আইপিএল ২০২৩ নিলাম: প্রথম রাউন্ডে ১৮.৫০ কোটি টাকা পেয়ে রেকর্ড স্যাম কারানের

ক্যামেরন গ্রিনের দর উঠল ১৭.৫০ কোটি টাকা

Sam Curran
Sam Curran. (Image Source: Twitter)

আইপিএল ২০২৩-এর জন্য নিলাম শুরু হয়েছিল কেন উইলিয়ামসনকে দিয়ে। গতবারের চ্যাম্পিয়ন গুজরাত টাইটান্স তাঁকে তাঁর বেস প্রাইস ২ কোটি টাকায় কিনে নিতে সক্ষম হয়েছিল। দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে নাম উঠে আসে ইংল্যান্ডের উদীয়মান ব্যাটার হ্যারি ব্রুকের। তাঁকে নিয়ে প্রাথমিক আগ্রহ দেখিয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। এই দুই দলের মধ্যে প্রাথমিক টানাটানির পরে ব্রুকের দর যখন ৫ কোটি ছাড়িয়ে যায় তখন সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদও লড়াইয়ে প্রবেশ করে। হায়দ্রাবাদ ও রয়্যালসের মধ্যে তীব্র দর হাঁকাহাঁকি চলতে থাকে। শেষ অবধি ১৩.২৫ কোটি টাকায় সানরাইজার্স তাঁকে কিনতে সক্ষম হয়।

ভারতীয় ওপেনার মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে নিয়েও বিপুল আগ্রহ দেখা গিয়েছিল নিলামের আসরে। চেন্নাই সুপার কিংস (সিএসকে) প্রাথমিক আগ্রহ দেখাচ্ছিল এবং তাঁর প্রাক্তন ফ্র্যাঞ্চাইজি পাঞ্জাব কিংসও লড়াইয়ে ছিল। তবে তাঁর দাম ৫ কোটির কাছাকাছি যেতেই আবার সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ দর হাঁকা শুরু করে। পাঞ্জাব লড়াই থেকে সরে যাওয়ায় সিএসকের সঙ্গে হায়দ্রাবাদের দ্বি-মুখী লড়াই শুরু হয়। এবারও হায়দ্রাবাদ খেলোয়াড় অধিগ্রহণে সফল হয় এবং ৮.২৫ কোটি টাকা দিয়ে মায়াঙ্ককে কেনে।

এখানে দেখো: IPL Auction 2023 Live Updates

অলরাউন্ডারদের নিয়ে তীব্র টানাটানি

আজিঙ্ক্যা রাহানেকে ৫০ লাখের বেস প্রাইসে সিএসকে কেনার পরে জো রুট, রাইলি রসৌ, শাকিব আল হাসানের জন্য কোন ক্রেতা পাওয়া যায়নি। টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২২-এর সেরা খেলোয়াড় স্যাম কারানের জন্য মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স বিড শুরু করেছিল। তাদের সঙ্গে যোগদান করে আরসিবিও। তবে ৬ কোটির কাছাকাছি দর পৌঁছতেই আরসিবি বিড করা বন্ধ করে দেয় এবং রাজস্থান রয়্যালস বিডিং চালু করে। মুম্বাই ও রয়্যালসের হাঁকাহাঁকিতে দর ১১ কোটি ছাড়িয়ে যায়। এরপর অপ্রত্যাশিতভাবে আগ্রহ প্রকাশ করে কারানের দুই প্রাক্তন দল পাঞ্জাব কিংস ও চেন্নাই সুপার কিংস। দুই দলের মধ্যে তীব্র লড়াই চলতে থাকে এবং দাম পৌঁছে যান ১৫ কোটিতে। সাড়ে ১৫ কোটির পরে সিএসকে সরে যেতেই লখনউ সুপার জায়ান্টস দর ডাকা শুরু করে। ফলে আইপিএলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ দরের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে যায় কারানের দর। অবশেষে কারানকে ১৮.৫০ কোটি টাকায় কেনে পাঞ্জাব কিংস।

এরপরে ওডিয়ান স্মিথ ও সিকান্দার রাজাকে বেস প্রাইসে কেনা হলেও জেসন হোল্ডারের জন্য আরআর ও সিএসকে টানাটানি শুরু করে। ৫.৭৫ কোটি দিয়ে তাঁকে কিনে নেয় আরআর। তরুণ অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের জন্য নিলামের টেবিলে বিশাল উত্তেজনা দেখা যায়। একাধিক খেলোয়াড় আগ্রহ দেখিয়েছিল এবং তার মধ্যে সবচেয়ে বেশী আগ্রহী ছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ও দিল্লি ক্যাপিটালস। যেখানে আগে কখনও আইপিএলে ১৭ কোটির সীমা অতিক্রম করতে দেখা যায়নি কোন দলকেই, সেখানে এবারের নিলামে দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে ১৭ কোটি দাম ছাড়িয়ে যায় গ্রিনের। কাইরন পোলার্ডের অবসরের পরে মিডল অর্ডারে শূন্যস্থান থাকা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স গ্রিনকে ₹১৭.৫০ কোটি দিয়ে কেনে।

তারকা অলরাউন্ডার বেন স্টোকসের জন্য আরআর ও আরসিবি দর হাঁকা শুরু করেছিল এবং দ্রুত তাঁর দাম বাড়তে থাকে। ৭ কোটিতে দর পৌঁছলে লখনউ আসরে নামে। এর সঙ্গে এসআরএইচও যুক্ত হয়। এই দুই দলের ডাকাডাকিতে দর ছাড়িয়ে যায় ১৪ কোটি। ১৫ কোটির পরে সিএসকে আগ্রহ দেখায় এবং ১৬.২৫ কোটিতে কেনে।

close whatsapp