টুইট বিভ্রাটে জড়ালেন দিমুথ করুণারত্নে, ৩ বছরের পুরনো টুইটের উত্তর দিয়ে বসলেন হর্ষ ভোগলেকে
হর্ষ ভোগলের দিক থেকে যদিও কোন প্রত্যুত্তর আসেনি
আপডেট করা - Mar 16, 2022 4:37 pm

সোমবার (১৪ মার্চ) বেঙ্গালুরুতে ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে একা লড়াই করেছিলেন। গোলাপী-বল টেস্টে উচ্চ শ্রেণীর স্পিন বোলিংয়ের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত কৌশল দেখিয়ে একটি কঠিন পিচে তিনি একটি অনবদ্য সেঞ্চুরি করেছিলেন। তাঁর ব্যাটিংয়ের জন্য ক্রিকেট মহলের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাঁকে প্রশংসা করা হয়েছিল এবং তাঁর ইনিংসের জন্য অনেকেই বাঁ-হাতি ব্যাটারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
সোশ্যাল মিডিয়াতেও করুণারত্নেকে নিয়ে অভিনন্দন বার্তার বন্যা বয়ে যায়। যদিও, তিনি একটি টুইটের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে অজান্তেই ভুল করে ফেলেছিলেন। ভারতের অন্যতম শীর্ষ ধারাভাষ্যকার হর্ষ ভোগলে আগস্ট ২০১৯-এ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কার হয়ে চতুর্থ ইনিংসে সেঞ্চুরি করার জন্য করুণারত্নের প্রশংসা করেছিলেন। এবং শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক হাস্যকরভাবে হর্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে সেই তিন বছরের পুরনো টুইটের জবাব দিয়েছেন।
অবশেষে নিজের ভুল বুঝতে পেরে চটকদার প্রতিক্রিয়া জানান করুণারত্নে
ম্যাচটি ছিল গল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কা এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যে খেলা একটি টেস্ট। দিমুথ করুণারত্নে চতুর্থ ইনিংসে ১২২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন যা শ্রীলঙ্কাকে ২৬৮ রান তাড়া করতে সাহায্য করেছিল। হর্ষ ভোগলে সেই ব্যতিক্রমী ইনিংসটির জন্য বাঁ-হাতির প্রশংসা করেছিলেন।
চতুর্থ ইনিংসে সেঞ্চুরি করা বিশেষ ব্যাপার। আর এটা এসেছে খুব ভালো একজন খেলোয়াড়ের কাছ থেকে। #দিমুথকরুণারত্নে,” ভোগলের আগস্ট ২০১৯-এ করা টুইটে এমন লেখা ছিল। সে টুইটের উত্তর ৩৩ বছর বয়সী ব্যাঙ্গালোর টেস্ট শেষ হওয়ার একদিন পরে ১৫ই মার্চ দিয়েছিলেন।
বুধবার ১৬ই মার্চ নিজের ভুল বুঝতে পারেন করুণারত্নে। তিনি আরও একটি টুইট করে সেখানে লেখেন “এই মাত্র খেয়াল করলাম এই টুইটটি ৩ বছরের পুরনো। যাইহোক, @bhogleharsha ওটা ভালো একটা অনুমান ছিল।”
করুণারত্নের টুইটটি দেখুন এখানে
Just realized this tweet is 3 years ago 😂anyway @bhogleharsha that was a Good Prediction👌👌
— Dimuth Karunarathna (@IamDimuth) March 16, 2022
উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত বেঙ্গালুরু টেস্ট ম্যাচে সেঞ্চুরির পর দিমুথ করুণারত্নের জন্য হর্ষ ভোগলে কোন টুইট করেননি। তিনি তৃতীয় দিন সকালে কুসল মেন্ডিস এবং করুণারত্নের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে শ্রীলঙ্কার পাল্টা আক্রমণের প্রশংসা করেছিলেন। কিন্তু একবার উইকেট পড়তে শুরু করলে, শ্রীলঙ্কা বিশেষ প্রতিরোধ খাড়া করতে পারেনি। ভারত শীঘ্রই ২৩৮ জিতে সিরিজ দখল করে।
হর্ষ ভোগলে টেস্টে ঘরের মাঠে ভারতের অজেয় রেকর্ডের প্রশংসা করেছেন এবং টেস্ট সিরিজের সময় ঋষভ পান্তের দুর্দান্ত কিপিং দক্ষতার কথা উল্লেখ করতেও ভোলেননি। তাঁর আক্রমণাত্মক ব্যাটিং এবং ব্যতিক্রমী উইকেটকিপিংয়ের জন্য প্লেয়ার অফ দ্য সিরিজ হয়েছিলেন ঋষভ পান্ত।