বিরাটের এই পারফরম্যান্স সমালোচকদের জবাব, ম্যাচ শেষেই মন্তব্য রবি শাস্ত্রীর
আপডেট করা - Oct 23, 2022 8:10 pm

মেলবোর্ন ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নব্বই হাজার সমর্থক। সেখানেই এক স্বপ্নের ইনিংস খেললেন বিরাট কোহলি। বরাবরই বিরাটের পাশে থেকেছেন। এমন একটা ইনিংসেরপর যে রবি শাস্ত্রী বিরাট কোহলির হয়ে মুখ খুলবেন সেটাই স্বাভাবিক। বিরাট কোহলির থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে একটা অসাধারণ ইনিংসের প্রত্যাশাতেই ছিলেন রবি শাস্ত্রী। সেই ইনিংস দেখার পরই বিরাচের হয়ে বোধহয় জবাবটা তিনিই দিলেন। তাঁর মতে এমসিজি-তে বিরাট কোহলির এই ইনিংসটাই ,সমস্ত সমালোচকদের উদ্দেশ্যে বিরাট জবাব।
দীর্ঘদিন বিরাট কোহলির ব্যাটে রান নেই। ভারতের প্রতিটি ম্যাচেই কার্যত তাঁর দিকে প্রশ্নের বান ছুটে আসত।টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দা.িত্ব নিজেই ছেড়েছিলেন। এরপর একে একে টেস্ট ও একদিনের অধিনা.ক্ব থেকেও সরে এসেছিলেন। কিন্তু বিরাট কোহলির পারফরম্যান্স নিয়ে কথা থামছিল না। চলেই যাচ্ছিল। জবাব দেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন বিরাট কোহলিও। হয়ত সেই জবাবটাই এদিন দিলেন ৯০ হাজার সমর্থকের সামনে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড থেকে।
বিরাট কোহলির এই পারফরম্যান্সকেই সেরা বলছেন রবি শাস্ত্রী
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এক অতিমানবিক পারফরম্যানম্স এদিন দেখিয়েছেন বিরাট কোহলি কঠিন পরিস্থিতিতে যেমন দলের হাল ধরেছিলেন তিনি। ঠিক তেমনই সময় যত এগিয়েছে ততই ভয়হ্কর হয়ে উঠেছিলেন বিরাট কোহলি। প্রতিপক্ষ শিবিরে থাকা বোলাররা ক্রমশই নাস্তানাবুদ হয়েছে বিরাটের দাপটের সামনে। শেষপর্যন্ত ক্রিজে থেকে এদিন মাঠ ছেড়েছিলেন বিরাট কোহলি। ৫৩ বলে এদিন ৮২ রানের দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলেছিলেন বিরাট কোহলি। আর বিরাটের ব্যাট থেকে এমন পারফরম্যান্স দেখেই আপ্লুত হয়েছেন রবি শাস্ত্রী।
এই প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, “এই পারফরম্যান্সের মানেটা আমার কাছে অনেক। অন্তত শেষ কয়েকওভারে তিনি যেভাবে নিজের মানসিক শক্তি ধরে রেখেছিলেন। বিশেষ করে বিরাট কোহলির কাছে যে এওটা কতটা বিশেষ তা আমি বুঝতে পারছি। শেষ তিনবছর তাঁর ওপর দিয়ে কী বয়ে গিয়েছে, তা আমি জানি। যদি তিনি সকলকে জবাব দেওয়ার জন্য এই মঞ্চটাই বেছে নিয়ে থাকেন তবে একেবারে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আদকের এই পারফরম্যান্স দিয়ে সকলকে একেবারে চুপ করিয়ে দিয়েছেন বিরাট কোহলি। অসাধারণ দক্ষতার প্রদর্শন করেছেন তিনি”।
এদিন বিরাট কোহলি হার্দিক পান্ডিয়াকে নিয়ে যেমন বিল্ডআপ গেম খেলেছেন। তেমনই সময় যখন হয়েছে তখন প্রতিপক্ষ বোলারদের বিরুদ্ধে বিরাট শট নিতেও পিছপা হননি। পাকিস্তানের মতো দলের বিরুদ্ধে যে মানসিক দৃড়চার পরিচয় তিনি দিয়েছেন, তা দেখে সকলেই এদিন মুগ্ধ হয়েছে। তাঁর ব্যাটে যেমন ছিল অএসাধারণ বাউন্ডারি। তেমনই বিরাট মেলবোর্নে কোহলি হাঁকিয়েছিলেন লম্বা ওভার বাউন্ডারিও। ম্যাচ শেষে বিরাটের চোখে দেখা গিয়েছিল এদিন জল।
আকাশের দিকে তাকিয়েই কেঁদে ফেলেছিলেন তিনি। হয়ত এতদিন পর বিশ্বকাপের মঞ্চে অসাধারণ ইনিংস দিয়ে প্রত্যাবর্তন করতে পারার আনন্দেরই জল ছিল বিরাট কোহলির চোখে।