“সাধারণের চেয়েও নিম্নমানের ব্যাটিং” – বাবরদের ব্যাটিং দেখে হতাশ ওয়াসিম আক্রাম

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মাত্র ১২১ রানে অল আউট হয়ে যায় পাকিস্তান

Wasim Akram
Wasim Akram. (Photo by Philip Brown/Popperfoto via Getty Images)

শুক্রবার (৯ই সেপ্টেম্বর) দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এশিয়া কাপ ২০২২-এ শেষ সুপার ফোর ম্যাচে পুরো ২০ ওভার ব্যাট করতে না পারায় পাকিস্তানের ব্যাটিং ইউনিট সম্পর্কে হতাশা প্রকাশ করেছেন ওয়াসিম আক্রাম।

দাসুন শানাকা টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠানোর পর বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন দল ১৯.১ ওভারে ১২১ রানে গুটিয়ে যায়। অধিনায়ক বাবর ২৯ বলে ৩০ রান করে সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন এবং মহম্মদ নাওয়াজ শেষের দিকে ২৬ (১৮) করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। বাকি পাকিস্তানি ব্যাটাররা বিশেষ আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে পারেননি।

পাকিস্তান কেবল স্পিনের বিরুদ্ধে বাউন্ডারি মারতে চেয়েছিল: ওয়াসিম আক্রাম

জবাবে শ্রীলঙ্কা ১৭ ওভারে লক্ষ্য তাড়া করে পাঁচ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয়। রবিবার (১১ই সেপ্টেম্বর) ফাইনালের আগে এই জয়টি নিঃসন্দেহে দ্বীপরাষ্ট্রের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। এশিয়া কাপের সরকারী সম্প্রচারক স্টার স্পোর্টসে ধারাভাষ্যের সময় পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক আক্রাম বলেছেন, “সাধারণের চেয়েও নিম্নমানের ব্যাটিং। সামগ্রিকভাবে, খেলার মনোভাব ছিল না। তারা [ব্যাটাররা] মাঠের বড় অংশকে লক্ষ্য করে ডাবল নিতে ইচ্ছুক ছিল না এবং তারা কেবল স্পিনের বিরুদ্ধে বাউন্ডারি মারতে চেয়েছিল।”

উল্লেখ্য, সুপার ফোর-এর ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষেও পাকিস্তানের ব্যাটিং ধ্বসে পড়েছিল। ১৩০ রান তাড়া করতে নেমে ১৮.৫ ওভারে ১১৮ রানে নয় উইকেট হারিয়েছিল পাকিস্তান। তবে ১০ নম্বর ব্যাটার নাসিম শাহ ২০তম ওভারে পরপর দুই বলে দুটি ছক্কা মেরে ম্যাচ জেতান।

তাদের শেষ দুটি সুপার ফোর ম্যাচে যথাক্রমে আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাকিস্তানের ব্যাটাররা ধরাশায়ী হওয়ার পরে দলকে সতর্ক করেছেন কিংবদন্তি স্পিডস্টার শোয়েব আখতার। টুইটারে আখতার লিখেছেন, “সতর্কবার্তা টিম পাকিস্তানের জন্য। ফাইনালের আগে ঘুরে দাঁড়াতেই হবে। এগিয়ে চলো।”

এই টুর্নামেন্টে মেন ইন গ্রিন তাদের তৃতীয় এশিয়া কাপ ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে খেলছে। পাকিস্তান এর আগে ২০০০ ) ২০১২ সালে যথাক্রমে মইন খান ও মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বে মহাদেশীয় শিরোপা জিতেছিল। অন্যদিকে পাঁচবার এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছে শ্রীলঙ্কা। টুর্নামেন্টের ফাইনালে দুই দল একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিল তিনবার। ২০১৪ সালে তাদের শেষ জয়সহ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ফাইনালের পরিসংখ্যানে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে শ্রীলঙ্কা।

close whatsapp