সুনীল নারিনকে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী শ্রেয়স আইয়ার, এবারের আইপিএলেও নারিনই তাদের প্রধান অস্ত্র

Shreyas Iyer
Shreyas Iyer. (Photo Source: Twitter)

২৬ মার্চ আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচেই চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে নামছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। নতুন ভাবে সাজানো দলের নতুন অধিনায়কের নাম এবার শ্রেয়স আইয়ার। ভারতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বে এবার ধোনির চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে নামছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। সেই ম্যাচেই নাইট বাহিনীকে নেতৃত্ব দেবেন শ্রেয়স আইয়ার। আর এবারের মঞ্চেও যে সুনীল নারিন নাইট রাইডার্সের বড় অস্ত্র তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

এবারের াইপিএলে ১১.৫০ কোটি টাকা দিয়ে শ্রেয়স আইয়ারকে দলে তুলে নিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। ভারতীয় দলের হয়ে দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তিনটি টোয়েন্টিতেই ভারতের হয়ে দুর্ধর্ষ ব্যাটিং করে সিরিজের সেরা ক্রিকেটারের তকমা নিজের গায়ে তুলে নিয়েছেন শ্রেয়স। আসন্ন আইপিএলেও সেই ধারা ধরে রাখতে মরিয়া তিনি। একইসঙ্গে দলের কামিন্স, নারিনদের নিয়েও প্রতিপক্ষকে বধ করার ছক কার্যত তাঁর প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে।

নাইট রাইডার্সের হয়ে বরাবরই সুনীল নারিন দুরন্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছেন। বোোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাটিংয়েও নাইট রাইডার্সকে সাহায্য করেছেন তিনি। আর সেজন্যই তো নাইট রাইডার্স এবারের মেগা নিলামের জন্য সুনীল নারিনকে ছেড়ে দেননি। তবে এই মিস্ট্রি স্পিনার এবছর দেশের হয়ে বেশী ম্যাচ খেলেননি। সেক্ষেত্রে নাইট রাইডার্সের হয়ে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তিনি পালন করতে পরবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা শুরু হয়ে গিয়ছিল। যদিও শ্রেয়স আইয়ার কিন্তু এসব নিয়ে ভাবতে নারাজ।

সুনীল নারিনকে আত্মবিশ্বাসের সুর শ্রেয়স আইয়ারের গলায়

সাংবদিক সম্মেলনে মুখোমুখি হয়ে শ্রেয়স আইার জানিয়েছেন, “আমি যখনই সুনীল নারিনের বিরুদ্ধে খেলছি, সবসময়ই দেখেছি তিনি ম্যাচে কতটা প্রভাব বিস্তার করেন। এছাড়া তিনি যে সমস্ত তারতম্য দেখাতে পারেন, তা এক কথায় অনবদ্য। শেষবার আমি যখন তাঁর বিরুদ্ধে খেলেছিলাম সুনীল নারিন নন প্লেয়েবল ছিলেন। আইপিএলে তিনি সত্যিই দুরন্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছেন। শুধু বোলিংয়েই নয়, ব্যাটিংয়েও নিজের পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন নারিন। ম্যাচের মোর যখন তখন ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন তিনি। তাঁকে আমার দলে পেয়ে আমি খুশি”।

নারিন ছাড়াও নাইট শিবিরে রয়েছেন প্যাট কামিন্স, অ্যারণ ফিঞ্চ এবং অজিঙ্ক রাহানেদের মতো ক্রিকেটাররা। যাদের পাশে পেয়ে সত্যিই খুসি শ্রেয়স আইয়ার। এই প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, “তাদেরকে দলে পাওয়া সত্যই বড় পাওনা। তিন ধরণের ফর্ম্যাটেই তারা খেলেছে বহুদিন ধরে। তাদের অভিজ্ঞতা আমাদের যথেষ্ট সাহায্য করবে। এমন সিনিয়র ক্রিকেটারদের থেকে আমিও পরামর্শ পেতে চাই”।

গতবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে হেরেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশা শেষ হয়েছিল নাইট রাইডার্সের। এবার সেই চেন্নাইের বিরুদ্ধেই নামতে চলেছে তারা। শ্রেয়স আইয়ারের হাত ধরে নাইট রাইডার্স প্রতিশোধ নিতে পরে কিনা সেটাই এখন দেখার।

close whatsapp