“তুই একশো মার, আমরা ম্যাচ জিততে চলেছি” – মাশরাফির পেপ-টকে উজ্জীবিত তামিম
তামিমের ইনিংস সাজানো ১৭টি চার ও ৪টি ছয় দিয়ে
আপডেট করা - Jan 29, 2022 12:19 pm

তারকাসমৃদ্ধ ব্যাটিং লাইন-আপ নিয়েও ধারাবাহিকভাবে জয় আসছিল না মিনিস্টার ঢাকার। যদিও গতকাল সিলেট সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে যে ছন্দে ঢাকা জিতল তা দেখে মনে হবে না যে দলে ব্যাটারদের ধারাবাহিকতার অভাব। বিপিএলের এবারের সংস্করণে তামিম ইকবাল এর আগে দুটি হাফ সেঞ্চুরি করলেও সিলেটের বিরুদ্ধে এল একটি চোখধাঁধানো শতরান।
সেই ম্যাচের পরে বেরিয়ে এল একটি অজানা তথ্য। কে জানত দেড় দশকেরও বেশী সময়ের অভিজ্ঞ ব্যাটার তামিম একবালেরও পেপ-টকের প্রয়োজন হয়! ম্যাচের পর কাহিনীটি প্রকাশ করলেন মাশরাফি মোর্তাজা। তিনি জানালেন তাঁর কথাতেই ভরসা পান তামিম। তিনি ম্যাচের আগে বলেছিলেন তামিম শতক হাঁকালে ম্যাচ জিতবে মিনিস্টার ঢাকা। আর আসলে হলও তাই। তামিমের করা সেঞ্চুরির জোরেই ৯ উইকেটে জিতে ঢাকা মূল্যবান পয়েন্ট ঘরে তুলল।
মাশরাফি পেপ-টকে অন্যদের উপর ভরসা না করে প্রত্যেককে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান
টিমের দুর্দিনে মাশরাফি প্রথম কয়েকটি ম্যাচ খেলতে পারেননি। নিজে ফিরে এলেও জেতাতে পারেননি। চার ম্যাচ খেলে তিনটিতে হার ঢাকার। ম্যাচের আগের রাতেই নিজের কাঁধে দায়িত্ব তুলে নিয়ে মাশরাফি তামিমকে বলেছিলেন বিদেশিদের ওপর নির্ভর না করে তামিমকেই এগিয়ে এসে ব্যাটিংয়ের হাল ধরতে হবে।
ম্যাচ শেষে টিম মিটিংয়ে মাশরাফি বলেছেন, “এই পরিস্থিতিতে যখন আমরাই এসেছি, তখন আমাদেরই বের হতে হবে। নিজের ওপর ভরসা রাখা জরুরী। কাল তামিমকে বলেছিলাম ‘তামিম, বিদেশিদের দিকে না তাকিয়ে নিজের দিকে তাকা। তুই একশো মার, তোর সেই সামর্থ্য আছে, কাল আমরা ম্যাচ জিততে চলেছি।’ আর আজ তামিমও একশো করল এবং দলও জিতল।”
মাশরাফি আরও বলেন, “কাল তামিম আবার ভালো খেলতে পারে। বা অন্য কেউ ভালো খেলবে। নিজেরাই এই অবস্থায় এনেছি দলকে, নিজেদেরই এখান থেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। অন্যদের উপর ভরসা করে লাভ নেই। ২২ গজে নিশ্চিত করতে হবে যে এটা তোমারই দিন। যতক্ষণ ক্রিজে থাকব নিশ্চিত করব, আজকের দিনটা আমার।”
মাঠে নামার পর সেটাই নিশ্চিত করেছেন তামিম। সিলেটের লেন্ডল সিমন্স সেঞ্চুরি করে একটি বড় স্কোর খাড়া করতে সাহায্য করেছিলেন তাঁর দলকে। ১৭৬ রানের লক্ষ্য সহজ ছিল না তাসকিন আহমেদ, সোহাগ গাজীদের বিরুদ্ধে। কিন্তু কোন কিছুর পরোয়া না করে মারকুটে মেজাজে ব্যাটিং করে ৬৪ বলে ১১১ রানে অপরাজিত থাকেন তামিম ইকবাল।