টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ের পরে এবার আইপিএলে নজর আদিল রশিদের
টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে চার ওভারে ২২ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন আদিল রশিদ
আপডেট করা - Nov 14, 2022 7:07 pm

২০১০-এর বারো বছর পরে ইংল্যান্ড আবারও টি-২০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। শিরোপাজয়ী অভিযানে আদিল রশিদের বেশ কিছু স্পেল নির্ণায়ক ভূমিকা নিয়েছে। সেমি-ফাইনাল ও ফাইনাল – নকআউট পর্বের দুটি ম্যাচেই আদিল ৬-এর কম ইকোনমি রেট রাখার পাশাপাশি উইকেটও নিয়েছেন। তাঁর এই পারফর্ম্যান্সের পরে আগামী ২৩শে ডিসেম্বর কোচিতে আয়োজিত হতে চলা আইপিএল নিলামে আদিলকে নিয়ে বেশ কিছু ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে আগ্রহ জন্মাতে পারে।
সূর্যকুমার যাদব, বাবর আজমের মতো হাই-প্রোফাইল ব্যাটারদের উইকেট নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের শ্বাসরোধ করার পরে আদিলের চাহিদা স্বভাবতই বেশী থাকার কথা। এর আগে আইপিএল ২০২১-এ পাঞ্জাব কিংসের জার্সিতে তাঁকে দেখা গিয়েছিল। একটি ম্যাচ খেলে ৩ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে একটিও উইকেট নিতে ব্যর্থ হন লেগ-স্পিনার।
রবিবার বিশ্বকাপ ফাইনালের পর আদিল পিটিআইকে বলেছেন, “হ্যাঁ, আমি এবার আইপিএল নিলামে আমার নাম রাখব।” তবে কোন দলের সঙ্গে তাঁর আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি নেতিবাচক জবাব দেন। রশিদ টি-২০ বিশ্বকাপে ছয় ম্যাচে মাত্র চার উইকেট পেলেও সব ম্যাচেই রানের গতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন। সদ্য সমাপ্ত টুর্নামেন্টে তাঁর ইকোনমি রেট ছিল ৬.১২।
ধীর গতিতে বোলিং করার পরিকল্পনার কথা জানালেন আদিল রশিদ
বলের গতি কম রেখে ব্যাটারদের শক্তিশালী শট খেলতে বাধ্য করা আদিল ভারতের স্পিন সহায়ক পিচগুলিতে কার্যকর হয়ে উঠতে পারেন। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন যে কীভাবে তিনি তাঁর গতি কমিয়েছেন এবং পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজমকে বোকা বানানোর জন্য গুগলির মতো ডেলিভারি ব্যবহার করেছেন।
“বাবরের গুগলিটা বিশেষ ছিল। আমি জানি না এটাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট কিনা তবে আমি অবশ্যই টার্ন পাচ্ছিলাম। আমি শাদাব খান বা লিয়াম লিভিংস্টোন সম্পর্কে জানি না। আজ আমি একটু ধীর গতিতে বোলিং করছিলাম এবং বড় লেগি (লেগ ব্রেক) করতে পারছিলাম। সাধারণত আমি একটু দ্রুত এবং একটু শর্ট বল করি। এটাই ছিল আমার গেম প্ল্যান এবং আমি এভাবেই বোলিং করি,” আদিল তাঁর কৌশল ব্যাখ্যা করেছেন।
শাদাব এবং লিভিংস্টোন (যখন তিনি লেগ স্পিন বোলিং করেন) অনেক দ্রুত বোলিং করছিলেন, অন্যদিকে আদিল ধীর গতির বোলিংয়ে বিশ্বাস রেখেছিলেন। “শাদাব এবং লিয়াম একটু দ্রুত বোলিং করে এবং প্রত্যেকের নিজস্ব উপায় আছে। আমার জন্য, আমি যত ধীর গতিতে বোলিং করি সেটাই ভালো।”