জসপ্রীত বুমররার ধাক্কায় বিধ্বস্ত ইংল্যান্ড, ১৯ রান দিয়ে একাই নিলেন ৬ উইকেট

Jasprit-Bumrah
Jasprit-Bumrah. ( Photo Source: Twitter)

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কেনিংটন ওভালে প্রথম একদিনের ম্যাচে নেমেছিল ভারত। সেখানেই ব্রিটিশ ব্।াটিং লাইনআপকে একে শেষ করে দিলেন জসপ্রীত বুমরাহ। ওভালের পিচে বল হাতে আগুম ঝড়ালেন তিনি। আর তাতেই শেষ হয়ে গিল ব্রিটিশদের তারকাখচিত ব্যাটিং লাইনআপ।  ম্যাচ শুরুর কিছুক্ষণ আগেই ইংল্যান্ডকে নিয়ে বিরাট ভবিষ্যদ্বানী করেছিলেন প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার মাইকেল ভন। কিন্তু জসপ্রী বুমরাহ ফর্মে থাকলে যে কোনও ভবিষ্যদ্বানীই সফল হবে না, তা আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন তিনি।

ইংল্যান্ডের তারকাখচিত ব্যাটিং লাইনআপকে একাই শেষ করে দিলেন এবার এদিন জসপ্রীত বুমরাহ। আর বুমরার জাদুতেই মাতল গোটা ওভাল স্টেডিয়াম। মাত্র ১৯ রান দিয়ে একাই নিলেন ৬টি ুইকেট। একদিনের ক্রিকেটে এখনও পর্যন্ত এটাই জসপ্রীত বুমরার সেরা বোলিং পারফরম্যান্স। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এদিন মাত্র ১৯ রান দিয়ে একাই তুলে নিলেন ৬টি উইকেট। আর তাতেই শেষ হয়ে গেল ব্রিটিশ বাহিনী। জসপ্রীত বুমরার এমন পারফরম্যান্স দেখে আপ্লুত সকলে। মাঠ থেকে সোশ্যাল সাইট শুধুই বুমরার চর্চা এদিন।

একদিনের ক্রিকেটে কেরিয়ারের সেরা বোলিং পারফরম্যান্স জসপ্রীত বুমরার

টস জিতে এদিন প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের পর এই প্রথমবার পূর্ণশক্তির ব্যাটিং লাইনআপ নিয়ে মাঠে নেমেছিল ব্রিটিশ বাহিনী। অধিনায়ক হওয়ার পর এটাই ছিল জস বাটলারের প্রথম একদিনের ম্যাচ। কিন্তু যেদিন জসপ্রীত বুমলাহ স্ব মহিমা. থাকবেন সেদিন কতোনও তারকা ব্যাটারের পক্ষেই বোধহয় ম্যাচ জেতানো সম্ভব নয়। জো রুট, বেয়ারস্টো, স্টোকসদের মতো তারকাদের এদিন নেহাত নীরব দর্শক হয়েই মাঠে থাকতে হয়েছিল।

ম্যাচের প্রথম ওভার থেকেই এদিন বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন জসপ্রীত বুমরাহ। তাঁর ৬ রানের মধ্যেই ব্রিটিশদের সেরা দুই তারকাকে সাজঘরের রাস্তা দেখিয়ে দেন তিনি। তাঁর বোলিংয়ের এদিন কোনও জবাবই ছিল না ব্রিটিশ ব্যাটারদের সামনে। হবেই বা কী করে। এদিন ওভালের বাইশগজে যে  শুধুই ছিল জসপ্রীত বুমরার রাজসত্ব। জেসন রয়ের উইকেট নিয়ে শুরু হয় বুমরাহ ঝড় আপর তা শেষ হয় ব্রাইডন কার্সের উইকেট নিয়ে।

জেসন রয়, জনি বেয়ারস্টো, জো রুট, লিয়াম লিভিংস্টোনদের শুরুতেই সাজঘরের রাস্তা দেখিয়ে ভারতের জয়ের পথটা প্রশস্ত করে দিয়েছিলেন। যদিও বুমরাহ ঝড় তখনও কমেনি। শেষের দিকে এসে উইলি ও কার্সকে তুলে নিয়ে ইংল্যান্ডকে ১১০ রানেই থামিয়ে দেন তিনি। ঘরের মাঠে আরও একটা খারাপ স্মৃতির স্বাক্ষী হয়ে রইল ইংল্যান্ড।

close whatsapp