সোফি ডাঙ্কলে-হার্লিন দেওলের হাত ধরে প্রথম জয় গুজরাত জায়ান্টসের

Gujrat Giants Win
Gujrat Giants Win. ( Photo Source: Twitter/WPL )

সোফিয়া ডাঙ্কলে এবং হার্লিন দেওলের জোড়া অর্ধশতরানের ইনিংসেই এদিন ম্যাচের ভাগ্য প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল। পরপর দুই ম্যাচে হারের পর রয়্যাল চ্যালেঞ্জারপ্স বেঙ্গালুরুকে হারিয়েই এবারের ডব্লুপিএল জয়ের সরণীতে ফিরল গুজরাত জায়ান্টস। স্মৃতি মন্ধনাদের রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে ১১ রানে হারাল স্নেহ রানার গুজরাত জায়ান্টস। সোফি ডাঙ্কলারে দ্রুততম অর্ধশতরানের ঝোড়ো পারফরম্যান্স এবং হার্লিন দেওলের ৬৭ রানের সৌজন্যেই ডব্লুপিএলের প্রথম জয়ের মুখ দেখল গুজরাত জায়ান্টস। ২০১ রানের জবাবে নেমে ১৯০ রানেই থামতে হয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে।

টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন গুজরাত জায়ান্টসের অধিনায়ক স্নেহ রানা। পরপর দুই ম্যাচেই হারতে হয়েছিল এবার গুজরাত জায়ান্টসকে।  সেই ধারা বদলাতেই মরিয়া ছিল গুজরাতের জায়ানটরা। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে শুরু থেকেই বড় রানের লক্ষ্যে ছিল এদিন গুজরাত জায়ান্টস। ব্যাট হাতে শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন সোফি ডাঙ্কলার। কার্যত গুজরাতের বড় রানের রাস্তাটা যে তিনিই প্রশস্ত করে দিয়ে গিয়েছিলেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ১৮ বলে অর্ধশতরান করেছিলেন তিনি।

৬৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরা হয়েছেন সোফি ডাঙ্কলে

২৮ েবলে ৬৫ রানের ইনিংস খেলেই এদিন সাজঘরে ফিরেছিলেন সোফি ডাঙ্কলার। যদিও গুজরাত জায়ান্টসের বড় রানের লক্ষ্যে পৌঁছতে খুব একটা অসুবিধা হয়নি।  সোফি ডাঙ্কলার সাজঘরে ফিরে গেলেও, গুজরাত জায়ান্টসের রানের গতি কিন্তু থামেনি। হাকিটা সামলে দেন হার্লিন দেওল। এই দুই ক্রিকেটারের হাত ধরেই প্রথমবার এবারের ডব্লুপিএলে দুশো রানের গন্ডী টপকেছিল গুজরাত জায়ান্টস। হার্লিন দেওল করেন ৪৫ বলে ৬৭ রান। তাঁর গোটা ইনিংস জুড়ে রয়েছে ৯টি চার ও ১টি ওভার বাউন্ডারি।

শেষের দিকে হেমলতার ৭ বলে ১৬ রানের সৌজন্যে ২০১ রানে পৌঁছয় গুজরাত জায়ান্টস। জয়ের জন্য এদিন গুজরাত জায়ান্টসের বোলারদের হাতে যথেষ্ট রানই কিন্তু ছিল। তবে লড়াই করার চেষ্টাটা রয়্যাল চ্যালেঞ্জারেস বেঙ্গালুরুও করেছিল। স্মৃতি মন্ধনা এদিনও চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছিলেন। তবো সোফি ডিভাইন লড়াইটা করার চেষ্টা চালিয়েছিলেন। যদিও শেষরক্ষা করতে পারেননি। তিনি থামেন ৬৬ রানের ইনিংস খেলেই। বল হাতে গুজরাত জায়ান্টসের হয়ে দুরন্ত পারফর্ম্যান্স দেখিয়েছিলেন এদিন  অ্যাশলে গার্ডনার।

স্মৃতি মন্ধনার পাশাপাশি এই মুহূর্তে বিশ্ব টি টোয়েন্টিতে অন্যতম বিধ্বংসী ক্রিকেটার রিচা ঘোষকেও থামিয়ে দেন তিনিই। আর এটাই যে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে খাদের কিনারে ঠেলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অ্যাশলে গার্ডনার একাই তুলে নিয়েছেন এদিন তিন উইকেট। হিদার নাইট শেষের দিকে লড়াইটা করার চেষ্টা করলেও, গুজরাত জায়ান্টসকে হারানোর জন্য তা এদিন যথেষ্ট ছিল না।

close whatsapp