হারিস রওফকে বিরাটের পরপর দুই বলে দুটো ছয়ই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট, মনে করছেন রোহিত শর্মা

Rohit Sharma
Rohit Sharma. (Photo Source: BCCI)

গতবার টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে পাকিস্তানের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল ভারতীয় দলের। এবারের বিশ্বকাপের মঞ্চেও সেই পাকিস্তানই ছিল ভারতের প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষ। সেখানেই বিরাট কোহলির হাত ধরে মধুর প্রতিশোধ নিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। পাকিস্তানকে হারিয়ে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে যাত্রা শুরু করেছে তারা। আর তাতেই সকলে আপ্লুত। এই মুহূর্তে বিরাট কোহলির পারফরম্যান্স নিয়েই নেমেছে শুভেচ্ছা বার্তার ঢল। সেখানেই শেষপর্যন্ত বিরাট কোহলির বিশেষ পারফরম্যান্স নিয়ে মুগ্ধ রোহিত শর্মা।

রোহিত শর্মা থেকে লোকেশ রাহুল, সূর্যকুমার যাদব সকলেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছিলেন। সেখানেই পিচে একাহাতে ভারতীয় দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। সঙ্গে ছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৫৩ বলে ৮২ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলেছিলেন বিরাট কোহলি। তাঁর হাত ধরেই পাকিস্তানকে হারিয়ে গতবারের হারের মধুর প্রতিশোধ নিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। ম্যাচ শেষে সেই বিরাট কোহলিকেই প্রশংসায় ভরালেন রোহিত শর্মা।

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১০০ রানের পার্টনারশিপ গড়েছিলেন বিরাট কোহলি ও হার্দিক পান্ডিয়া

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সময় যত এগিয়েছে ততই ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছিলেন বিরাট কোহলি। একাই কার্যত পাকিস্তানের বোলিং ব্রিগেডকে শেষ করে দিয়েছিলেন তিনি। আর বিরাটের এমন ব্যাটিং পারফরম্যান্স দেখেই আপ্লুত হয়েছিলেন তিনি। বিশেষ করে হারিস রওফের ওভারে বিরাট কোহলির পরপর দুই বলে দুটো ওভার বাউন্ডারি দেখেই সবচেয়ে বেশী খুশি হয়েছিলেন রোহিত শর্মা। তাঁর মতে গোটা ম্যাচে সেটাই নাকি ভারতেরক জয়ের অন্যতম প্রধান মুহূর্ত। জয়ের চাবিকাঠিও বলতে দ্বিধা করেননি তিনি।

এই প্রসঙ্গেই রোহিত শর্মা জানিয়েছিলেন, “আমাদের সবসময়ই বিশ্বাস ছিল যে সেই পরিস্থিতি থেকে ভারতকে জেতানোর ক্ষমতা রয়েছে তাদের। অবশ্যই কাজটা তত সহজ ছিল না। শেষ পাঁচ ওভারে আমাদের প্রয়োজন ছিল প্রায় ৬০ রান। কিন্তু পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এই পার্টনারশিপটাই ছিল আমাদের সবচেয়ে সেরা। হারিস রওফের ওভারে সেই পরপর দুটো ছয়ই ম্যাচের আসল টার্নিং পয়েন্ট ছিল। সেই পারফরম্যান্সটার পরই ম্যাচটা আমাদের অনেকটা কাছে চলে এসেছিল”।

বিরাট কোহলি মাঠে নামার পর থেকেই এদিন মাটি আঁকড়ে পড়েছিলেন। ধীরে ধীরে হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে সেঞ্চুরী পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন তিনি। সেইসঙ্গেই ভারতীয় দলের জয়ের রাস্তাটাও সেদিন পাকা করে ফেলেছিলেন বিরাট কোহলি। আরতাতেই হাসি ফুটেছিল রোহিত শর্মা সহ বাকি সকলের মুখে। ম্যাচ শেষে বিরাটকে মাঠেই কোলে তুলে ফেলেছিলেন রোহিত । এখন ভারতীয় ড্রেসিংরুম যে শুধুই বিরাট ময় তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

close whatsapp