ফাইনালে ভারত তাদের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেবে বলেই মনে করেন বেথ মুনি
আপডেট করা - Aug 7, 2022 3:16 pm

কমনওয়েলথ গেমসের মঞ্চে প্রথমবার মহিলাদের টি টোয়েন্টি ক্রিকেট। এই ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছিল। কমনওয়েলথ গেমসের অভিষেকেই সোনা জয়ের লক্ষ্যে টিম ইন্ডিয়া। শনিবারই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে হাড্ডহাড্ডি লড়াই করে ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে ভারতীয় দল। অন্যদিকে নিউ জিল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছে অস্ট্রেলিয়াও। রবিবার কমনওয়েলথ গেমসের সোনার পদকের লড়াইয়ে নামবে দুই দল। সেই ম্যাচে নামার আগেই ভারতীয় দলকে নিয়ে যথেষ্ট সাবধানী অস্ট্রেলিয়া।
ভারক বনাম অস্ট্রেলিয়ার টি টোয়েন্টি ম্যাচের পরিসংক্যানে এগিয়ে রয়েছে অস্ট্রেলিয়াই। এছাড়া সদ্যই বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নও হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ধারভা্রে তারা যে এগিয়ে রয়েছে তচা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে এই ভারতেরই মুখোমুখি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। সেখানে এগিয়ে থাকলেও, শেষ মুহূর্তে অ্যাশলে গার্ডনারের পারফরম্যান্সই জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল। ফাইনালের মঞ্চে আবারও সেই ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ। সেই ম্যাচে নামাপ আগে অজিরা যে সাবধানী তা বেথ মুনির কথাতেই স্পষ্ট।
ভারতের বিরুদ্ধে নামার আগে সমীহের সুর বেথ মুনির গলায়
গোটা প্রতিযোগিতায় দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্স দেখিয়েছে ভারত। বিশেষ করে ভারতের স্পিন আক্রমণ যেকোনও দলের জন্যই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। সেখানেই। আর এই বিষয়টা নিয়েই খানিকটা চিন্তায় রয়েছে অস্ট্রেলিয়া শিবির। বেন মুনির মতে কমনওয়েলথের ফাইনালের মঞ্চে ভারত যে তাদের বিরুদ্ধে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেবে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। সেইভাবেই নিজেদের প্রস্তুতিতও সারছে অস্ট্রেলিয়া মহিলা ক্রিকেট দল।
সোনার পদক জয়ের লড়াইয়ের আগে বেথ মুনি জানিয়েছেন, “ভারত যে স্টাইলে ক্রিকেট খেলছে সেই সম্বন্ধে আমরা অবগত রয়েছি। ব্যাটিংয়ের সময় তারা যেমন শক্তিশালী হয়ে আসেন। ঠিক তেমনই বোলিংয়েও যথ্েষ্ট শক্তিশালী ভারতীয় দল। তাদের স্পিন আক্রমণ দিয়ে আমার ব্যাটিংয়ের গতিকে থামিয়ে দেওয়ার সামর্থ রয়েছে ভারতীয় দলের”।
তিনি আরও জানিয়েছেন, “আমরা যেমন তাদের খেলার স্টাইল সম্বন্ধে অবগত রয়েছি, তেমনই তারাও আমাদের খেলার ধরণ সম্বন্ধে জানে। আশা করছি একটা হাড্ডহাড্ডি লড়াই হবে এবং তারা যে আমাদের বিভিন্ন সময়েই কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে ফেলবে তা বেশ স্পষ্ট। তবে আমরাও পাল্টা রাউন্টার অ্যাটাকের জন্য প্রস্তুত রয়েছি”।
ষনিবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নেমেছিল ভারতীয় দল। সেখানেই একসময় খানিকটা পিছিয়ে পড়েছিল ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল। কিন্তু সেখান থেকেই ফের ঘুরে দাঁড়িয়েছিল তারা। ইংল্যান্ডের সেরা দুই ক্রিকেটারকে সাজঘরে ফিরিয়ে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত। রুপোর পদক নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে দুই দলেরই। এখন সোনা জয়ের হাসি কার মুখে ফোটে সেটাই দেখার।