ব্যর্থ হল ওয়াশিংটন সুন্দরের একার লড়াই, নিউ জিল্যান্ডের কাছে ২১ রানে হার ভারতের

New Zealand beat india
New Zealand beat india. (Image Source: Twitter )

ওয়াশিংটন সুন্দর একা লড়াইটা করলেও, নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষরক্ষা করতে পারলেন না। যোগ্য সঙ্গতের অভাবেই ব্যর্থ হয়ে গেল এদিন ও.য়াশিংটন সুন্দরের অর্ধশতরানের ইনিংসটা। যদিও বল হাতে শেষ ওভারে অর্শদীপ সিংয়ের ২৭ রানটাই যে এদিন ভারতের হাত থেকে ম্যাচ টা বের করে দিয়েছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। একদিনের সিরিজ জিতলেও, ঘরের মাঠে টি টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচেই হেরে গেল টিম ইন্ডিয়া। ধোনির শহরে নিউ জিল্যান্ডের কাছে প্রথম ম্যাচেই ২১ রানে হেরে ভারতীয় দল।

স্পিনারদের দাপটে এদিন ভার কিন্তু সুরু থেকে অ্যাডভান্টেজেই ছিল। ওয়াশিংটন সুন্দর, কুলদীপ যাদবদের হাত ধরে এদিন নিউ জিল্যান্ডকে কম রানেই বেঁধে রেখার চেষ্টা চালাচ্ছিল ভারতীয় দল। কিন্তু ড্যারিল মিচেলের শেষ মুহূর্তের ব্যাটিংটাই  যেন সমস্ত হিসাব বদলে দিয়েছিল এবং সেই সঙ্গে শেষ মুহূর্তে অর্শদীপ সিংয়ের শেষ ওভারের স্পেলটাই য়ে এদিনের ম্যাচে সমস্ত পার্থক্য গড়ে দিয়েছিল তাও বলার অপেক্ষা রাখে না। তিনি এক ওভারে একাই দিয়েছিলেন ২৭ রান। আর তাতেই ম্যাচের ভবিষ্যত্ নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল।

৫৯ রানের ইনিংস কেলে ম্যাচের সেরা হয়েছেন ড্যারিল মিচেল

টস জিতে এদিন প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারতীয় দলের অধিনায়ক হর্দিক পান্ডিয়া। শুরু থেকেই নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটারদের চাপে রাখার কৌশল ছিল তাঁর। ওয়াশিংটন সুন্দরের হাত ধরে পাওয়ার প্লের মদ্যেই তাদের দুই উইকেট তুলে নিয়েছিল ভারত। পাওয়ার প্লে-তে ৪৩ রানই করতে পেরেছিলেন তারা। তবে ভারতীয় দলের পেসাররা  এদিন সেভাবে সফল হতে পারেননি। হার্দিক পান্ডিয়া থেকে অর্শদীপ সিং সকলেই ব্যর্থ হয়েছিলেন বল হাতে।


https://twitter.com/AkshatOM10/status/1619017034523877377

শেষ ওভারে বোলিং করতে এসেছিলেন অর্শদীপ সিং।  প্রথম বলেও নো বল করেন তিনি, সেখানে ড্যারিল মিচেল ছয় মারকে এতটুকু ভুল করেননি। পরপর দুই বলে দুটো ছয় হাঁকিয়ে অর্ধশতরান করে ফেলেছিলেন ড্যারিল মিচেল। শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন ড্যারিল মিচেল। ৩০ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলে নিউ জিল্যান্ডকে ১৭৬ রানে পৌঁছে দেন ড্যারিল মিচেল। আর সেটাই যেন কিউইদের জয়ের রাস্তাটা পরিষ্কার করে দিয়েছিল।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ভারতীয় দলের ব্যাটাররা সমস্যায় পড়েছিল। টপ অর্ডারে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছিলেন ঈশান কিষাণ, শুভমন গিল থেকে রাহুল ত্রিপাঠিরা। মাত্র ১৫ রাানের মধ্যেই ৩ উইকেট খুইয়ে চাপে  পড়ে গিয়েছিল ভারতীয় দল। যদিও হার্দিক পান্ডিয়া এবং সূর্যকুমার যাদব একটা পার্টনারশিপ গড়ার চেষ্টা চালিয়েছিল। কিন্তু ৪৪ রানেই সাজঘরে ফেরেন সূর্যকুমার। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরে যান হার্দিকও। সেই সময় থেকেই লড়াইটা সুরু করেন ওয়াশিংটন সুন্দর।

যোগ্য সঙ্গত পেলে এদজিন বোধহয় ম্যাচের চিত্র বদলে দিতে পারতেন তিনি। কিন্তু একার লড়াইটা ক্রমশই কঠিন হয়ে পড়ছিল তাঁর সামনে। সেখানে ২৮ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেললেও  লড়াই হেরেই মাঠ ছাড়তে হল তাঁকে।

close whatsapp