খুলনাকে হারিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে মেহিদি হাসানের চট্টোগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স

Mehidy Hasan Miraz
Mehidy Hasan Miraz. (Photo by Zabed Hasnain Chowdhury/SOPA Images/LightRocket via Getty Images)

বেনি হাওয়েলের ঝোরো ইনিংসে ভর করে চট্টোগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের শেষ পাঁচ ওভারে ৬২ রানটাই এদিনের ম্যাচ ঘোরানোর জন্য যথেষ্ট। আর তাতে ভর করেই খুলনা টাইগার্সকে হারিয়ে লিগের শীর্ষে পৌঁছে গেল চট্টোগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। দুরন্ত পারফরম্যান্স বেনি হাওয়েলের। খুলনা টাইগার্সকে ২৫ রানে হারিয়ে দিল মেহেদি হাসানদের দল। আর এমন ব্যাটিং পারফরম্যান্স খানিকটা হলেও হয়ত স্বস্তি দেবে চট্টোগ্রামকে।

এদিন টস জিতে চট্টোগ্রামকে প্রথম ব্যাটিংয়ের সুযোগ দেন খুলনা টাইগার্স অধিনায়ক। ম্যাচের শুরুতেই বোধহয় সবচেয়ে বড় ভুলটা করে ফেলেছিলেন  মুশফিকুর রহিম। আর তারই খেসারত দিতে হল এই ম্যাচ হেরে। যদিও  বল হাতে খুলনা টাইগার্সের বোলাররা যে শুরুটা  খুব একটা খারাপ করেছিলেন তেমনটা নয়। বরং ৬৯ রানের মধ্যে তুন উইকেট তুলে নিয়ে চট্টোগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের ওপর বেশ চাপও দিতে শুরু করেছিলেন তারা।

কিন্তু সেখান থেকেই একটা অসাধারণ পার্টনার্শিপ তৈরি করেন সাব্বির হোসেন এবং অধিনায়ক মেহেদি হাসান। কম সময় মাঠে থাকলেও দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখান অধিনায়ক মেহেদি হাসান। ২৩ বলে ৩০ রানের ইনিংস খেলে ফেরেন  তিনি। সেইটুকু সময়ের মধ্যেই ৪টি বাউন্ডারিও হাকান তিনি। তিনি যখন ফেরেন তখন চট্টোগ্রামের রান ১১৭। আর ১৪ রান যোগ করার পরই ফেরেন সাব্বির রহমানও। তিনি করেন ৩২ রান।

এরপরই মাঠে শুরু বেনি হাওয়েলের ঝড়। খুলনা বোলারদের  তিনি একাই নাজেহাল করে ছাড়েন। সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত নঈম ইসলামের। বাউন্ডারি, ওভার বাউন্ডারির দাপটে শেষ পাঁচ ওভারে বিধ্বস্ত হয়ে যায় খুলনা টাইগার্সের বোলিং লাইনআপ। শেষ পাঁচ ওভারে আসে ৬২ রান। আর সেইসঙ্গেই ম্যাচের ভবিষ্যতও কার্যত নিশ্চিত করে ফেলে তারা। ১৯০ রানের বিরাট রান তোলে চট্টোগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

শুরু থেকেই বড় রানের চাপ নিয়ে মাঠে নামে খুলনা টাইগার্স। রান এগোনোর গতি ঠিক থাকলেও, সেইসঙ্গে একের পর এক উইকেটও খুইয়ে নিজেরাই চাপ বাড়িয়ে ফেলে তারা। যদিও শেষপর্যন্ত চেষ্টাটা চালিয়ে গিয়েছিলেন ইয়াসির আলি কিন্তু যোগ্য সঙ্গত না পাওয়াতেই গলকে আর জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি তিনি।

৭৬ রানের মধ্যেই দলের টপ অর্ডার ধসে পড়ে। সেখান থেকে একাই লড়াইটা শুরু করেন ইয়াসির আলি। কিন্তু তাঁর সঙ্গে সেই লড়াইটা চালিয়ে যাওয়ার মতো কেউই ছিলেন না। প্রত্যেকেই মাঠে এসেছেন আর ফিরে গিয়েছেন। ২৬ বলে ৪০ রানের ঝোরো ইনিংস খেলে শেষপর্যন্ত ক্রিজে টিকে ছিলেন ইয়াসির। কিন্তু ম্যাচ জিতিয়ে আর ফেরা হয়নি। নির্ধারিত ওভারে  ১৬৫ রানেই থামতে হয় খুলনা টাইগার্সকে।

চট্টোগ্রামের হয়ে দুটো করে উইকেট পান মেহিদি হাসান, শরিফুল ইসলাম এবং রেজাউর রহমান। ২৫ রানেই খুলনার বিরুদ্ধে ম্যাচ জিতে নেয় তারা। ৩ টি ম্যাচ খেলে ২টো ম্যাচ জিতে ৪ পয়েন্ট নিয়ে এখন লিগ টেবিলে শীর্ষস্থানে চট্টোগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

close whatsapp