যোগ্য দল হিসাবেই জিতেছে পাকিস্তান, ম্যাচ শেষে জানালেন কেন উইলিয়ামসনই
আপডেট করা - Nov 9, 2022 6:21 pm

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সকলকে চমকেদিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে পাকিস্তান। যে নিউ জিল্যান্ড এবারের বিশ্বকাপে দুর্ধর্ষ ফর্মে এবং প্রথম দল হিসাবে এবার ফাইনালে পৌঁছেছিল সেই নিউ জিল্যা্ন্ডকেই হারিয়ে ফাইনালে জায়গা পাকা করে নিয়েছে পাকিস্তান। আর সেটা দেখেই সকলে এখন হতবাক। আবারও একটা ব্যর্থতার স্বাক্ষী থেকে হতাশ তো হবেনই। সেইসঙ্গে প্রতিপক্ষ পাকিস্তানের প্রশংসা করতেও পিছপা হননি কেন উইসিয়ামসন। তাঁর মতে এদিনের ম্যাচে যোগ্য দল হিসাবেই প্রথম সেমিফাইনাল জিতে ফাইনালে পৌঁছেছে পাকিস্তান।
এবারের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভ পেরোনোরই একসময়ই সম্ভব ছিল না পাকিস্তানের। দক্ষিণ আফ্রিকার হঠাত্ নেদারল্যান্ডসের কাছে হেরে যাওয়াটাই তাদের রাস্তা খুলে দিয়েছিল। আর সেই রাস্তাতে হেঁটেই এবারের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের সঙ্গে ফাইনাবলের রাস্তাও রাকা করে ফেললেন বাবর আজমরা। ম্যাচ শেষে নিজেদের কোথায় ভুল হয়েছে সেই কথাও জানাতে দ্বিধা করেননি কেন উইসিয়ামসন। শুরু থেকেই এদিন ম্যাচে তারা যে চাপের মধ্যে পড়ে গিয়েছিল সেটাও জানাতে দ্বিধা করেননি কেন উইলিয়ামসন।
নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের সেরা হয়েছেন মহম্মদ রিজওয়ান
এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নিউ জিল্যান্ডের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। কিন্তু শুরু থেকেই ম্যাচে ছিল পাকিস্তানের পেসারদের দাপট। শাহিন আফ্রিদি কার্যত একাই এদিন নিউ জিল্যান্ডের বড় রানের সমস্ত আসা শেষ করে দিয়েছিল। তাঁর বোলিংয়েই ফিরে গিয়েছিলেন অ্যালেন ফিন ও কেন উইলিয়ামসনের মতো তারকা ক্রিকেটাররা। শেষপর্যন্ত ১৫২ রানেই থামতে হয়েছিল নিউ জিল্যান্ডকে। আর স্খানেই যে নিউ জিল্যান্ডের হারের রাস্তাটা তৈরি হয়ে গিয়েছিল সেটাও কার্যত স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।
এই প্রসঙ্গে কেন উইলিয়ামসন জানিয়েছেন, “এদিন বাবর আজম ও মহম্মদ রিজওয়ান আমাদের চাপের মধ্যে ফেলে দিয়েছিল। সত্যি কথা বলতে কী আমরা নিজেদের ক্ষেত্রে অনেক বেশী শৃঙ্খল হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দিনের শেষে পাকিস্তান এই সেমিফাইনাল জেতার একেবারে যোগ্য দল ছিল”।
েকেন উইলিয়ামসন ম্যাচের শেষে আরও জানেিেয়েছেন, “আমরা শুরুতেই চাপে পড়ে গিয়েছিলাম। পাকিস্তানের বোলাররা অস্ধারণ বোলিং করেছিল। মিচেলের অসাধারণ বোলিং থেকে এদিন আমার অবশ্য একটা বড় মোমেন্টাম পেয়েছিলাম। ম্যাচের মাঝামাঝি সময় আমরা ভেবেছিলাম য়ে এটা বোধহয় লড়াই করার মতোই রান। পাকিস্তানের কাজটা সেভাবে কঠিন করে দিতে না পেরে বেশ হতাশ আমরা”।
এদিন নিউ জিল্যান্ডের রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই দুর্ধর্ষ ফর্মে ছিলেন বাবর আজম ও মহম্মদ রিজওয়ান। তাদের হাত ধরেই বিশ্বকাপের ফাইনালের দড়জা খুলেছে পাকিস্তান।