টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২২-এর জন্য স্কোয়াড ঘোষণা করল শ্রীলঙ্কা, দলে ফিরলেন দুষ্মান্থা চামিরা
লাহিরু কুমারা ও চামিরার সুযোগ পাওয়া তাঁদের ফিটনেসের উপর নির্ভর করবে
আপডেট করা - Sep 16, 2022 5:40 pm

এশিয়া কাপ ২০২২ চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা অস্ট্রেলিয়ায় আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপ অভিযানের জন্য তাদের ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। মহাদেশীয় টুর্নামেন্টে না খেলা দুষ্মান্থা চামিরা ও লাহিরু কুমারাকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন দ্বীপরাষ্ট্রের নির্বাচকরা। চোটের কারণে উভয় খেলোয়াড় সদ্য সমাপ্ত মহাদেশীয় টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারেননি।
এশিয়া কাপের ১৫তম আসরে দাসুন শানাকার দল আন্ডারডগ হিসেবে গিয়েছিল এবং আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে বিব্রতকর পরাজয়ের পর তাদের অভিযান প্রায় শেষ হওয়ার মুখে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু লঙ্কান দল সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে অনবদ্য পারফর্ম করে টানা পাঁচটি ম্যাচ জিতে স্মরণীয় এশিয়া কাপ শিরোপা নিশ্চিত করেছিল। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগের ফেভারিট ভারত ও পাকিস্তান, উভয় দলকেই তারা হারিয়েছিল।
খারাপ ফর্ম সত্ত্বেও স্কোয়াডে আছেন দানুষ্কা গুণাথিলাকা
চোট পুরোপুরি না সারা সত্ত্বেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াডে দুষ্মান্থা চামিরা ও লাহিরু কুমারাকে নিয়ে ফাটকা খেলেছেন নির্বাচকরা। খেলার সংক্ষিপ্ততম ফর্ম্যাটে চামিরা তাদের প্রধান ফাস্ট বোলারদের একজন এবং অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে তিনি দলের হয়ে উপযোগী অবদা রাখতে পারেন। তাঁর প্রত্যাবর্তন ২০১৪ টি-২০ বিশ্বকাপজয়ীদের অনভিজ্ঞ পেস বোলিং বিভাগে ভরসা যোগাবে।
এদিকে, এশিয়া কাপে প্রথম দিকের ম্যাচে খেলা মাথিশা পাথিরানা ও আসিথা ফার্নান্ডো এই স্কোয়াডে জায়গা পাননি। দানুষ্কা গুণাথিলাকা ধারাবাহিকভাবে রান পেতে ব্যর্থ হলেও নির্বাচিত হয়েছেন। গুণাথিলাকা ২০২২-এ ১৫টি টি-২০ ইনিংসে ১৭৩ রান করেছেন ১১৭.৬৮ স্ট্রাইক রেট ও ১১.৫৩ গড়ে, সর্বোচ্চ স্কোর ৩৮।
টি-২০ বিশ্বকাপের মূলপর্বে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। তাদের যোগ্যতা অর্জনকারী রাউন্ডে নামিবিয়া, নেদারল্যান্ডস ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মোকাবিলা করতে হবে। অস্ট্রেলিয়ার মাঠে টি-২০তে তাদের রেকর্ড ভালো নয়। ২০২২-এর ফেব্রুয়ারিতে শ্রীলঙ্কা যখন শেষবার অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিল তখন ১-৪ ব্যবধানে পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজ হারে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২২-এ শ্রীলঙ্কা স্কোয়াড: দাসুন শানাকা (অধিনায়ক), দানুষ্কা গুণাথিলাকা,পাথুম নিসাঙ্কা, কুসাল মেন্ডিস, চারিথ আসালাঙ্কা, ভানুকা রাজাপাকসা, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, ওয়ানিন্দু হাসরাঙ্গা, মাহীষ থিকশানা, জেফ্রি ভ্যান্ডারসে, চামিকা কারুণারাত্নে, দুষ্মান্থা চামিরা (ফিটনেস ফিরে পেলে), লাহিরু কুমারা (ফিটনেস ফিরে পেলে), দিলশান মাদুশাঙ্কা, প্রমোদ মাদুশান।