কোহলির বিরুদ্ধে ভুয়ো ফিল্ডিংয়ের অভিযোগ আনলেন নুরুল হাসান
পুরো ম্যাচ জুড়ে আম্পায়ারের বেশ কিছু সিদ্ধান্ত প্রশ্নের মুখে পড়েছিল
আপডেট করা - Nov 3, 2022 11:07 am

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২২-এ আরও একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ দেখা গেল যখন ২রা নভেম্বর, বুধবার, ভারত অ্যাডিলেডে বাংলাদেশের মুখোমুখি হয়েছিল। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ভারত ৫ রানে জিতলেও বেশ কিছু ঘটনা বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশী ক্রিকেটার নুরুল হাসান অভিযোগ করেছেন ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ‘ভুয়ো ফিল্ডিং’ করেছেন ভারতের তারকা ব্যাটার বিরাট কোহলি।
লিটন দাসের শ্বাসরুদ্ধকর ইনিংস বাংলাদেশকে ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে রাখার সুযোগ দিয়েছিল। তবে বৃষ্টি নামার পরে আবার যখন খেলা শুরু হয় তখন ম্যাচের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে থাকে বাংলাদেশ। বৃষ্টির বিলম্বের পরে দ্রুত খেলা শুরু করার বিষয়ে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছিল। এবং ম্যাচের পরে বাংলাদেশী উইকেটকিপার-ব্যাটার নুরুল হাসান বিরাট কোহলির বেআইনি আচরণের একটি ঘটনা তুলে ধরেন।
উপরোক্ত ঘটনাটি ঘটেছিল দ্বিতীয় ইনিংসের সপ্তম ওভারে, যখন বিরাট কোহলি বলের সংস্পর্শে না থাকা সত্ত্বেও একটি থ্রোয়িং অ্যাকশন নকল করেন বলে মনে হয়েছিল।
“অবশ্যই, মাঠটি ভেজা ছিল এবং এটির প্রভাব ছিল সেটা সবাই দেখেছে। এ ছাড়া আমার যা মনে হয়েছে তা হল যে একটি ভুয়ো থ্রো হয়েছিল এবং সেখান থেকে পাঁচ রানের পেনাল্টি হতে পারত এবং সেটা আমাদের পক্ষে আসতে পারত। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তেমন কিছু হয়নি,” নুরুল ইএসপিএনক্রিকইনফো দ্বারা উদ্ধৃত হয়েছেন।
Law 41.5.1 states: "It is unfair for any fielder wilfully to attempt, by word or action, to distract, deceive or obstruct either batsman after the striker has received the ball."#T20WorldCup | #BANvIND pic.twitter.com/Ej8XRAqrHo
— KTH (@TajkirHossen14) November 2, 2022
আম্পায়াররা হস্তক্ষেপ করলে বাংলাদেশের পাঁচ পেনাল্টি রান পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল
নুরুলের মন্তব্য অযৌক্তিক ছিল না কারণ মেরিলবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) আইন 41.5, যা অন্যায্য খেলার সাথে সম্পর্কিত তাতে উল্লিখিত এই আইন, “ব্যাটারের ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি, প্রতারণা বা বাধা” নিষিদ্ধ করে৷” আম্পায়াররা যদি ঘটনাটিকে আইনের লঙ্ঘন বলে মনে করতেন, তাহলে বলটিকে ডেড বলা হতো এবং ব্যাটিং দলকে পাঁচ পেনাল্টি রান দেওয়া হতো।
বাংলাদেশী দলকে পাঁচ পেনাল্টি রান দেওয়া হলে ঘটনাটি ম্যাচের ফলাফলে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব রাখতে পারত, কারণ তারা শেষ পর্যন্ত পাঁচ রানের ব্যবধানেই ম্যাচ হেরেছিল। দীর্ঘ বৃষ্টি বিলম্বের পরে আবার যখন খেলা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তখনও বাংলাদেশী অধিনায়ককে খুব খুশি দেখায়নি এবং তাঁকে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গী করে আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গিয়েছিল। বাংলাদেশের অধিনায়ক পরে জানিয়েছেন ম্যাচ পুনরায় শুরু হওয়ার পরের কিছু ওভারে মাঠ পিছল ছিল।