পরিস্থিতি অনুযায়ী অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং অর্ডার পরিবর্তনে সায় দিলেন শেন ওয়ার্ন

স্টিভ স্মিথ সম্পর্কে পূর্বে দেওয়া অভিমত থেকেও সরে এলেন

Shane Warne
Shane Warne. (Photo by Daniel Pockett/Getty Images)

প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়ান স্পিনার শেন ওয়ার্ন মনে করেন যে অস্ট্রেলিয়া তাদের নিজেদের ব্যাটিং অর্ডার গুছিয়ে নিয়েছে, এবং সাম্প্রতিক সময়ে মোটামুটি সব ব্যাটারই ফর্মে আছে এবং সেসব বিবেচনা করে তাঁর মনে হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার সম্ভাবনা ভালোই। আশ্চর্যজনক হলেও এটা অনস্বীকার্য যে এই বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া ফেভারিট ট্যাগ নিয়ে খেলতে নামেনি।  বিশেষজ্ঞরাও তাদেরকে খুব বেশি দূর দেখতে পাওয়ার প্রত্যাশা রাখেননি। কিন্তু সবাইকে ভুল প্রমাণ করে দিয়ে অস্ট্রেলিয়া নিজ বলে সেমিফাইনালে উঠেছে।

তারা তাদের পাঁচটি খেলার মধ্যে চারটিতেই জিতেছে। গ্রুপ ১-এ ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে তারা যৌথভাবে ৮ পয়েন্টে শেষ করেছিল। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার চেয়ে উন্নত নেট রান রেট থাকায় প্রোটিয়াদের টপকে তারা শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে। তারা শুধুমাত্র ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই হেরেছে। এখন ডেভিড ওয়ার্নার তাঁর পুরনো ফর্ম ফিরে পাওয়ায় অস্ট্রেলিয়াকে এখন আরো ভয়ঙ্কর দেখাচ্ছে। এর আগে ছ’টি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হয়ে গেলেও তারা একবারও জিততে সক্ষম হয়নি। এই বছর সেই লজ্জার রেকর্ড ভাঙার সুবর্ণ সুযোগ অজিদের সামনে।

আমার শুরুর দিকের একাদশে স্মিথ থাকত না – শেন ওয়ার্ন

শেন ওয়ার্ন উল্লেখ করেছেন যে অস্ট্রেলিয়া ট্রফি তুলতে পারে কারণ অস্ট্রেলিয়ার জন্য সবকিছুই সঠিক সময়ে ক্লিক করা শুরু হয়েছে এবং মনে করছেন এখন অনেক বুদ্ধি করে স্মিথকে কাজে লাগানো হচ্ছে। তিনি এখনও পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার কৌশল দেখে প্রবলভাবে মুগ্ধ এবং অস্ট্রেলিয়ার সফল হওয়ার ব্যাপারে তিনি উচ্চাশা রাখছেন।

“এখন অজিদের ব্যাটিং অর্ডার ঠিক আছে এবং তারা ফর্ম খুঁজে পেয়েছে। তারা বিশ্বকাপ জিততে পারে। আমার শুরুর দিকের একাদশে স্মিথ থাকত না। কিন্তু মিস্টার ফিক্স হিসেবে তার ভূমিকা অনবদ্য। প্রথম দিকে উইকেট হারালে ওকে পাঠানো হোক এবং যদি শুরুতে উইকেট না যায় তবে সে নিচে নেমে আসবে এবং তার জায়গায় পাওয়ার হিটাররা (মার্শ, স্টয়নিস, ম্যাক্সওয়েল) নামুক,” টুইটারে শেন ওয়ার্ন লিখেছেন।

স্মিথ সম্পর্কে এর আগে ওয়ার্ন টুইট করেছিলেন, “অস্ট্রেলিয়ার দিক থেকে হতাশাজনক নির্বাচন মার্শকে বাদ দেওয়া এবং ম্যাক্সওয়েলকে পাওয়ারপ্লেতে ব্যাট করতে পাঠানো (তার সবসময় পাওয়ার প্লের পরে আসা উচিত)। স্টোইনিসের যাওয়া উচিত ছিল। অজিদের দিক থেকে দুর্বল কৌশল ও স্ট্র্যাটেজি দেখা গেল। আমি স্মিথকে ভালোবাসি কিন্তু তার টি/টোয়েন্টি দলে থাকা উচিত নয়। মার্শকে থাকতেই হবে!!”

অস্ট্রেলিয়া সুপার ১২ পর্বের গ্রুপ ১-এ দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে এবং তারা এখন পাকিস্তানের সাথে খেলবে, যারা সুপার ১২ পর্বের গ্রুপ ২-এর শীর্ষে ছিল। অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তান এখনও পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৬টি ম্যাচে পরস্পরের বিরুদ্ধে খেলেছে এবং উভয় দলই তিনবার করে জিতেছে।

১১ই নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তান দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে।

close whatsapp