“বুমরাহ্‌ বলেছে দলের প্রয়োজনে একজন বোলারের সবকিছু করার সক্ষমতা থাকা উচিত” – প্রসিধ কৃষ্ণ

রয়্যালসে বোলিং কোচ মালিঙ্গার থেকেও অনেক কিছু শিখছেন প্রসিধ

Prasidh Krishna
Prasidh Krishna. (Photo Source: IPL/BCCI)

কর্ণাটকের পেসার প্রসিধ কৃষ্ণ বছরখানেক আগে ভারতের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের স্বাদ পেয়েছেন। ২০২১ সালের মার্চে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেকের পর থেকে তিনি সবাইকে মুগ্ধ করছেন। তাঁর অভিষেক ম্যাচে তাঁর পারফরম্যান্সও চিত্তাকর্ষক ছিল। তিনি ওডিআই অভিষেকে ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সেরা বোলিং পরিসংখ্যান নথিভুক্ত করেন, এবং ৫৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। সাতটি ওয়ানডেতে ইতিমধ্যেই ১৮ উইকেট নিয়েছেন এই পেসার।

২৬ বছর বয়সী বোলার ভারতীয় দলের পক্ষে একটি দুর্দান্ত সংযোজন এবং সাদা বলের ক্রিকেটে একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে উঠতে পারেন। তিনি এখন তাঁর পঞ্চম আইপিএল মরসুম খেলছেন রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে। ২০১৮ সালে আত্মপ্রকাশ করার পর, তিনি ২০২১ সাল পর্যন্ত কেকেআরের হয়ে খেলেছিলেন। আইপিএল ২০২২-এর মেগা নিলামে রাজস্থান কর্তৃক ১০ কোটি টাকায় বাছাই করা হয় তাঁকে। তাঁর পাঁচ বছরের আইপিএল কেরিয়ারে প্রসিধ ৩৯টি ম্যাচে ৩৪ উইকেট নিয়েছেন।

তিনি কীভাবে বোলিংয়ে নিয়মিত উন্নতি করছেন সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, প্রসিধ বলেন, “ওমকার সালভির [কোচ] সঙ্গে আমি গত চার বছর ধরে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছি। তিনি আমার বোলিং সম্বন্ধে সম্যক ধারণা রাখেন। যেকোনো টেকনিক্যাল উপদেশের জন্য আমি তাঁর কাছে যাই। এ ছাড়া আমি যাদের সাথে বোলিং করি, যেমন [জসপ্রিত] বুমরাহর থেকে আমি অনেক কিছু শিখি। তিনি আমাকে বলেছেন যে একজন বোলারের সবকিছু করার সক্ষমতা থাকা উচিত। এখন যেহেতু লাসিথ মালিঙ্গা এখানে, তার কাছ থেকে আমরা বোলিং সম্পর্কে অনেক কথা জেনেছি।”

খেলা ছাড়ার পযেন সন্তুষ্ট থাকতে পারি: প্রসিধ কৃষ্ণ 

“যখন দল আপনার থেকে একটি নির্দিষ্ট ডেলিভারি চায়, তখন আপনি বলতে পারবেন না ‘আমি এটা বোলিং করতে পারবো না’। আপনাকে যথেষ্ট প্রস্তুত হতে হবে বা আপনার সবকিছু করার দক্ষতা থাকা উচিত, এটিই আপনাকে একজন সফল বোলার করে তোলে,” ক্রিকট্র্যাকারে রেড বুল’স গ্রেটনেস স্টার্টস হিয়ার’-এ প্রসিধ বলেছেন।

“গ্রেটনেস” বলতে তিনি কী বোঝেন সে সম্পর্কে প্রসিধ বলেছেন, “গ্রেটনেস খুব আপেক্ষিক, আমি মনে করি আমার জন্য একই ধরণের জীবন থাকতে হবে, আমি আজ যা করছি, মাঠে এবং বাইরে যা করছি তা করতে সক্ষম হব, যখন আমি ক্রিকেট খেলা শেষ করব তখন যেন সন্তুষ্ট থাকতে পারি। আমি যেন বলতে পারি ‘হ্যাঁ, এটাই আমি করতে পারতাম, আমি আমার সব দিয়েছি এবং এতোটাই পেতাম। আমি মাঠে নিজের পুরোটা দিয়েছি এবং ক্রিকেটকে দেওয়ার মতো আমার মধ্যে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।

close whatsapp