জয়ের কাছে এসেও বৃষ্টির কারণে দুই পয়েন্ট অধরা দক্ষিণ আফ্রিকার

পুরো ম্যাচ জুড়ে মাত্র ১২ ওভার সম্পূর্ণ করা গেল

South Africa Team
South Africa Team. (Photo by Steve Bell – ICC/ICC via Getty Images)

হোবার্টের বেলেরিভ ওভালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে জিম্বাবোয়ে এক পয়েন্ট নিয়ে ফিরতে পারার জন্য নিজেদের ভাগ্যবান মনে করবে নিঃসন্দেহে। বৃষ্টির কারণে দুই আফ্রিকান দল নিজেদের মধ্যে পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে বাধ্য হয়েছে। বৃষ্টি-বিঘ্নিত ম্যাচে জিম্বাবুয়ে তাদের নয় ওভারে ৮০ রান করার পর, প্রোটিয়ারা জয় থেকে যখন মাত্র কয়েক রান দূরে, তখন বৃষ্টি এসে ম্যাচ পুরোপুরি ভেস্তে দেয়।

প্রথম ওভারে কুইন্টন ডি ককের বিধ্বংসী প্রহারের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের ইনিংস শুরু করেছিল অনবদ্য ভঙ্গিতে। তেন্ডাই চাতারার সেই ওভারে ২৩ রান উঠেছিল, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচের প্রথম ওভারে সবচেয়ে বেশী রান। যে কোন সময় বৃষ্টি নামতে পারে, এমন পরিস্থিতিতে ডি ককের এমন আগ্রাসী শুরু দলের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল।

এরপর প্রোটিয়া ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের সময় বৃষ্টি আসে, যার ফলে তাদের ৯ ওভারে ৮০ রানের লক্ষ্য কমে দাঁড়ায় সাত ওভারে ৬৪ রান। সাময়িক বৃষ্টির পরে ম্যাচ আবার শুরু হয় এবং ডি কক তাঁর আগ্রাসী মেজাজেই ব্যাটিং চালিয়ে যান। দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর যখন তিন ওভারে ৫১ রান, তখন আবারও বৃষ্টি বাধা সৃষ্টি করেছিল। আউটফিল্ডের পিচ্ছিল অবস্থার কারণে খেলোয়াড়দের চোট পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল বলে জিম্বাবোয়ে অধিনায়ক আম্পায়ারদের কাছে ম্যাচ বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। এরপর আর খেলা শুরু করা যায়নি। ডি ককের ১৮ বলে ৪৭ রান বৃথা যায় কারণ ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষিত হয়।

প্রথম ইনিংসে ওয়েসলি মাধভেরের ক্যামিও জিম্বাবোয়েকে খেলায় টিঁকিয়ে রাখে

ম্যাচের শুরুতে জিম্বাবোয়ে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। যদিও টসের পরেই বৃষ্টি নামে এবং ম্যাচ ২০ ওভার থেকে কমে ৯ ওভারের জন্য নির্ধারিত হয়। পাওয়ারপ্লে মাত্র তিন ওভারে নেমে আসে। জিম্বাবোয়ের অধিনায়ক ক্রেগ আরভিন ও তাঁর সতীর্থরা শুরু থেকেই আগ্রাসী হওয়ার চেষ্টা করলেও দক্ষিণ আফ্রিকার পেসাররা নিয়মিত উইকেট তুলে জিম্বাবোয়েকে প্রাথমিক ওভারে বাউন্ডারি মারা থেকে সীমাবদ্ধ রেখেছিল।

ওয়েন পার্নেল, লুঙ্গি ঙ্গিডি মিলে প্রথমতিন ওভারে তিন উইকেট নেওয়ার পরে ডেভিড মিলারের সরাসরি থ্রোয়ে শন উইলিয়ামস যখন আউট হন তখন জিম্বাবোয়ের স্কোর ৩.৪ ওভারে ১৯/৪। সেই পরিস্থিতি থেকে দলকে লড়াই করার মতো স্কোরে পৌঁছে দেয় ওয়েসলি মাধেভেরে ও মিল্টন শুম্বার ৬০ রানের পার্টনারশিপ।

২২ বছর বয়সী ওয়েসলি মাধভেরে মাত্র ১৮ ডেলিভারিতে ৩৫ রানের পাল্টা-আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলেছিলেন। কাগিসো রাবাডার একটি ওভারে ১৭ রান ওঠে, যেখানে মাধেভেরের ব্যাট থেকে আসে ১৬ রান। এ ছাড়া উইকেটকিপার ডি ককের গ্লাভস মাটিতে পড়ে থাকা অবস্থায় বল লাগায় অতিরিক্ত ৫ রান পায় জিম্বাবোয়ে। 

দক্ষিণ আফ্রিকার দুর্ভাগ্য দেখে টুইটারের প্রতিক্রিয়া

close whatsapp