পুরুষ দলের মতো ইংল্যান্ডের মহিলা দলও এই মন্ত্রেই সাফল্য পেতে চায় টি-২০ বিশ্বকাপে

২০০৯-এ শেষবার মহিলাদের টি-২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া

Heather-Knight
Heather Knight. (Image source: Twitter )

২০০৯-এ মহিলাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী সংস্করণ জেতার পর থেকে একাধিকবারের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও ইংল্যান্ড সেই বীরত্বপূর্ণ পারফর্ম্যান্স পুনরাবৃত্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে। তবে অধিনায়ক হেদার নাইট দক্ষিণ আফ্রিকায় আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ভাগ্য পরিবর্তন করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। ১০ই ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে টুর্নামেন্টের অষ্টম সংস্করণ।

তিনি প্রকাশ করেছেন যে ইংল্যান্ড দল টুর্নামেন্টে আক্রমনাত্মকধর্মী ক্রিকেট খেলবে। বিনোদনমূলক ক্রিকেট খেলার দিকে মনোনিবেশ করছেন তাঁরা। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে তারা ইংল্যান্ডে ট্রফি ফিরিয়ে আনা নিশ্চিত করার জন্য তাঁদের সমস্ত ক্ষমতা উজাড় করে দেবেন।

“আমরা ২০০৯ সাল থেকে ট্রফি তুলিনি এবং আমরা এটা শোধরাতে চাই। ২০২০-তে সিডনিতে বৃষ্টির হস্তক্ষেপের আগে আমরা দুর্দান্ত জায়গায় ছিলাম তবে কোভিড-১৯ এবং সেই সংক্রান্ত নানা কারণের জন্য সেসবকে গত জীবনের মতো মনে হয়। আমরা আক্রমণাত্মক হতে চাই। খেলা যখন ভারসাম্যতে থাকবে তখন আমরা ইতিবাচক বিকল্পটি বেছে নিতে চাই এবং আমরা বিনোদন দিতে চাই। আমরা আমাদের দিনে যে কোনো দলকে হারাতে পারি। আমাদের কাজ হবে যতটা সম্ভব আক্রমণাত্মক হওয়া, খেলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং আমাদের শক্তিকে সমর্থন করা,” আইসিসির একটি কলামে নাইট জানিয়েছেন।

তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশেল থাকা দলের সাফল্য পাওয়া নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হেদার নাইট

গত বছর নিতম্বের চোটের কারণে বেশ কিছুদিন খেলার বাইরে ছিলেন অধিনায়ক। ন্যাট সিভার-ব্রান্টও কিছু ম্যাচ খেলেননি মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে মনোনিবেশ করার উদ্দেশ্যে। ফলে চার্লি ডিন ও অ্যালিস ক্যাপসির মতো অনেক তরুণ খেলোয়াড় বড় মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ পেয়েছিলেন এবং তাঁরা শেষ পর্যন্ত সুযোগগুলি কাজে লাগিয়েছিলেন। নাইট বিশ্বাস করেন যে তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার একটি নিখুঁত ভারসাম্য রয়েছে তাঁদের এবং এর ফলে আবারও শিরোপার জন্য চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন তাঁরা।

“গত গ্রীষ্মে আমরা কয়েকজন খেলোয়াড় ছিল না, যার মধ্যে আমি নিজেও অন্তর্ভুক্ত এবং পারফর্ম্যান্সের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি কঠিন হলেও আমাদের কিছু তরুণ খেলোয়াড়কে উন্মোচিত করে তাদের বড় মঞ্চে তাদের দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি বেশ মূল্যবান ছিল।

“এর ফলে তরুণ খেলোয়াড়দের একটি দল সামনে আসছে এবং আমাদের ভবিষ্যতের জন্য সেটা উত্তেজনাপূর্ণ। চার্লি ডিন, লরেন বেল, অ্যালিস ক্যাপসি এবং মাইয়া বুুশিয়ারের মতো অনেকে প্রথমবারের জন্য আইসিসি মহিলা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নামবে। পাশাপাশি টি-টোয়েন্টিতে সাফল্যের জন্য আমাদের অনেক সিনিয়র খেলোয়াড়ও আছে,” নাইট শেষে উল্লেখ করেছেন।

close whatsapp