ডেভিড মালান-জো রুটের হাত ধরে বাংলাদেশকে হেলায় হারিয়ে প্রথম জয় ইংল্যান্ডের

Dawid Malan & Joe Root
Dawid Malan & Joe Root. ( Image Source: Twitter )

ইংল্যান্ডের টপ অর্ডারের বিধ্বংসী পারফরম্যান্সের ম্যাচের ভাগ্য কার্যত নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। ডেভিড মালানের অসাধারণ সেঞ্চুরী এহবং রুট ও জনি বেয়ারস্টোর পারফরম্যান্সের সৌজন্যে বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথম জয় তুলে নিল ইংল্যান্ড। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ১৩৭  রানে জয় পেয়ে অবশেষে খানিকটা স্বস্তি ফিরল ব্রিটিশ শিবিরে। প্রথম ম্যাচ না পারলেও, এদিন ইংল্যান্ডকে রানের পাহাড়ে পৌঁছে দেওয়ার প্রধান কারিগড় ছিলেন ডেভিড মালান। ব্রিটিশদের টপ অর্ডারের পারফরম্যান্সের সামনেই এদিন হার স্বীকার করতে হয় বাংলাদেশ ব্রিগেডকে।

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই এদিন বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন ডেভিড মালান। তাঁর হাত থেকে ছিল ছয় ও চারের বন্যা। সঙ্গে কখনোও জনি বেয়ারস্টো আবার কখনোও জো রুট। এই তিন ব্যাটারকে সামাল দিতে গিয়েই কার্যত ম্যাচ বাংলাদেশের হাত থেকে ফস্কে গিয়েছে এদিন।  বাংলাদেশের শরিফুল ও মেহেদী হাসানরা উইকেট তুলতে পারলেও, তাদের দেওয়া অতিরিক্ত রানই ম্যাচের ভাগ্য লিখে দিয়েছিল। প্রথমে ব্যাটিং করতে দেওয়ার সুযোগটা যে কত বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল তা ম্যাচ শেষেই বুঝতে পারছেন সাকিব অল হাসান।

১৪০ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরা ডেভিড মালান

টস জিতে এদিন প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব অল হাসান। সেটাই যে তাঁর সবচেয়ে  বড় ভুল চিল তা মাঠে নেমেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন ব্রিটিশ ব্যাটাররা। শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন জনি বেয়ারস্টো ও ডেভিড মালান। ওপেনিংয়েই ১১৫ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন তারা। বেয়ারস্টো অবস্য ৫২ রানেই সাজঘরে ফেরেন। কিন্তু ডেভিড মালানকে আটকানো এদিন অসম্ভব ছিল বাংলাদেশ বোলারদের পক্ষে। ডেভিড মালানের ১৪০ রানের ইনিংস জুড়ে রয়েছে ১৬টি চার ও পাঁচটি ছয়। সেইসঙ্গে যোগ্য সঙ্গত দিয়েছেন জো রুট।

জো রুট খেলেন ৮২ রানের ইনিংস। ইংল্যান্ডের জয়ের রাস্তাটা সেই সময়ই প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৩৬৪ রান করে ব্রিটিশ বাহিনী। ব্যাটারদের পর বোলাররাও ছথিলেন দুরন্ত ফর্মে। মাত্র ২৪ রানের মধ্যেই বাংলাদেশের ৩ ুইকেট তুলে নিয়েছিলেন ব্রিটিশ বোলাররা। শুরুতেই বাংলাদোশ শিবিরকে ধাক্কাটা দিয়েছিলেন রিস টপলি। সাকিব থেকে নাজমুল হোসেন শান্ত এবং তানদিজ হাসানকে সাজঘরের রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।  এদিন লিটন দাস অবশ্য একটা লড়াই করেছিলেন, কিন্তু ইংল্যান্ডকে হারানোর জন্য তা যথেষ্ট ছিল না।

লিটন দাসকে ৭৬ রানে থামিয়ে দিয়েছিলেন ক্রিস ওকস। মুশফিকুর রহিম অর্ধশতরান পেলেও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জেতার জন্য সেই লড়াই যথেষ্ট ছিল না।

close whatsapp