সেঞ্চুরিয়ানের পিচে ফাস্ট বোলাররা যথেষ্ট সুবিধা পেতে চলেছে
আপডেট করা - Dec 25, 2023 12:03 pm

ইতিমধ্যেই ভারত দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ নিয়ে দুই দেশের সমর্থকদের মধ্যে প্রত্যাশার পারদ চড়ছে। আগামী ২৬শে ডিসেম্বর বর্ষশেষের উদযাপনের মরসুমে শুরু হতে চলেছে সেঞ্চুরিয়নে ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট। এর আগে কখনো প্রোটিয়াদের ঘরের মাঠে জেতেনি ভারতীয় দল। অধিকাংশ ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ মনে করছেন সেঞ্চুরিয়ানের পিচে ফাস্ট বোলাররা যথেষ্ট সুবিধা পেতে চলেছে। ভারতের মাটিতে হয়ে যাওয়া বিশ্বকাপে দুই দলের বোলিং পারফরমেন্স যথেষ্টই আশাপ্রদ ছিল। সেক্ষেত্রে কাগিসো রাবাডা, মহম্মদ সিরাজ, জেরাল্ড কোয়েটজি, জশপ্রিত বুমরাহ, লুঙ্গি এনগিডি, মার্কো জনশন, শার্দুল ঠাকুরকে পুনরায় প্রত্যক্ষ করার আশায় গোটা বিশ্ব।
যদিও এক্ষেত্রে ভিন্ন মত পোষণ করছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। তিনি ভারতীয় বোলিং অ্যাট্যাককে কার্যত চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিচ্ছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, ধারে ও ভারে ভারতীয় বোলিং ইউনিট যথেষ্টই দক্ষ। এই পেস-অ্যাট্যাক অনেক প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানদের সুবিধাকে দেশের মাটিতেও প্রশ্নচিহ্নের মুখে ফেলে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।
ভারতীয় দলের টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে রয়েছেন রোহিত শর্মা, যশস্বী জয়সওয়াল, বিরাট কোহলি, শুভমান গিল, কে এল রাহুল ও শ্রেয়স আইয়ারের মতো তারকা। এই শীর্ষ ছয় তারকার মধ্যে বর্তমানে চারজনের গড় ৪০-র বেশি। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার টপ-অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এই পরিসংখ্যান এই মুহূর্তে বিরল। কার্যত এটা স্পষ্ট যে ভারত কিছুটা সুবিধা নিয়েই শুরু করছে। কিন্তু অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে এই পরিসংখ্যান শুধুমাত্র বিরাট কোহলিরই রয়েছে, যা রাবাডা-এনগিডিদের কিছুটা হলেও স্বস্তির কারণ।
রোহিত শর্মা বহুবার দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
চার টেস্ট মিলিয়ে তাঁর গড় ১৫র আশেপাশেই ঘোরাফেরা করেছে। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যশস্বী জয়সওয়াল ভালো পারফরমেন্স করলেও দক্ষিণ আফ্রিকায় তিনি নতুন। শ্রেয়স আইয়ারও এক্ষেত্রে একই ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন। ২০১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় রোহিতের শেষ টেস্ট সফরের পরে তিনি উল্লেখযোগ্য টেস্ট ব্যাটসম্যান হিসেবে কামব্যাক করেছেন।
অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা ৬ জন প্লেয়ার এর মধ্যে প্রথমেই আসবে ডিন এলগার ও এডেন মার্করামের নাম। এছাড়াও এই টেস্টে অভিষেক হতে পারে ডেভিড বেডিংহ্যামের, যিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় ঘরোয়া লাল বলের ক্রিকেটে নিজেকে ইতিমধ্যেই প্রমান করেছেন। তাই শুকরি কনরাড পুঠিয়াদের নতুন হেডস্যার হওয়ার পরবর্তীতে ও টেম্বা বাভুমা অধিনায়কত্ব পাওয়ার পরে প্রথমবার ঘরের মাটিতে এতো বড়ো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে চলেছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরের মাটিতে ভারতের বিরুদ্ধে অপরিচিত থাকার রেকর্ড বজায় রাখতে চাইবে দল।