পান্তের সতর্কতায় বাঁচল কোহলির সম্মান, নিলেন অসামান্য একটি ক্যাচ

সেই ক্যাচের ফলে নাজমুল হোসেন শান্ত ড্রেসিং রুমে ফেরেন ৬৭ রান করে

Virat Kohli and Rishabh Pant
Virat Kohli and Rishabh Pant. (Photo Source: Twitter)

ভারতীয় দল শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের ওপেনিং জুটির প্রতিরোধ শেষ করতে সক্ষম হ‍য়েছিল ঋষভ পান্তের অসাধারণ প্রতিবর্তী ক্রিয়ার সৌজন্যে। ফার্স্ট স্লিপে ফিল্ডিং করা বিরাট কোহলির হা্ত থেকে যখন নাজমুল হোসেন শান্তর ক্যাচটি ছিটকে বেরিয়ে যাচ্ছিল, তখন উইকেটকিপার স্টাম্পের পিছনে অসামান্যভাবে ঝাঁপিয়ে ক্যাচ তুলে নেন।

তৃতীয় দিনে ভারত দাপট দেখানোর পরে চতুর্থ দিনে আয়োজক দল দৃঢ়তার সঙ্গে দিন শুরু করেছিল। যদিও স্পিনারদের বিরুদ্ধে বেশ কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশী ওপেনারদের নড়বড়ে দেখিয়েছে, তবে তাঁরা উইকেটে দৃঢ়ভাবে টিঁকেছিল। নাজমুল হোসেন শান্ত ও জাকির হাসান মিলে ১০০ রানের বেশী পার্টনারশিপ গড়েন যা বাংলাদেশের ইতিহাসে চতুর্থ ইনিংসের কেবল দ্বিতীয় ওপেনিং পার্টনারশিপ যা ১০০ রানের সীমা অতিক্রম করেছে।

নাজমুল হোসেন শান্ত ৪৬ ওভারের পরিশ্রমের পর অবশেষে তাঁর উইকেট খোয়ান এবং ভারতীয় দল একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উইকেট পেয়েছিল। উমেশ যাদবের বলে শান্ত রক্ষণাত্মক শট খেলতে গেলে বল তাঁর ব্যাটের কোণায় লেগে ফার্স্ট স্লিপে দাঁড়ানো কোহলির কাছে গিয়েছিল। বলে হাট লাগাতে পারলেও নিয়ন্ত্রণে ছিলেন না তিনি এবং সেটি হাট থেকে ছিটকে বেরিয়ে যায়। তবে পাশে দাঁড়ানো পান্ত সতর্ক ছিলেন এবং ঝাঁপিয়ে পড়ে দুবারের চেষ্টায় বলটি গ্লাভসবন্দী করতে ভুল করেননি। 

প্রথম উইকেটের পতনের পরে পরপর বেশ কয়েকটি উইকেট হারায় বাংলাদেশ

শান্ত আউট হওয়ার ফলে ১২৪ রানের উদ্বোধনী পার্টনারশিপের সমাপ্তি ঘটে। ভারতীয় দলের মুখে আবার হাসি ফোটে যখন ইয়াসির আলি অক্ষর প্যাটেলের বলের টার্ন বুঝতে না পেরে বোল্ড হন। এরপরে লিটন দাস সাময়িক প্রতিরোধ গড়ে তুললেও আগ্রাসী শট খেলতে গিয়ে লং অনের হাতে ক্যাচ দিয়ে বসেন। তাঁর উইকেটটি নেন প্রথম ইনিংসের নায়ক কুলদূপ যাদব।

চা পানের বিরতির পরে আবারও নিয়মিত উইকেটের পতন হতে থাকে। প্রথমে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের শিকার হন অভিষেকে সেঞ্চুরি হাঁকানো ওপেনার জাকির হাসান। তিনি ১০০ করে আউট হওয়ার পরে অক্ষর প্যাটেল একই ওভারে মুশফিকুর রহিম ও নুরুল হাসান সোহানকে আউট করেন।

close whatsapp