আড়াই দিনে টেস্ট ম্যাচ শেষ হওয়ার ব্যাপারে নারাজ প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীর
আপডেট করা - Mar 8, 2023 2:10 pm

বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির তৃতীয় টেস্টে লজ্জাজনক হারের মুখোমুখি হতে হয় ভারতীয় দলকে। তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনেই ইন্দোরের টেস্ট ৯ উইকেটে জিতে নেয় স্টিভ স্মিথের নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়া। দুই ইনিংসেই ভারতের ব্যাটিং বিপর্যয় ঘটে। প্ৰথম ইনিংস এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত যথাক্রমে ১০৯ রান এবং ১৬৩ রান করে।
এই সিরিজে ভারতের এই ব্যাটিং বিপর্যয় দেখে অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটাররা ভালো স্পিন বোলারদের সামনে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের অসফল হওয়া নিয়ে মুখ খুলেছেন। কিন্তু গৌতম গম্ভীর এই ব্যাপারে একেবারে ভিন্ন মত পোষণ করেন। তার মতে বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা এবং চেতেশ্বর পূজারা প্রত্যেকেই খুব ভালো স্পিন বল খেলেন। যদি সেটা নাই হতো তাহলে তারা এতো সফল ক্রিকেটার কোনোদিনও হতে পারত না।
স্পিন বোলিংয়ের সামনে ব্যাটসম্যানদের অসফল হওয়ার পেছনে ডিআরএসের অনেক বড়ো ভূমিকা আছে বলে তিনি মনে করেন। তার মতানুযায়ী বেশি কেউ এই ব্যাপারে কথা না বললেও ডিআরএসের কারণে ব্যাটসম্যানদের তাদের ব্যাটিং পদ্ধতিকে পরিবর্তন করতে হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, আগে ব্যাটসম্যানরা ফ্রন্ট ফুটে খেলার উপর জোর দিতেন। কারণ আউট হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ থাকার জন্য ব্যাটসম্যানদের পক্ষেই বেশিরভাগ সিদ্ধান্ত যেত।
চলতি টেস্ট সিরিজে কোনো ম্যাচই তিন দিনের সীমা অতিক্রম করেনি: গৌতম গম্ভীর
স্পোর্টস টুডেকে গৌতম গম্ভীর বলেন, “আমি সেটা মনে করি না। চেতেশ্বর পূজারা, বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মা স্পিন বোলিংয়ের ভালো খেলোয়াড়। যদি তারা না হতেন তাহলে ১০০টি টেস্ট খেলতে পারতেন না (পূজারা এবং কোহলি ইতিমধ্যেই ১০০+ টেস্ট খেলে ফেলেছেন)। এই জায়গায় পৌঁছতে হলে আপনাকে স্পিন এবং ফাস্ট বোলিংয়ের খুব ভালো খেলোয়াড় হতেই হবে। একটি জিনিস যা পরিবর্তিত হয়েছে তা হল ডিআরএস এবং সেটি একটি বিশাল ভূমিকা পালন করছে। যখন সামনের পায়ে এলবিডব্লিউ এবং ডিআরএস ছিল না, অনেক সময় আপনাকে আপনার খেলার পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হয়েছিল। লোকেরা এটার সম্পর্কে খুব বেশি কথা বলে না,”
আড়াই দিনে টেস্ট ম্যাচ শেষ হওয়ার ব্যাপারে এই প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার বলেন, “আমি অনুভব করি, হ্যাঁ, ঘূর্ণি পিচে খেলাটা ভালো, কিন্তু আমি আড়াই দিনে টেস্ট ম্যাচ শেষ হওয়াটা মেনে নিতে পারব না। নিউজিল্যান্ড বনাম ইংল্যান্ড টেস্টের মতো আমরা টানটান সমাপ্তি দেখতে চাই। (যদি একটি টেস্ট) চতুর্থ বা পঞ্চম দিনে যায় সেটা ঠিক আছে। কিন্তু আড়াই দিন খুব কম সময়।”