মুস্তাফিজুরের দাপটে চট্টগ্রামের বিরুদ্ধে বিরাট জয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের

Mustafizur Rahman
Mustafizur Rahman. (Photo by Munir uz ZAMAN / AFP)

বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে একাই পাঁচ উইকেট নিয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের জয়ের নায়ক মুস্তাফিজুর রহমান। এই নিয়ে টানা তিন ম্যাচ হারল চট্টগ্রাম চ্যালঞ্জার্স। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে চট্টগ্রাম চ্যালে়্জার্সকে ৯ উইকেটে হারাল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। যদিও  মুস্তাফিজুরের দুরন্ত স্পেলেই কুমিল্লার এই সাফল্য। সেইসঙ্গে ব্যাটিংয়ে ঝোরো ইনিংস খেললেন ইমরুল কায়েসের। ৬২ বলে ৮১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। শেষ মুহূর্তে  লিটন দাস আউট না হলে ১০ উইকেটেই এদিন ম্যাচ জিততে পারত কুমিল্লা।

লিগে পরপর দু ম্যাচ হেরে খানিকটা অস্বস্তিতেই ছিল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। এদিনের ম্যাচ জিততেই গত তাদের। কিন্তু মুস্তাফিজুরের দুর্ধর্ষ বোলিংয়ের সামনে মাথা তুলে দাঁড়াতেই পারলেন তারা। উইলস জ্যাকসের অর্ধশতরান এলেও,  কুমিল্লার বিরুদ্ধে জেতার জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। মুস্তাফিজুরের একার দাপটেই এদিন ম্যাচ জয়ের ভিতটা মজবুত করে নেয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

শের ই বাংলা স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের অধিনায়ক। উইল জ্যাকসের হাত ধরে শুরুটা এদিন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ভাল করলেও, তাঁকে কেউ যোগ্য সঙ্গত দিতে না পারার জন্যই বড় রানের স্বপ্ন ভঙ্গ হয় চট্টগ্রামের। যদিও জ্যাকস একাই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু মুস্তাফিজুরের হাত ধরেই চিন্তা মুক্ত হন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স অধিনায়ক। উইল জ্যাকসের উইকেট নিয়েই এদিন খাতা খোলেন মুস্তাফিজুর। বাকিটা সত্যিই ইতিহাস।

তাঁর দাপটে এরপর একে একে ফিরে যান শামিম, বেনি হাওয়েল, নইম ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজরা। ম্যাচের মাঝে বৃষ্টি। ডাক ওয়ার্থ লুইসের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত ওভারের থেকে দু ওভার কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১৮ ওভারে ৮ উইকেট খুইয়ে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স করেন ১৩৮ রান। আর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের সামনে তখন ১৪৪ রানের লক্ষ্য। ডাক ওয়ার্থ লুইস নিয়মেই জিততে হলে চট্টগ্রামের থেকে ৪ রান বেশী করতে হত কুমিল্লাকে।

বল হাতে বেশীরভাগ কাজটাই করে দিয়েছিলেন মুস্তাফিজুর। বাকিটা ক্রিজে নেমে সামলে দেন অধিনায়ক ইমরুল কায়েস  নিজেই। শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন তিনি। সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত লিটন দাসেরও। ৬২ বলে অপরাজিত ৮১ রানের ইনিংস খেলেন ইমরুল কায়েস। তাঁর গোটা ইনিংসি সাজানো ৬টি বাউন্ডারি ও ৫টি ওভার বাউন্ডারি দিয়ে। তাঁর সঙ্গে লিটন দাস করেন ৩৭ বলে ৫৩ রানে। নির্ধারিত ওভারের কম সময়েই চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে হারিয়ে লিগ টেবিলে শীর্ষস্থানে পৌঁছে গেল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

close whatsapp