করার উপযুক্ত সুযোগ পান।

রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি এবং কেএল রাহুলের মতো সিনিয়ররা শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডের অংশ না থাকায় নির্বাচকরা এবং টিম ম্যানেজমেন্ট ২০২৪-এর আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথা ভেবে একটি তরুণ ব্রিগেডকে মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আমার পক্ষ থেকে সমস্ত খেলোয়াড়দের জন্য সমর্থন রয়েছে: অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া

“আমরা যা লক্ষ্য করেছি এবং ছেলেদের বলেছি তা হল যে মাঠে নামো এবং [নিজেকে] প্রকাশ করো, যা তারা করবে। এবং এটি আমাদের উপর নির্ভর করে যে আমরা কীভাবে তাদের সমর্থন করব,” প্রথম টি-টোয়েন্টির আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় হার্দিক পান্ডিয়া ইএসপিএনক্রিকইনফো দ্বারা উদ্ধৃত হয়েছেন।

“আমরা যা বলেছি তা হল আমরা তাদের সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করব। আমার পক্ষ থেকে সমস্ত খেলোয়াড়দের জন্য সমর্থন রয়েছে। এখানে যারা আছেন তারাই দেশের সেরা ক্রিকেটার এবং সেই এই কারণেই তারা এখানে আছে। তাদেরকে এই কথাটা বিশ্বাস করাতে হবে আমাকে,” তিনি যোগ করেছেন।

“আমার জন্য, এটা গুরুত্বপূর্ণ যে আমি কীভাবে তাদের অনুভব করাতে পারি যে তারা নিজেরা সেরা। এবং যদি আমি সেই কাজটি করতে পারি, এবং তাদের মধ্যে সেই আস্থা অর্জন করতে পারি, তা হলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাদের কোনো সমস্যা হবে বলে আমি মনে করি না। আমি মনে করি তারা উন্নতি করবে এবং সামনে আশ্চর্যজনক কেরিয়ার থাকবে,” আরও যোগ করেছেন তারকা অলরাউন্ডার।

গত মাসে বাংলাদেশ সফরে বুড়ো আঙুলে চোট পাওয়া রোহিত এখনও পুরোপুরি সেরে উঠতে পারেননি এবং বিরাটকেও বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। বিয়ের কারণে ছুটি পেয়েছেন কেএল রাহুল। এদিকে, গত বছরের সেপ্টেম্বরে তাদের এশিয়া কাপের সুপার ফোর পর্বে মুখোমুখি হওয়ার পর এটিই হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। লঙ্কান লায়ন্স সেই ম্যাচে মেন ইন ব্লুকে ছয় উইকেটে পরাজিত করেছিল এবং শেষ অবধি দাসুন শানাকার নেতৃত্বাধীন দল মহাদেশীয় টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

close whatsapp