মার্কাস স্টয়নিসের বিধ্বংসী ইনিংস ও মহসিনের দুরন্ত শেষ ওভারে প্লেঅফের পথে লখনউ সুপার জায়ান্টস

Marcus Stoinis
Marcus Stoinis. ( Image Source: IPL )

মার্কাস স্টয়নিসের বিদ্বংসী ইনিংসটা মঞ্চটা প্রস্তুত করে দিয়েছিল। সেখানেই লনউ সুপার জায়ান্টস বোলারদের হার না মানা মনোভাবেই  বাজিমাত ক্রুণাল পান্ডিয়ার লখনউ সুপার জায়ান্টসের। ঘরের মাঠে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৫ রানে হারিয়ে আইপিএলের প্লে্ফের রাস্তায় এগিয়ে গেল লখনউ সুপার জায়ান্টস।  অন্যদি্কে মুম্বি ইন্ডিয়ান্স শিবিরে অস্বস্তি খানিকটা হলেও বাডল। এদিন রোহিত শর্মা এবং ঈসান কিষাণ শুরুটা ভাল করলেো, সেই ধারাটা ধরে রাখতে ব্যর্থই হয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ১৭৭ রানের জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে ১৭২ রানেই থামতে হয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে।

টস জিতে এদিন প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। শুরু থেকেই তাদের লক্ষ্য ছিল লখনউ সুপার জাায়ান্টসকে তাড়াতাড়ি শেষ করে দেওয়া। সেই পরিকল্পনায় শুরুর দিকে সফলও হয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ানন্সের পরিকল্পনা। ৩৫ রানের মধ্যে লখনউ সুপার জায়ান্টসের সেরা তিন ব্যাটারকে সাজঘরে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বোলাররা। দীপক হুডা, কুইন্টন ডিকক এবং প্রেরক মানকড়দের দ্রুতই সাজঘরের রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বোলাররা।

শেষ ওভারে মাত্র ৪ রান দিয়েছিলেন মহসিন খান

শুরু থেকেই তাদের ওপর চাপ বাড়াতে সুরু করেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। সেই পরিস্থিতি থেকেই ধীরে ধীরে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার দায়িত্বটা কাঁধে তুলে নেন ক্রিণাল পান্ডিয়া এবং মার্কাস স্টয়নিস। মম্বই ইন্ডিয়ান্সের বোলারদের বিরুদ্ধে শুরুর দিকে ধীরে চলো নীতি নিয়েই এগোতে শুরু করেছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। তাদের পার্টনারশিপে ভর করেই লখনউ কার্যত ম্যাচে ফিরেছিল। কিন্তু ১০০ রানের গন্ডী পার করার পরই লখনউ সুপার জায়ান্টস শিবিরে ফের চাপ বাড়ে। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন অধিনায়রক ক্রুণাল পান্ডিয়া। ১৫ ওভারের মাথায় এদিন লখনউ সুপার জায়ান্টসের রান ছিল ১০৮।
https://twitter.com/KKRiders/status/1658535348899815425


https://twitter.com/kunaalyaadav/status/1658535348539117568

সেই সময় থেকেই ধীরে ধীরে আক্রমণাক্মক পারফরম্যান্স দেখাতে শুরু করেছিলেন মার্কাস স্টয়নিস। আর ্মযাচের ১৭ ওভারে ক্রিস জর্ডনের ওভারে মার্কাস স্টয়নিসের তান্ডব দেখেছিল সকলে।  সেই থেকেই মার্কাস স্টয়নিসের ব্যাটে ছিল শুধুই চার ও ছয়ের বন্যা। শেষপর্যন্ত মাঠে ছিলেন তিনি। ৪৭ বলে ৮৯ রানের িনিংস খেলেন মার্কা স্টয়নিস।  তাঁর গোটা ইনিংস জুড়ে রয়েছে ৮টি ওভার বাউন্ডারি। একসময় যে রান ১৫০ পার হবে কিনা সন্দেহ হচ্ছিল। সেই রানই মার্কাস স্টয়নিসের হাত ধরে ১৭৭ রনে পৌঁছেছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস।

জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে এদিন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সও শুরুটা দুরন্ত করেছিলেন।  বহুদিন পর রোহিত শর্মার ব্যাটে দেখা গিয়েছিল  বড় টের ঝলক। ৯ ওভার ৪ বলের মধ্যেই ৯০ রানে পৌঁছে গিয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। সেই সময়ই ৩৭ রানে আউট হন রোহিত শর্মা। যদিও ক্রিজে ছিলেন ঈশান কিষাণ। কিছুক্ষণের মধ্যেই ৫৯ রানে তামেন ঈশান কিষাণ। সেই সুযোগটাই আর হাতছাড়া করেনি লখনউ সুপার জায়ান্টস বোলাররা। সেই থেকেই চাপ লবাড়ানো শুরু করেন লখনউ সুপার জায়ান্টস বোলাররা।

এদিন আর সূর্যকুমারের ব্যাট চলেনি। আর তাঁর উইকেট যওয়ার পর থেকেই মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ওপর চাপটাও বেড়ে যায়। যদিও টিম ডেভিড একটা চেষ্টা চালিয়েছিলেন। কি্ন্তু শেষরক্ষা করতে পারেনি তারা। শেষ ওভারে মহসিন খানের দুর্ধর্ষ স্পেলটাই শেষ করে দিয়েছিল মুম্বি ইন্ডিয়ান্সের সমস্ত স্বপ্নটা।

close whatsapp