চড় মারার বিতর্কের ১৬ বছর পর হরভজন সিংয়ের সাথে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন শ্রীশান্ত
আপডেট করা - Mar 19, 2023 3:40 pm

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) প্ৰথম মরসুমে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের ১৫৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংস এবং সোহেল তানভীরের পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে অসাধারণ বোলিং প্রদর্শন ছাড়াও আরেকটি জিনিস নিয়ে খুবই চর্চা হয়েছিল। সেটি হল চড় মারার বিতর্ক। এই ঘটনাটি কিংস XI পঞ্জাব (বর্তমানে পঞ্জাব কিংস) বনাম মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচে ঘটেছিল। মুম্বাই ম্যাচটি হেরে যাওয়ার পর হরভজন সিং নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারান এবং শ্রীশান্তকে চড় মারেন। পুরো ক্রিকেট বিশ্ব এই ঘটনাটি ঘটায় অবাক হয়ে গিয়েছিল।
এই বিতর্কেত পর হরভজন সিং সেই মরসুমের বাকি ম্যাচগুলি থেকে নিষিদ্ধ হন। তার অনুপস্থিতিতে শন পোলক মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তবে প্রাক্তন ভারতীয় অফ স্পিনার হরভজন সিং এই ঘটনার পর একাধিকবার বলেছেন যে তিনি যা করেছিলেন তা ভুল ছিল এবং যদি তিনি তার জীবনের একটি ভুল সংশোধন করার সুযোগ পান তবে তা হবে সেই থাপ্পড়ের ঘটনা।
১৬ বছর কেটে যাওয়ার পর এই ঘটনার ব্যাপারে প্রাক্তন ভারতীয় পেসার শ্রীশান্ত নিজের মতামত জানিয়েছেন। এই ঘটনাটি ছোট ভুল বোঝাবুঝি ছিল এবং মিডিয়া এটিকে বড় করে দেখিয়েছিল বলেই তিনি জানিয়েছেন।
স্পোর্টস ইয়ারিকে শ্রীশান্ত বলেন, “আমরা দুজন বন্ধু। এটি একটি ভুল বোঝাবুঝি ছিল এবং মিডিয়া এটি নিয়ে একটি বড় গোলমাল করেছিল। আমি শুধু বলব ভাজ্জি পা শুরু থেকেই আমাকে সব দিক থেকে সমর্থন করেছেন, যার মধ্যে সম্প্রতি হল ধারাভাষ্যের ব্যাপারে পরামর্শ। তিনি আমাকে সমর্থন করেছেন এবং আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন এবং আমি তার কাছে অনেক কৃতজ্ঞ। একটি গান আছে, ‘তেরে জাইসা ইয়ার কাহা’, এটাই তার সাথে আমার সম্পর্ক।”
এলএলসি মাস্টার্সের ফাইনালে মুখোমুখি হবে এশিয়া লায়ন্স এবং ওয়ার্ল্ড জায়ান্টাস
এলএলসি মাস্টার্সে হরভজন সিং এবং শ্রীশান্ত দুজনেই ইন্ডিয়ান মহারাজাস দলেট সদস্য ছিলেন। ১৮ই মার্চ, শনিবার এশিয়া লায়ন্সের বিরুদ্ধে এলিমিনেটর্সে পরাজিত হয়ে লিগ থেকে বিদায় নিয়েছে ইন্ডিয়ান মহারাজাস। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গৌতম গম্ভীরের নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়ান মহারাজাস টুর্নামেন্টে ৫টির মধ্যে মাত্র ১টি ম্যাচই জিতেছে। গৌতম গম্ভীর পরের মরসুমে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
২০ মার্চ, সোমবার অ্যারন ফিঞ্চের নেতৃত্বাধীন ওয়ার্ল্ড জায়ান্টাস এবং শাহিদ আফ্রিদির নেতৃত্বাধীন এশিয়া লায়ন্স দোহার এশিয়ান টাউন ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হবে।