য়্যানসেন-নটরাজন জুটির দাপটে বেঙ্গালুরুর চ্যালেঞ্জার্সদের হারিয়ে ব্রেবোর্ণে সূর্যদয় হায়দরাবাদের

Sunrisers Hyderabad
Sunrisers Hyderabad. (Photo Source: IPL/BCCI)

২৩ এপ্রিল দিনটাই যেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে অভিশপ্ত হয়ে উঠেছে। পাঁচ বছর আগে এই দিনেই আরও একটা কালো অধ্যায়ের সম্মুখীল হয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে সেবার ৪৯ রানে অল আউট হয়ে গিয়েছিলেন বিরাট কোহলিরা। পাঁচ বছর পর আবারও যেন সেই স্মৃতিই ফিরে এল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু শিবিরে। কানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ৬৮ রানে শেষ হয়ে গেল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। ৯ উইকেটে বিরাট কোহলিদের হারিয়ে দিল হায়দরাবাদ।

আইপিএলের বেশীরভাগ ম্যাচেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর টপ অর্ডার ব্যর্থ হয়েছিল। কিন্তু সেই ম্যাচগুলোতে দীনেশ কার্তিকের ইনিংস তাদের বাঁচিয়ে দিয়েছিল। কথা চলছিল তখন থেকেই, যেদিন দীনেশ কার্তিক ব্যর্থ হবেন, সেদিন কী হবে। ২৩ এপ্রিলই বোধহয় সেই দিনটা ছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জারেস বেঙ্গালুরুর কাছে। মার্কো য়্যানসেনের তিন বলেই যেন এদিনের ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে গিয়েছিল। সেইসঙ্গে টি নটরাজন। আইপিএলের মঞ্চে চূ়ড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্জয়ের একটা স্বাক্ষী রাখল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে হারিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচে জয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদের

টস জিতে এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদ প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে এদিন কম রানের মধ্যেই শেষ করে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তাদের। কিন্তু মার্কো য়্যানসেন এবং টি নটরাজনরা যে বেঙ্গালুরুকে ১০০ রানের গন্ডীও টপকাতে দেবেন না, তা হয়ত কেউই ধারণা করতে পারেননি। কিন্তু সেটাই হয়েছে। প্রোটিয়া তারকা মার্কো য়্যানসেনের তিন বলেই যেন ম্যাচের ভবিষ্যত এদিন ঠিক হয়ে গিয়েছি। আর বাকিটা সামলে দেন টি নটরাজন।


https://twitter.com/bbctms/status/1517904214583914497

ফাফ ডুপ্লেসিকে ৫ রানে সাজঘরে ফেরান য়্যানসেন। বিরাট কোহলি মাঠে এসেই তাঁর ফাঁদে পড়েন। পরপর দু ম্যাচে শূন্য রান করে এদিন মাথা নীচু করে সাজঘরের রাস্তায় হাঁটতে হয় বিরাট কোহলিকে। তারপরই সাজঘরে রাস্তা ধরেন অনুজ রাওয়াতও। বেঙ্গালুরুর ব্যাটিং ধস এদিন আর কারোর পক্ষেই আকটানো সম্ভব ছিল না। মার্কো য়্যানসেনের পর ব্রেবোর্ণ স্টেডিয়ামের বাইশগজে শাসন করেন টি নটরাজন। ম্যাক্সওয়েল, হাসারঙ্গা এবং হেজেলউড তাঁর শিকার। দুই পেসারের আগুনে বোলিংই বেঙ্গালুরুর ব্যাটিং লাইনআপকে তাসের ঘরের মতো ভেঙে দেয়।

যদিও ক্রিজে যতক্ষণ দীনেশ কার্তিক ছিলেন ততক্ষণ বেঙ্গালুরুর একটা আশা ছিল। কিন্তু জগদীশ সূচিথ তাঁকে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরাতেই ডুপ্লেসির দলের সমস্ত আশা শেষ। তখন শুধুই বেঙ্গালুরু কত কম রানে অল আউট হয় সেই অপেক্ষায় সকলে। ১৬.১ ওভারে ৬৮ রানেই শেষ হয়ে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জয়টা তখন ছিল শুধুই সময়ের অপেক্ষা। অভিষেক শর্মা এবং কেন উইলিয়ামসন ওপেনিংয়ে নামেন এদিন। অভিষেক শর্মার উইকেট তুলতে পারলেও তা বেঙ্গালুরু বোলারদের কাছে শান্তনা ছাড়া কিছুই ছিল না। ব্যর্থই হন বেঙ্গালুরুর বোলাররা। ৯ উইকেট হাতে নিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় সানরাইজার্স বেঙ্গালুরু।

close whatsapp