দুটি ম্যাচই হেরে মাহমুদউল্লাহ কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন মিডল অর্ডারকে
২৪শে জানুয়ারি ফরচুন বরিশালের বিরুদ্ধে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নামবে ঢাকা
আপডেট করা - Jan 23, 2022 5:34 pm

বিপিএলের অষ্টম সংস্করণের অন্যতম অভিজ্ঞ দল মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকার। জাতীয় দলের হয়ে খেলার জন্য আফগানিস্তানের নাজিবুল্লাহ জাদরান এখনও দলের সঙ্গে যুক্ত না হলেও মিডল অর্ডারে আন্দ্রে রাসেলের মতো বিশ্বকাঁপানো মারকুটে ব্যাটার রয়েছেন। আছেন খোদ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। জাতীয় স্তরে দীর্ঘদিন ধরে পারফর্ম করে জহুরুল ইসলাম ও শুভাগত হোমও আছেন। এমন দল হাতে পেয়েও মাহমুদউল্লাহ সমালোচনা করে বসলেন সেই মিডল অর্ডারকেই।
প্রথম ম্যাচে হারের হারের পর বোলিংকে দায়ী করেছিলেন ঢাকার অধিনায়ক। দ্বিতীয় ম্যাচ হেরে তিনি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন মিডল অর্ডারকে। সমালোচনার নিশানা হিসেবে নিজেকেও বাদ দেননি তিনি। মরসুমের প্রথম ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ১৮৫ রানের বিশাল স্কোর সংগ্রহ জড়ো করেও ম্যাচ হারে মিনিস্টার ঢাকা। দ্বিতীয় ম্যাচে প্রতিপক্ষ চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের খাড়া করা ১৬২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে ব্যর্থ হয়েছে দলটি। প্রথম দুটি ম্যাচের দুটিতেই হেরে টুর্নামেন্টের শুরুটা ভালোভাবে করতে না পারায় চিন্তিত ঢাকার অধিনায়ক।
তিনি বলেছেন, “এই ধরনের টুর্নামেন্টে সূচনাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়। সেখানে আমাদের শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি। ইতোমধ্যে দুটো ম্যাচের দুটোতেই হেরেছি। এখন থেকে প্রতিটা ম্যাচই খুব গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। বিশেষ করে পরবর্তী ম্যাচটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে। ছন্দ খুঁজে পাওয়ার জন্য আমাদের অবশ্যই জিততে হবে।”
আমাদের ভাবতে হবে কীভাবে মিডল অর্ডারে পার্টনারশিপ গড়তে পারি: মাহমুদউল্লাহ
দুটি ম্যাচেই হাফ সেঞ্চুরি করেছেন ওপেনার তামিম ইকবাল। প্রথম ম্যাচে মিডল অর্ডারে ব্যাট করতে নেমে ভালো স্ট্রাইক রেটে ইনিংস খেলেছিলেন মাহমুদউল্লাহও। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে মাহমুদউল্লাহ, দ্রে রাস দুজনেই ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে জয় অধরা থেকে গেছে।
দ্বিতীয় ম্যাচ হেরে মিডল অর্ডারের সমালোচনার সময় মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, “দ্বিতীয় ম্যাচে বোলাররা মোটামুটি ভালো বোলিং করেছে। কিন্তু ব্যাটিংয়ে আমাদের একটা ভালো পার্টনারশিপ দরকার ছিল। ওপেনিংয়ে তামিম খুব ভালো ব্যাটিং করেছে। শুরুটাও ভালো হয়েছিল। কিন্তু মিডল অর্ডারে আরও ভালো করতে হবে। আমারও দায়িত্ব আছে, আমিও সহজেই আউট হয়ে গেছি। সবমিলিয়ে মিডল অর্ডার নিয়ে আমাদের আরও ভাবতে হবে যে কীভাবে আরও ভালোভাবে পার্টনারশিপ গড়তে পারি। কারণ সত্যি বলতে ব্যাটিংয়ের জন্য উইকেট দারুণ ছিল। এই উইকেটে ১৬০ রান তাড়া করা উচিত।”
তিনি আরও বলেন, “টি-টোয়েন্টি খেলাটা এমনই, একদিন বোলিং বিভাগ খারাপ করবে আবার একদিন খুব ভালো করবে। তাই কোনো না কোনো বিভাগকে অসাধারণ পারফর্ম করে অন্য বিভাগের ব্যর্থতা ঢাকতে হবে। দুই ম্যাচেই আমরা আমাদের প্রত্যাশা সেভাবে পূরণ করতে পারিনি।”