রশিদ, মুজিবের স্পিন ও নাজিবুল্লার ঝোড়ো ইনিংসে বাংলাদেশকে উড়িয়ে দিল আফগানিস্তান

Afganistan Win
Afganistan Win. ( image source: Afghanistan twitter )

রশিদ খান ও মুজিব উর রহমানের দাপুটে বোলিং পারফরম্যান্স। শ্রীলঙ্কার পর বাংলাদেশকেও হারিয়ে কার্যত পরের রাউন্ডে নিজেদের জায়গা পাকা করে ফেলল আফগানিস্তান। প্রথম ম্যাচে তিনি উইকেট পাননি। বাংলাদেশের বিরুদ্ধেই জ্বলে উঠলেন রশিদ খান। আর তাতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। ম়ঞ্চটা কার্যত রসিদ খান ও মুজিব উর রহমানই তৈরি করে দিয়েছিল। শেষটা করলেন ব্যাট হাতে নাজিবুল্লা জার্দান। ঝোড়ো ইনিংস খেলে বাংলাদেশের সমস্ত আসা শেষ করে দিলেন তিনি একাই।  ৭ উইকেটে বাংলাদেশ বধ আফগানিস্তানের।

প্রথম ম্যাচেই আফগানিস্তান শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সকলকে চমকে দিয়েছিল। এবার তাদের সামনে ছিল বাংলাদেশ। ধারাভারে খানিকটা পিছিয় থেকেই নেমেছিল আফগানিস্তান। কিন্তু মাঠে নামার পর থেকেই বদলে গিয়েছিল গোটা চিত্রটা। রশিদ খান প্রথম ম্যাচে উইকেট পাননি। এদিন বল হাতে দুর্ধর্ষ ফর্মে ছিলেন তিনি। সেইসঙ্গে অসাধারণ ফর্মে চিলেন মুজিব ফর রহমানও। আর ব্যাট হাতে জার্দানের ঝড় তো সকলেই দেখল। এক ওভার তিন বল বাকি থাকতেই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জয় তুলে নেয় আফগানিস্তান।

১৬ রানে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হয়েছেন মুজিব উর রহমান

ম্যাচ শুরুর আগে বাংলাদেশকে সমীহের সুরই শোনা গিয়েছিল আগানিস্তান ক্রিকেটারদের গলায়।  কিন্তু ম্যাচ শুরুর পর থেকে তো মাঠে শুধুই ছিল আফগানিস্তানের দাপট। টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। লক্ষ্যটা ছিল বড় রানের। কিন্তু সুরু থেকেই মুজিব উর রহমানের দাপটে বাংলাদেশের টপ অর্ডার চূড়ান্ত ব্যর্থ। সাকিব, আনামুল, নাইমরা কেুই ২০ রানের গন্ডী টপকাতে পারেননি। এরপর ছিল মাঠে রশিদ খানের দাপট। তিনিও নেন তিন উইকেট। ৮৯ রানের মধ্যে ৬ ুইকেট খুইয়ে রীতিমত চাপে পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ।

মোসাদ্দেক হোসেন শেষপর্যন্ত ক্রিজে না থাকলে বাংলাদেশ বোধহয় ১০০ রানেরক গন্ডী টপকাতে পারত না। সেখান তাঁর ৪৮ রানে ভর করেই শেষপর্যন্ত ১২৭ রানে পৌঁছেছিব বাংলাদেশ। গোটা ইনিংস জুড়ে বাংলাদেশ ৮টি চার ও একটি ছয় মারতে পেরেছে। সহজ লক্ষ্য ছিল আফগানিস্তানের সামনে। কিন্তু বাংলাদেশও এদিন সহজে ছাড়ার দল ছিল না।

সুরু থেকেই আফগানিস্তানের ওপর চাপ বাড়াতেশুরু করেছিল তারা। আফগানিস্তানের ওপেনিং জুটিকে তাড়াতাড়ি সাজঘরে ফিরিয়ে সেই চাপটা ততৈরিও করেছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। সেই সময় তেকেই পিচে লড়াইটা শুরু ইব্রাহিম জার্দান ও নাজিবুল্লাহ জার্দানের । সময় যত এগিয়েছে ততই আক্কমণাত্মক ক্রিকেট খেলা শুরু নাজিবুল্লাহ-র। তাঁর ব্যাটের ঝড়ের সামনে বাংলাদেশের বোলাররা এদিন খরকুটোর মতো উড়ে গিয়েছিল।

মাত্র ১৭ বলে ৪৩ রানের দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্স করে এক ওভার তিন বল বাকি থাকতেই ম্যাচ বের করে দিন নাজিবুল্লাহ জারদান। তাঁর গোটা ইনিংস জুড়ে রয়েছে ১টি চার ও ৬টি ছয়। ৭ উইকেট বাংলাদেশকে হারিয়ে শেষ চারে জায়গা কার্যত পাকা আফগানিস্তানের।

close whatsapp