জস বাটলারের বিধ্বংসী শতরান, মুম্বইকে হারিয়ে বিজয়রথ অব্যহত রাজস্থান রয়্যালসের

Jos Buttler's century
Jos Buttler’s century. (Photo Source: IPL/BCCI)

জস বাটলারের শতরানে ভর করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে হরিয়ে রাজস্থান রয়্যালসের বিজয়রথ অব্যহত। এবারের আইপিএলে প্রথম শতরান পেলেন জস বাটলার। আর তাতেই রোহিত শর্মাদের এবারের আইপিএলে প্রথম জয় পাওয়ার সমস্ত আশা শেষ হয়ে গেল। এদিন ডি ওয়াই পটেল স্টেডিয়ামে শুধুই চলল চার, ছক্কার ঝড়। কিন্তু শেষপর্যন্ত জয়ের হাসি ফুটল রাজস্থান রয়্যালসের অধনায়ক সঞ্জু স্যামসনের মুখেই। ২৩ রানে জিতল রাজস্থান রয়্যালস। এবারের আইপিএলে বাটলারের ব্যাট থেকেই এল প্রথম সেঞ্চুরিটাও।

আইপিএলের শুরু থেকেই বাটলারের দিকে তাকিয়েছিল সকলে। প্রথম ম্যাচে পারেননি তিনি। তবে বাটলার ঝড় দেখতে খুব একটা বেশীদিন অপেক্ষা করতে হল না সকলকে। আইপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচেই জ্বলে উঠলেন তিনি। রাজস্থানের জয়ের রাস্তাটা এদিন তিনিই তৈরি করে দিয়েছিলেন। সেই পথে চলেই একটা পারফেক্ট ফিনিশিং টাচ দিলেন রাজস্থানের বোলাররা। আর সেইসঙ্গেই আইপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচেও হারতে হল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে।

এবারের আইপিএলে প্রথম শতরান করলেন জস বাটলার

টস জিতে এদিন প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। লক্ষ্যটা ছিল প্রতিপক্ষ শিবিরকে কম রানের মধ্যে শেষ করে দেওয়া। কিন্তু একা জস বাটলারের দাপটে সমস্ত পরিকল্পনা ভেস্তে যায় রোহিত শর্মার। বরাবরই মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ভাল পারফরম্যান্স করেন জস বাটলার। এদিনও তার অন্যথা হল না। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন ইংল্যান্ডের তারকা জস বাটলার।

শুরু থেকেই পোলার্ড, মিলসদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ছিলেন তিনি। মুম্বই শিবিরে জসপ্রীত বুমরাহ ছাড়া এদিন কোনও বোলারই রাজস্থানের ব্যাটারদের বিরুদ্ধে সাফল্য পাননি। জস বাটলারের ৬৮ বলে ১০০ রানের ইনিংসেই এদিন রাজস্থান রয়্যালসের জয়ের ভিতটা গড়ে দিয়ে গিয়েছিল। তাঁর ১০০ রানের ইনিংসে রয়েছে ৫টি ওার বাউন্ডারি ও ১১টি বাউন্ডারি। তবে তিনি একাইনন, এদিন স্টেডিয়ামে ঝড় তুলেছিলেন শিমর হেটমায়ারও। তিনি১৪ বলে ৩৫ রান করেন তিনি।

একসময় মনে হচ্ছিল রাজস্থান বোধ হয় এদিন ২১৫ থেকে ২২০ রান করবে। কিন্তু ১৯ নম্বর ওভারে জসপ্রীত বুমরার স্পেলটাই রাদস্থানকে ২০০ রানের গন্ডী ছুঁতে দেয়নি। তিনি এক ওভারে ৩ উইকেট তুলে নেন। ১৯৩ রানেই থামে রাজস্থান রয়্যালস। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে জিততে হলে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলার দরকার ছিল এদিন। আর সেই দায়িত্ব ছিল রোহিত শর্মার কাঁধেই।

কিন্তু এদিনও ব্যাট হাতে চূড়ান্ত ব্যর্থ রোহিত শর্মা। ১০ রানেই সাজঘরে ফিরে যান তিনি। তবে ইশান কিষাণ এদিনও লড়াইটা চালান। কিন্তু ৫৪ রনে থামতে হয় তাঁকে। কিন্তু তখনও যে ম্যাচটা পুরোপুরি রাজস্থানের হাতে ছিল তা বলা চলে না। তরুণ ক্রিকেটার তিলক বর্মা কিন্তু এদিন সকলের নজর কেড়েছে নিজের পারফরম্যান্সে। ৩৩ বলে ৬১ রনের ইনিংস খেলে থামতে হয় তাঁকে। আর তখনই বধ হয় রাজস্থানের জয়টা একেবারে নিশ্চিত হয়ে যান।

তিলক বর্মার ব্যাট থেকে বড় শট দেখে এদিন হয়ত একসময় রাজস্তান অধিনায়কও ভয় পেয়েছিলেন। যদিও শেষপর্যন্ত তিলক বর্মা মুম্বইকে জিতিয়ে ম্যাচের নায়ক হতে পারেননি। কায়রণ পোলার্ড শেষপর্যন্ত টিকে থাকলেও, তিনিও মুম্বইকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি। পরপর দু ম্যচ হারতে হল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। অন্যদিকে রাজস্থানের জয় যাত্রা অব্যহত।

close whatsapp