রিপোর্ট অনুসারে ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে আইপিএলের পুরনো আটটি দলকে রিটেনশন তালিকা জমা করতে হবে

রিপোর্ট অনুযায়ী একটি দল সর্বোচ্চ চারজনকে রিটেইন করতে পারবে

IPL Trophy
IPL Trophy. (Photo Source: IPL/BCCI)

এখনো অবধি ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) থেকে যা শোনা যাচ্ছে তাতে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) আটটি বিদ্যমান ফ্র্যাঞ্চাইজি নিলামের আগে সর্বোচ্চ চারজন খেলোয়াড়কে ধরে রাখতে পারবে। অন্যদিকে, সংযুক্ত হওয়া নতুন দুটি দল তিনজন খেলোয়াড়কে ধরে রাখার অনুমতি পাবে। পুরনো আটটি দল তাঁদের ধরে রাখা ক্রিকেটার চূড়ান্ত করে ফেলার পরেই নতুন দল দুটি বাকিদের মধ্যে থেকে তিন জনকে বাছতে পারবে। 

উল্লেখ্য আইপিএল ২০২২ থেকেই সম্প্রসারিত হতে চলেছে এবং টূর্নামেন্টে দুটি নতুন দল আসছে। এখন থেকে ১০টি দল এই জাঁকজমকপূর্ণ ইভেন্টের শিরোপাজেতার জন্য লড়াই করবে। প্রতিযোগিতার আগে একটি মেগা নিলামও অনুষ্ঠিত হতে চলেছে যেখানে প্রায় সব দলকেই বড় পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে দেখা যেতে পারে। যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও আসেনি তবুও প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী বলা যায় বিদ্যমান ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলি নিলামের আগে চারজন খেলোয়াড়কে ধরে রাখতে সক্ষম হবে। 

বিদ্যমান ৮টি দল সর্বোচ্চ চারজন খেলোয়াড় ধরে রাখতে পারবে

বিসিসিআই শনিবার বিকেলে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের কাছে পাঠানো এক মেইলে বলেছে, “বিদ্যমান ৮টি দল প্রথমে সর্বোচ্চ ৪ জন খেলোয়াড় ধরে রাখার সুযোগ পাবে এবং তারপরে ২টি নতুন দল নিলামের আগে সর্বোচ্চ ৩ জন খেলোয়াড়কে ধরে রাখতে পারবে,” ক্রিকবাজ রিপোর্ট করেছে।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে যে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলিকে ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে তালিকা দিতে হবে যেখানে উল্লেখ থাকবে তারা কোন কোন ক্রিকেটারকে রিটেইন করবে। একবার ধরে রাখা খেলোয়াড়দের নিশ্চিত হয়ে গেলে, নতুন দলগুলি নিলাম অনুষ্ঠানের আগে বাকি খেলোয়াড়দের মধ্য থেকে তিনজনকে নির্বাচন করতে পারবে। এছাড়াও, আইপিএল ২০২২-এর জন্য প্রতিটি দলের কাছে ৯০ কোটি টাকা থাকবে ক্রিকেটার কেনার জন্য।

“৮টি বিদ্যমান দলের খেলোয়াড়দের ধরে রাখার সময়সীমা ১লা নভেম্বর ২০২১ থেকে ৩০শে নভেম্বর ২০২১ পর্যন্ত৷ তারপরে ২টি নতুন দলের খেলোয়াড়দের ধরে রাখার সময়সীমা থাকবে ১লা ডিসেম্বর ২০২১ থেকে ২৫শে ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত,” রিপোর্টে প্রকাশ।

এদিকে বাকি দুই দলের নাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি। যদিও তাদের শহর এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকগোষ্ঠী নিশ্চিত পাকা হয়ে গেছে। সঞ্জীব গোয়েঙ্কার আরপিএসজি গ্রুপ লখনউ ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য সফলভাবে বিড করেছে এবং আহমেদাবাদের ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য সফলভাবে বিড করেছে  সিভিসি ক্যাপিটালস পার্টনার্স। আইপিএলের  অংশ হওয়ার জন্য বিসিসিআই দুটি নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে 12,690 কোটি টাকা আয় করেছে। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে প্রথম ও শেষবারের জন্য আইপিএল ১০ দলের টূর্নামেন্ট হিসেবে আয়োজিত হয়েছিল। 

close whatsapp