কঠিন পরিস্থিতিতে বেন স্টোকসের অতি আক্রমণাক্মক খেলাকেই দুষছেন কেভিন পিটারসন

Ben Stokes
Ben Stokes. (Photo by Gareth Copley/Getty Images)

এজবাস্টনে ভারতের বিরুদ্ধে বেশ ব্যাকফুটে চলে গিয়েছে ইংল্যান্ড। ভারতের ৪১৬ রানের জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে ২৮৪ রানেই থেমে যেতে হয়েছে ইংল্যান্ডকে। আর এমন পরিস্থিতির জন্য খানিকটা হলেও বেন স্টোকসকে দায়ী করছেন কেভিন পিটারসন। চাপের মুহূর্তে স্টোকসের বেপরোয়া শট খেলার সিদ্ধান্তকেই সমর্থন করতে পারছেন না কেভিন পিটারসন। সেই সময় ভারতের বিরদ্ধে একটা বিল্ড আপ গেমের প্রয়োজন। কিন্তু স্টোকসের বেপরোয়া শট খেলায় ইংল্যান্ডের ওপর চাপ বেড়েছিল বলেই মনে করছেন পিটারসন।

দ্বিতীয় দিনই ভারতীয় বোলিংয়ের সামনে ৮৪ রানে পাঁচ উইকেট খুইয়ে বেশ চাপে পড়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। সেই সময় ক্রিজে ছিলেন জনি বেয়ারস্টো এবং বেন স্টোকস। এই দুই তারকার ওপরই ছিল ইংল্যান্ডকে বাঁচানোর দায়িত্ব। কৃতীয় দিন সেই জায়গা থেকেই লড়াইটা শুরু করেছিলেন তারা। কিন্তু বেন স্টোকসের একটু তাড়াহুড়ো এবং অতিরিক্ত আক্রমামত্মক খেলাই ইংল্যান্ডের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল বলে মনে করছেন কেভিন পিটারসন।

নতুন অধিনায়ক হিসাবে স্টোকসের প্রশংসা বারবারই তাঁর মুখে শোনা গিয়েছে এর আগে। ব্যাটার হিসাবেও স্টোকসের প্রশংসা বারবারই করেছেন তিনি।  কিন্তু এদিন ভারতের বিরদ্ধে সেই পরিস্থিতিতে এতটা অতি আক্রমণাত্মক ক্রিকেট না খেলাই উচিত্ ছিল বলে মনে করছেন প্রাক্তন ইংল্যান্ড তারকা ক্রিকেটার। তাঁর মতে সেই পরিস্থিতিতে জনি বেয়ারস্টোর মতোই আরও খানিকটা সাবধানী হয়ে খেলা উচিত্ ছিল বেন স্টোকসের।

তৃতীয় দিন মাত্র ২৫ রানেই সাজঘরে ফিরেছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক বেন স্টোকস

স্কাই স্পোর্টসের হয়ে ধারাভাষ্য দেওয়ার সময় কেভিন পিটারসন জানিয়েছেন, “আম দেখছিলাম বেন স্টোকস বেশীরভাগ সময়ই বল শূন্যে ভাসিয়ে দিচ্ছেন। আর সেটাই আমার মতে বেপরোয়া ব্যাটিং। কখনোই সেটা নিজের উইকেট বাঁচানো নয়। এই পরিস্থিতিতে টেস্ট ম্যাচ শতরান সত্যিই একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি একজন অতি ভাল ক্রিকেটার এমন পরিস্থিতিতে খেলার জন্য”।

তৃতীয় দিন যখন ইংল্যান্ড ব্যাটিংয়ে নামে সেই সময় তাদের রান ছিল ৫ ুইকেটে ৮৪। সেই জায়গা থেকে ধীরে ধীরে রান এগোনে শুরু করেছিলেন বেন স্টোকস এবং জনি বেয়ারস্টো। কিন্তু সময় এগোনর সঙ্গে সঙ্গেই যেন অতি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছিলেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। আর তাতেই যে স্টোকস নিজেকর উইকেট খুইয়েছে তা নিয়ে কোনও দ্বিধা নেই পিটারসনের। তাঁর মতো ক্রিকেটারের উইকেট খোয়ানয় ইংল্যান্ডের ওপর যে চাপ বেড়েছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

close whatsapp