অ্যাশেজ সিরিজ ২০২৩-এর প্ৰথম ম্যাচটিকে নিজের জীবনের সবচেয়ে প্রিয় ম্যাচ হিসেবে চিহ্নিত করলেন উসমান খাওয়াজা
আপডেট করা - Jun 21, 2023 5:39 pm

অ্যাশেজ সিরিজ ২০২৩-এর প্ৰথম টেস্টে বেন স্টোকসের নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ডকে ২ উইকেটে পরাজিত করেছে প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়া। শেষ দিনে গিয়ে কামিন্সের একটি অসাধারণ ইনিংসের হাত ধরে জয় পায় অস্ট্রেলিয়া। ইংল্যান্ডকে তাদের ঘরের মাঠে হারানো খুব একটা সহজ কাজ নয়। তবে সেটাই করে দেখিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। প্যাট কামিন্স এবং নাথান লিয়ন যথাক্রমে ৭৩ বলে ৪৪ রান এবং ২৮ বলে ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।
এই ম্যাচে দুটি ইনিংসেই অসাধারণ ব্যাটিংয়ের প্রদর্শন করেন উসমান খাওয়াজা। তিনি প্ৰথম ইনিংসে একটি দুরন্ত শতরান করেন। ৩২১ বলে ১৪১ রান করেন তিনি। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৯৭ বলে ৬৫ রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন তিনি। দুটি ইনিংসেই প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বাধীন দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ব্যাটার ছিলেন খাওয়াজা।
উসমান খাওয়াজা এই রুদ্ধশ্বাস জয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন। তার কাছে এই জয়টি অপ্রত্যাশিত ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। এছাড়াও তিনি বলেছেন যে এটি তার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের সবথেকে প্রিয় ম্যাচ।
ম্যাচ শেষ হওয়ার পর উসমান খাওয়াজা বলেন, “এসসিজি বিশেষ ছিল, এটি অপ্রত্যাশিত ছিল। আমার ক্যারিয়ারের কথা আমার মাথায় ছিল। আমি এটি এক মিলিয়ন বার বলেছি কিন্তু এটি ছিল। দলীয় দৃষ্টিকোণের চেয়ে ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে এটিকে হারানো কঠিন ছিল, এবং জয় এসেছে, এটা এখনও পর্যন্ত আমার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় ম্যাচ।”
“এটি এখনও পর্যন্ত আমার কাছে সর্বকালের সেরা ম্যাচ” – উসমান খাওয়াজা
অ্যালেক্স কেরির উইকেটটি হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। কেরি ২টি চার সহ ৫০ বলে ২০ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে গিয়েছিলেন। একসময় মনে হচ্ছিল যে বেন স্টোকসের নেতৃত্বাধীন দল এই ম্যাচটি জিতে যাবে। কিন্তু নবম উইকেটে প্যাট কামিন্স এবং নাথান লিয়ন মিলে ৫৫* রানের একটি দুর্ধর্ষ পার্টনারশিপ করে অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচটি জিতিয়ে দেন। ২৮শে জুন থেকে দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচটি শুরু হবে।
উসমান খাওয়াজা বলেন, “যেভাবে ম্যাচটি এগোচ্ছিল এবং চাপ বাড়ছিল, তারা যেভাবে আক্রমণ করেছিল, তারপর আমরা যেভাবে পাল্টা আক্রমণ করলাম, দেখে মনে হচ্ছিল যে আমরা সম্ভবত আর এক ঘন্টার মধ্যে ম্যাচটি হেরে যাব এবং কিন্তু তারপর আমরা কামব্যাক করলাম এবং জিতে গেলাম, এটি এখনও পর্যন্ত আমার কাছে সর্বকালের সেরা ম্যাচ।”