নীতীশ রানার ছয়ে ভাঙল সানরাইজার্স ডাগআউটের ফ্রিজের কাচ

৩৬ বলে ৫৪ রান করে দলকে ১৭৫ রান তুলতে সাহায্য করেছেন নীতীশ

Nitish Rana Shot
Nitish Rana Shot. (Photo Source: Dinsey+Hotstar)

১৫ই এপ্রিল মুম্বাইয়ের ব্র্যাবোর্ন স্টেডিয়ামে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের বিরুদ্ধে তাদের আইপিএল ২০২২-এর ম্যাচে টস হেরে প্রথমে প্রথমে ব্যাট করতে নামার পরে কলকাতা নাইট রাইডার্স দ্রুত তাদের টপ অর্ডারকে হারায়। পাওয়ারপ্লের ভিতরেই ৩ উইকেট চলে যায়। নতুন বল হাতে এসআরএইচের পেসাররা ভালো সুইং পাচ্ছিলেন। অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার রান পেলেও বোলার-বান্ধব পরিস্থিতিতে তাঁকে নাজেহাল দেখিয়েছে। কেকেআর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে। যদিও দীর্ঘদিন ফর্মে না থাকা মিডল-অর্ডার ব্যাটার নীতীশ রানা এক প্রান্ত থেকে ইনিংস ধরে রেখে দলকে সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য খেলে গেলেন। 

তাঁর আগ্রাসী ইনিংসের সময় নীতীশ একটি ছক্কা মারেন যা কেবল বাউন্ডারির দড়িই সফলভাবে পার করেনি বরং কিছু ক্ষতিও করেছিল। কারণ তাঁর শট ফ্রিজের কাচ ভেঙে দেয় যেখানে খেলোয়াড়দের জন্য এনার্জি ড্রিংকস, জলের বোতল প্রভৃতি দ্রব্য রাখা হয়। যদিও এটিই প্রথম ঘটনা নয় যেখানে তাঁর শক্তিশালী শটের ফলে সম্পত্তির ক্ষতি হল। গত মরসুমে তাঁর একটি শট ক্যামেরার লেন্স ভেঙে ফেলেছিল।

নীতীশ রানা উমরান মালিকের গতিকে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ব্যবহার করেন

মিডল এবং লেগ স্টাম্প লাইনে করা একটি ডেলিভারিতে নীতীশ রানা লেগ স্টাম্পের অনেক বাইরে চলে যান এবং শটটি অফসাইডে খেলার মনস্কামনায় একটি কাট শট মারেন। বলটি বাউন্ডারির দড়ির বাইরে গিয়ে পড়ে যার ফলে তাঁর এবং দলের খাতায় ছয় রান যুক্ত হয়। বলটি বাউন্ডারি পার করেই একবার বাউন্স করে এবং তারপর বলটি সরাসরি এসআরএইচ ডাগআউটের ফ্রিজের দরজার কাচে গিয়ে লাগে এবং নিমেষে দরজাটি ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।

সৌভাগ্যবশত, অপ্রীতিকর কোন ঘটনা ঘটেনি এবং পাশে বসে থাকা একজন খেলোয়াড়ও ভাঙা কাচের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হননি। এদিকে হায়দরাবাদের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন হাসিমুখে শটের প্রশংসা করেন।

https://twitter.com/SlipDiving/status/1514985316733829120?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1514985316733829120%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.crictracker.com%2Fipl-2022-nitish-rana-slashes-a-fierce-cut-off-umran-malik-breaks-fridge-glass-at-the-srh-dugout%2F

নীতীশ রানা মাত্র ৩৪ ডেলিভারিতে হাফ সেঞ্চুরিতে পৌঁছন। তিনি শেষ অবধি ৩৬ বলে ৫৪ রান করে নটরাজনের বলে কট বিহাইন্ড আউট হন। তাঁর ইনিংসে ছয়টি চার এবং দুটি ছক্কা রয়েছে। তাঁর এই ইনিংসটি এমন সময়ে এসেছে যখন প্রতিপক্ষের বোলাররা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ছিল। টি নটরাজন তাঁর বৈচিত্র্য দিয়ে, উমরান মালিক তাঁর তীব্র পেস দিয়ে এবং মার্কো য়্যানসেন তাঁর সুইং দিয়ে নিয়মিত চাপ সৃষ্টি করছিলেন কেকেআর ব্যাটারদের উপর। 

close whatsapp