মিরাজের চার উইকেট বৃথা গেল, বরিশালের অভিজ্ঞ দুই অলরাউন্ডার ম্যাচ বার করে আনলেন
৮ বল বাকি থাকতে ৪ উইকেটে জিতে অভিযান শুরু করল ফরচুন বরিশাল
আপডেট করা - Jan 21, 2022 5:38 pm

শাইকাত আলি ও ইরফান সুক্কুর স্বচ্ছন্দে তাড়া করছিলেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের খাড়া করা মাত্র ১২৬ রানের লক্ষ্য। তখন ৩৫ বলে ৩৪ রান করতে হবে ফরচুন বরিশালকে, হাতে ৭ উইকেট। হঠাৎই ম্যাচের মোড় পাল্টে দিলেন চট্টগ্রাম অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। পরপর দুই বলে দুই সেট ব্যাটার শাইকাত ও সুক্কুরকে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠালেন। ১৫তম ওভারের শেষ বলে সালমান হোসেইন রান আউট। মুহূর্তের মধ্যে ম্যাচের চালকের আসনে বরিশালকে ছিটকে দিয়ে তখন চট্টগ্রাম এসে বসেছিল।
খানিক পরেই আবারও ম্যাচের মোড় পাল্টালো। মিরাজের ওভারের পর জিয়াউর রহমানের ঝড়ে ম্যাচে ফেরে ফরচুন বরিশাল। শরিফ্যল ইসলাম, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, বেনি হাওয়েলদের তোয়াক্কা না করে একের পর এক বড় শট খেলতে থাকেন তিনি। অন্যদিকে তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দেন বর্ষীয়ান অলরাউন্ডার ডোয়েন ব্রাভো। এই দুজনের জন্য বরিশাল ইনিংসকে আর হোঁচট খেতে হয়নি। শাকিব আল হাসানের দল তাদের বিপিএল মিশন শুরু করল চার উইকেটে জিতে।
চট্টগ্রামকে সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছে দেন বেনি হাওয়েল
লক্ষ্য তাড়ায় ব্যাটিংয়ে নেমে মিরাজকে সুইপ মারতে গিয়ে বোল্ড হন নাজমুল হোসেন শান্ত। শাকিব মাত্র ১৩ রান করে সেই মিরাজের বলেই ১৬ বলে ১৩ রান করে বোল্ড হন। পরের জুটিতে তৌহিদ হৃদয়কে সঙ্গে নিয়ে দলের ৫০ রান পার করেন শাইকাত। দলীয় ৬২ রানে মুকিদুল ইসলামের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হৃদয়।
এদিকে দিনের শুরুতে শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বরিশালের অধিনায়ক শাকিব আল হাসান। ইনিংসের প্রথম বলেই নাঈম হাসানকে ছক্কা হাঁকান ক্যারিবীয় ওপেনার কেনার লিউইস। তবে লিউইসের আক্রমণকে বেশী বাড়তে না দিয়ে তাঁকে ফেরান নাইম হাসান। নাইমের পর দলকে সাফল্য এনে দেন আলজারি জোসেফ। আফিফ হোসেন ধ্রুব ৬ রান করে আউট হন জোসেফের বলে। পাওয়ার-প্লের মধ্যে সাব্বির রহামানের উইকেটও হারায় চ্যালেঞ্জার্স।
এরপর দেখেশুনে খেলছিলেন আরেক ওপেনার উইল জ্যাকস। তবে তাঁর সাবধানী ইনিংস থেমে যায় জেক লিন্টট তাঁকে এলবিডাব্লিউ করায়। ক্রিজে নেমে দলের ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন বেনি হাওয়েল। ইংলিশ অলরাউন্ডারের মারকুটে ব্যাটিং দলকে সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছে দেয়। শেষ ওভারের ৫ম বলে ডোয়েন ব্রাভোর বলে আউট হওয়ার আগে ২০ বলে ৪১ রান করেন হাওয়েল। তাঁর ইনিংস সাজানো ৩টি করে চার ও ছক্কা দিয়ে।