কেন কেকেআরের হয়ে নিয়মিত বোলিং করছেন না, কারণ জানালেন শার্দূল ঠাকুর

চলমান মরসুমে মাত্র ১৪.৫ ওভার বোলিং করে ৪ উইকেট নিয়েছেন শার্দূল

Shardul Thakur
Shardul Thakur. (Image Source: IPL/BCCI)

কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)-এর অলরাউন্ডার শার্দূল ঠাকুর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২৩-এ নিয়মিত বোলিং করছেন না। কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল যে তিনি চার ওভারের স্পেল বোলিং করার জন্য যথেষ্ট ফিট নন এবং আইপিএলের ঠিক পরেই শুরু হতে যাওয়া ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের জন্য কেকেআর তাঁকে চাপ দিতে চায়ছে না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের পরামর্শ মেনে।

চলমান টুর্নামেন্টে শার্দূল ৮ ম্যাচ খেলে মাত্র ১৪.৫ ওভার বোলিং করেছেন এবং মাত্র চার উইকেট নিয়েছেন। তবে শার্দূল চোটের যাবতীয় গুজব উড়িয়ে দিয়েছেংবোলিং কম করা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শার্দূল জানিয়েছেন যে কেকেআর অলরাউন্ডারে পূর্ণ একটি দল এবং সেই কারণে তাঁকে কেবল তখনই বোলিং করতে ডাকা হয়, যখন দলের অত্যন্ত প্রয়োজন হয়।

“আন্দ্রে রাসেল, সুনীল (নারিন) সহ অলরাউন্ডারে পূর্ণ আমাদের দল… আমাদের কাছে সর্বাধিক আটটি বোলিং বিকল্প রয়েছে যার মধ্যে নীতীশ (রানা)ও রয়েছে যে প্রায়ই এক বা দুই ওভার বল করে,” সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেছেন শার্দূল।

আশা করি, যখনই আমি বল পাব, আমি দায়িত্ব পালন করব: শার্দূল ঠাকুর

“এটা নির্ভর করে খেলার পরিস্থিতির ওপরও। অধিনায়ক যদি আমাকে বোলিং করানোর প্রয়োজন মনে করে বা আমাকে দিয়ে বোলিং না করায় তা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে তার ওপর। দলের কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়ে আমি খুব বেশী মনোযোগ দিই না,” কেকেআরের কৌশল সম্পর্কে বলেছেন শার্দূল।

“আমার একটা ছোট চোট ছিল, তাই আমি কয়েকটি ম্যাচ খেলিনি। যখন আমি ফিরে আসি, তখন আমি বোলিং করিনি কারণ আমি বোলিং-ফিট ছিলাম না। তবে হ্যাঁ, এখন আমি বোলিংয়ে ফিরে এসেছি এবং আশা করি, যখনই আমি বল পাব, আমি দায়িত্ব পালন করব,” তিনি আরও যোগ করেছেন।

ভারতীয় দলের বেশ কয়েকজন পেসার চোটের কারণে দলের বাইরে থাকায় বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একাদশে জায়গা করে নিতে পারেন শার্দূল। জাসপ্রিত বুমরাহ্‌ প্রায় নয় মাস খেলা থেকে বাইরে। উমেশ যাদব ও জয়দেব উনাদকাটের ফিটনেস নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। শার্দূল জানিয়েছেন ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট জরুরী এবং আধুনিক দিনের ক্রিকেটে অলরাউন্ডারের পক্ষে এটি সহজ নয়।

“এটা কঠিন এবং কখনই সহজ নয়। শারীরিক দিক থেকে এটি কঠিন কারণ আপনি যখন অনুশীলনে যান, তখন আপনাকে আক্ষরিক অর্থেই সবকিছু করতে হবে – ফিল্ডিং অনুশীলন, বোলিং এবং ব্যাটিং। তার উপরে, আপনাকে ফিট থাকার জন্য কিছুটা দৌড়তে হবে। কিন্তু এটাই আধুনিকে দিনের ক্রিকেটের চ্যালেঞ্জ যে আপনাকে শরীরের খেয়াল রাখতে হবে ফিট থাকার জন্য,” শার্দূল শেষে বলেছেন।

close whatsapp